
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে যুদ্ধ শুরু করার পরিকল্পনাকে ‘পাগলামি’ বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন সিনেটর ক্রিস মারফি। তাঁর মতে, এ ধরনের সামরিক পদক্ষেপে কোনো লক্ষ্য অর্জিত হবে না; বরং আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়বে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার বরাতে পার্সটুডের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাট সিনেটর ক্রিস মারফি দাবি করেন, বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের বিরুদ্ধে আবারও যুদ্ধ শুরু করার পরিকল্পনা করছেন।
মারফি লেখেন, ‘আমাদের মধ্যে কয়েকজন এই যুদ্ধ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত হয়েছি। এর বিস্তারিত প্রকাশ করতে পারছি না। তবে এটুকু বলতে পারি, এই পরিকল্পনা সম্পূর্ণ পাগলামি। এর মাধ্যমে কোনো লক্ষ্য অর্জিত হবে না, বরং উত্তেজনা বৃদ্ধির নতুন একটি চক্র শুরু হবে।’
ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের সামরিক নীতির সমালোচনা করে আসছেন এই ডেমোক্র্যাট সিনেটর। গত সপ্তাহে এক্সে দেওয়া আরেকটি পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, সেনা, কূটনীতিক কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত সামরিক ঘাঁটিগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বাস্তব পরিকল্পনা ছাড়াই ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছেন।
ওই পোস্টে মারফি বলেন, এ ঘটনায় প্রত্যেক মার্কিন নাগরিকের ক্ষুব্ধ হওয়া উচিত। তাঁর ভাষায়, এটি চরম অযোগ্যতার পরিচয়।
মারফির অভিযোগ, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান দেশটিকে আন্তর্জাতিকভাবে অপমানিত করেছে। একই সঙ্গে এ যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা কমিয়েছে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়িয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তবে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে যুদ্ধ শুরুর পরিকল্পনা নিয়ে সিনেটর মারফির বক্তব্যের বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের কোনো প্রতিক্রিয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
অধিকার ডেস্কঃ 
























