ঢাকা ১২:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক

মায়ের কবরের পাশে ছোট্ট কন্যা-ইবি শিক্ষিকা রুনার মৃত্যুতে হৃদয়বিদারক দৃশ্য

মায়ের কবরের পাশে নীরবে দাঁড়িয়ে আছে ছোট্ট এক কন্যা।

মায়ের কবরের পাশে নীরবে দাঁড়িয়ে আছে ছোট্ট এক কন্যা। যে মায়ের হাত ধরে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল, যার স্নেহে বড় হওয়ার কথা ছিল—আজ সেই মা-ই মাটির নিচে চিরনিদ্রায় শায়িত। এমন হৃদয়বিদারক দৃশ্য উপস্থিত সবার চোখে এনে দিয়েছে অশ্রু।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। তার আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্বজনদের মাঝে।
মায়ের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা তার ছোট্ট কন্যার অসহায় মুখ যেন পুরো ঘটনার বেদনা আরও গভীর করে তুলেছে। উপস্থিত অনেকেই জানান, “এ দৃশ্য ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। একটি শিশুর জীবনে সবচেয়ে বড় আশ্রয়ই হলো মা, আর সেই আশ্রয়টাই আজ হারিয়ে গেছে।”
আসমা সাদিয়া রুনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের একজন সুনামধন্য শিক্ষক ছিলেন। সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের কাছে তিনি ছিলেন অত্যন্ত মানবিক, মেধাবী ও দায়িত্বশীল। তার অকাল মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোক ও শূন্যতা।
সহকর্মী ও শিক্ষার্থীরা তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, “রুনা ম্যাম শুধু একজন শিক্ষকই ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমাদের পথপ্রদর্শক। তার এই করুণ মৃত্যু আমরা কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না।”
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তার মৃত্যুতে শোকের ঢেউ বইছে। অনেকেই ছোট্ট কন্যার সেই কবরের পাশের দৃশ্য দেখে গভীর শোক ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছেন।
সকলেই মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছেন—আল্লাহ যেন আসমা সাদিয়া রুনার সকল গুনাহ মাফ করে তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং শোকাহত পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সইবার শক্তি দান করেন

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

মায়ের কবরের পাশে ছোট্ট কন্যা-ইবি শিক্ষিকা রুনার মৃত্যুতে হৃদয়বিদারক দৃশ্য

প্রকাশের সময়ঃ ১২:৩৬:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

মায়ের কবরের পাশে নীরবে দাঁড়িয়ে আছে ছোট্ট এক কন্যা। যে মায়ের হাত ধরে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল, যার স্নেহে বড় হওয়ার কথা ছিল—আজ সেই মা-ই মাটির নিচে চিরনিদ্রায় শায়িত। এমন হৃদয়বিদারক দৃশ্য উপস্থিত সবার চোখে এনে দিয়েছে অশ্রু।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। তার আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্বজনদের মাঝে।
মায়ের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা তার ছোট্ট কন্যার অসহায় মুখ যেন পুরো ঘটনার বেদনা আরও গভীর করে তুলেছে। উপস্থিত অনেকেই জানান, “এ দৃশ্য ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। একটি শিশুর জীবনে সবচেয়ে বড় আশ্রয়ই হলো মা, আর সেই আশ্রয়টাই আজ হারিয়ে গেছে।”
আসমা সাদিয়া রুনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের একজন সুনামধন্য শিক্ষক ছিলেন। সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের কাছে তিনি ছিলেন অত্যন্ত মানবিক, মেধাবী ও দায়িত্বশীল। তার অকাল মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোক ও শূন্যতা।
সহকর্মী ও শিক্ষার্থীরা তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, “রুনা ম্যাম শুধু একজন শিক্ষকই ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমাদের পথপ্রদর্শক। তার এই করুণ মৃত্যু আমরা কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না।”
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তার মৃত্যুতে শোকের ঢেউ বইছে। অনেকেই ছোট্ট কন্যার সেই কবরের পাশের দৃশ্য দেখে গভীর শোক ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছেন।
সকলেই মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছেন—আল্লাহ যেন আসমা সাদিয়া রুনার সকল গুনাহ মাফ করে তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং শোকাহত পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সইবার শক্তি দান করেন