ঢাকা ০১:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
মোংলা বন্দর আধুনিকায়নে ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী হামের টিকা ক্রয় ও বিতরণে অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিশন পোশাক শ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি কার্যকর হবে ডিসেম্বর থেকে সাংবাদিক ও গণমাধ্যম মালিককে গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের পূর্বানুমতি বেরোবিতে ‘জার্নাল অব লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্সেস’-এর দ্বিতীয় খণ্ডের মোড়ক উন্মোচন চীনা দূতাবাসের জিম্মায় জামিন পেলেন চীন ও তাইওয়ানের ৬ নাগরিক ‘অপলক’ দিয়ে বড় পর্দায় রাজীব, জুটি হচ্ছেন নিশো-মেহজাবীন জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের আহ্বান মার্কিন নির্বাচনের প্রভাব পড়তে পারে জ্বালানি, বাণিজ্য ও বৈশ্বিক রাজনীতিতে চতুর্থ শ্রেণিতে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি শিক্ষার নতুন বই, জানালেন প্রতিমন্ত্রী

টানা ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, নিরাপত্তা উদ্বেগে ফাঁকা মেরিন ড্রাইভের রিসোর্ট-কটেজ

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ১১:৫২:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২৬৫ Time View

টানা ছুটিতে কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকদের ভিড়। মঙ্গলবার সকালে তোলা ছবি। ছবি: সংগৃহীত

দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা ছুটি শুরু হওয়ায় কক্সবাজারে পর্যটকের আগমন বেড়েছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল থেকে বাস ও ট্রেনে ভিড় দেখা গেছে। তবে কয়েক দিন ধরেই সৈকত শহরে পর্যটকের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছিল।

শহরের হোটেল, গেস্টহাউস ও কটেজে চাপ থাকলেও পাটুয়ারটেক সৈকতের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মৃত্যুর পর মেরিন ড্রাইভ এলাকার রিসোর্ট-কটেজে পর্যটকের উপস্থিতি কমে গেছে। বাঁশ ও কাঠের তৈরি এসব স্থাপনার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে অনেকেই এখন শহরের হোটেলে থাকতে পছন্দ করছেন।

মেরিন ড্রাইভের ইনানী সৈকত এলাকার রিসোর্টকর্মীরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর পর্যটকেরা রিসোর্টে অবস্থানকে নিরাপদ মনে করছেন না। অনেকে আগাম বুকিংও বাতিল করেছেন। এতে মেরিন ড্রাইভের রিসোর্ট-কটেজ ব্যবসায় ধস নেমেছে।

কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ হোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান জানান, এ ঘটনার পর মেরিন ড্রাইভ এলাকার রিসোর্ট-কটেজের প্রায় ৮০ শতাংশ কক্ষ খালি পড়ে আছে। বিপরীতে শহরের হোটেল-গেস্টহাউসে পর্যটকের চাপ বেড়েছে।

১০ লাখ পর্যটকের আশা

কক্সবাজার হোটেল-গেস্টহাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, আগামী ২১ অক্টোবর বিকেলে কক্সবাজার সৈকতের লাবণী পয়েন্টে প্রতিমা বিসর্জন উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। টানা ছুটিতে অন্তত ১০ লাখ পর্যটকের সমাগম হতে পারে বলে আশা করছেন হোটেল মালিকেরা।

মঙ্গলবার সকাল থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার সৈকতজুড়ে পর্যটকের ভিড় লক্ষ করা গেছে। কেউ সাগরের পানিতে গোসল করছেন, আবার কেউ বালুচরে ছাতা-চেয়ারে বসে সমুদ্র উপভোগ করছেন।

কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আবদুল শুক্কুর বলেন, টানা ছুটিতে ১০ লাখ পর্যটকের সমাগম হলে হোটেল-রেস্তোরাঁসহ পর্যটনসংশ্লিষ্ট খাতে ৯০০ কোটি থেকে ১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা হতে পারে।

প্রশাসনের প্রস্তুতি

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) তাসনীম জাহান জানান, এ ছুটিতে রেকর্ডসংখ্যক পর্যটক আসতে পারেন। পর্যটকদের হয়রানি বন্ধ ও সেবা নিশ্চিত করতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে কাজ করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মোংলা বন্দর আধুনিকায়নে ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

টানা ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, নিরাপত্তা উদ্বেগে ফাঁকা মেরিন ড্রাইভের রিসোর্ট-কটেজ

প্রকাশের সময়ঃ ১১:৫২:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা ছুটি শুরু হওয়ায় কক্সবাজারে পর্যটকের আগমন বেড়েছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল থেকে বাস ও ট্রেনে ভিড় দেখা গেছে। তবে কয়েক দিন ধরেই সৈকত শহরে পর্যটকের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছিল।

শহরের হোটেল, গেস্টহাউস ও কটেজে চাপ থাকলেও পাটুয়ারটেক সৈকতের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মৃত্যুর পর মেরিন ড্রাইভ এলাকার রিসোর্ট-কটেজে পর্যটকের উপস্থিতি কমে গেছে। বাঁশ ও কাঠের তৈরি এসব স্থাপনার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে অনেকেই এখন শহরের হোটেলে থাকতে পছন্দ করছেন।

মেরিন ড্রাইভের ইনানী সৈকত এলাকার রিসোর্টকর্মীরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর পর্যটকেরা রিসোর্টে অবস্থানকে নিরাপদ মনে করছেন না। অনেকে আগাম বুকিংও বাতিল করেছেন। এতে মেরিন ড্রাইভের রিসোর্ট-কটেজ ব্যবসায় ধস নেমেছে।

কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ হোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান জানান, এ ঘটনার পর মেরিন ড্রাইভ এলাকার রিসোর্ট-কটেজের প্রায় ৮০ শতাংশ কক্ষ খালি পড়ে আছে। বিপরীতে শহরের হোটেল-গেস্টহাউসে পর্যটকের চাপ বেড়েছে।

১০ লাখ পর্যটকের আশা

কক্সবাজার হোটেল-গেস্টহাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, আগামী ২১ অক্টোবর বিকেলে কক্সবাজার সৈকতের লাবণী পয়েন্টে প্রতিমা বিসর্জন উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। টানা ছুটিতে অন্তত ১০ লাখ পর্যটকের সমাগম হতে পারে বলে আশা করছেন হোটেল মালিকেরা।

মঙ্গলবার সকাল থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার সৈকতজুড়ে পর্যটকের ভিড় লক্ষ করা গেছে। কেউ সাগরের পানিতে গোসল করছেন, আবার কেউ বালুচরে ছাতা-চেয়ারে বসে সমুদ্র উপভোগ করছেন।

কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আবদুল শুক্কুর বলেন, টানা ছুটিতে ১০ লাখ পর্যটকের সমাগম হলে হোটেল-রেস্তোরাঁসহ পর্যটনসংশ্লিষ্ট খাতে ৯০০ কোটি থেকে ১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা হতে পারে।

প্রশাসনের প্রস্তুতি

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) তাসনীম জাহান জানান, এ ছুটিতে রেকর্ডসংখ্যক পর্যটক আসতে পারেন। পর্যটকদের হয়রানি বন্ধ ও সেবা নিশ্চিত করতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে কাজ করছে।