ঢাকা ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়
হাসপাতালে পুলিশের পাহারা

গৌরনদীতে ‘ইয়াবা গিলে পালানোর চেষ্টা’—অচেতন হয়ে ধরা কারবারি

উপজেলার টরকী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নীলখোলা এলাকায় এ নাটকীয় ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

বরিশালের গৌরনদীতে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে অভিনব কৌশল নিলেও শেষ রক্ষা হয়নি এক মাদক কারবারির। ইয়াবা ট্যাবলেট চিবিয়ে গিলে পালানোর চেষ্টা করে অচেতন হয়ে পড়েন সানোয়ার হোসেন (৩৫) নামে ওই ব্যক্তি। পরে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ পাহারায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রোববার (১২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার টরকী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নীলখোলা এলাকায় এ নাটকীয় ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সানোয়ার হোসেন মুন্সিগঞ্জ জেলার বাসিন্দা হলেও দীর্ঘদিন ধরে গৌরনদী পৌরসভার দক্ষিণ পালরদী এলাকায় ভাড়া বাসায় অবস্থান করে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে গৌরনদী মডেল থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।

গৌরনদী মডেল থানার এএসআই মো. সরবত আলী জানান, নীলখোলা এলাকায় নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সন্দেহভাজন হিসেবে সানোয়ারকে থামতে বলা হয়। এ সময় তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ তাকে আটক করলে কৌশলে পকেটে থাকা প্রায় ১০ থেকে ১২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট বের করে চিবিয়ে গিলে ফেলেন।

তিনি আরও জানান, অতিরিক্ত ইয়াবা সেবনের কারণে কিছুক্ষণের মধ্যেই সানোয়ার অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তার দেহ তল্লাশি করে আরও কিছু ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল বলেন, “অচেতন অবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং পুলিশি নজরদারিতে রাখা হয়েছে। সুস্থ হলে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।”

স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের ঘটনা মাদক কারবারিদের মরিয়া মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে তারা এখন নানা ঝুঁকিপূর্ণ কৌশল অবলম্বন করছে।

এদিকে, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত মাত্রায় ইয়াবা গ্রহণ জীবননাশের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। সানোয়ারের শারীরিক অবস্থার ওপর নজর রাখা হচ্ছে।

শেষ কথা:
মাদকবিরোধী অভিযানে গৌরনদীতে পুলিশের তৎপরতা বাড়লেও, মাদক কারবারিদের নতুন নতুন কৌশল পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে—যা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

হাসপাতালে পুলিশের পাহারা

গৌরনদীতে ‘ইয়াবা গিলে পালানোর চেষ্টা’—অচেতন হয়ে ধরা কারবারি

প্রকাশের সময়ঃ ০২:০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

বরিশালের গৌরনদীতে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে অভিনব কৌশল নিলেও শেষ রক্ষা হয়নি এক মাদক কারবারির। ইয়াবা ট্যাবলেট চিবিয়ে গিলে পালানোর চেষ্টা করে অচেতন হয়ে পড়েন সানোয়ার হোসেন (৩৫) নামে ওই ব্যক্তি। পরে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ পাহারায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রোববার (১২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার টরকী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নীলখোলা এলাকায় এ নাটকীয় ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সানোয়ার হোসেন মুন্সিগঞ্জ জেলার বাসিন্দা হলেও দীর্ঘদিন ধরে গৌরনদী পৌরসভার দক্ষিণ পালরদী এলাকায় ভাড়া বাসায় অবস্থান করে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে গৌরনদী মডেল থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।

গৌরনদী মডেল থানার এএসআই মো. সরবত আলী জানান, নীলখোলা এলাকায় নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সন্দেহভাজন হিসেবে সানোয়ারকে থামতে বলা হয়। এ সময় তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ তাকে আটক করলে কৌশলে পকেটে থাকা প্রায় ১০ থেকে ১২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট বের করে চিবিয়ে গিলে ফেলেন।

তিনি আরও জানান, অতিরিক্ত ইয়াবা সেবনের কারণে কিছুক্ষণের মধ্যেই সানোয়ার অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তার দেহ তল্লাশি করে আরও কিছু ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল বলেন, “অচেতন অবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং পুলিশি নজরদারিতে রাখা হয়েছে। সুস্থ হলে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।”

স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের ঘটনা মাদক কারবারিদের মরিয়া মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে তারা এখন নানা ঝুঁকিপূর্ণ কৌশল অবলম্বন করছে।

এদিকে, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত মাত্রায় ইয়াবা গ্রহণ জীবননাশের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। সানোয়ারের শারীরিক অবস্থার ওপর নজর রাখা হচ্ছে।

শেষ কথা:
মাদকবিরোধী অভিযানে গৌরনদীতে পুলিশের তৎপরতা বাড়লেও, মাদক কারবারিদের নতুন নতুন কৌশল পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে—যা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।