ঢাকা ০৩:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
শিবগঞ্জে মিনি ট্রাকসহ চালক আটক, প্রায় ৪ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য উদ্ধার নলডাঙ্গায় সাংবাদিক হেনস্তা- যুবদল নেতাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগে মহাসড়ক অবরোধ, ক্লিনিকে ভাঙচুর চাঁপাইনবাবগঞ্জে তাজেমা বেগমের সম্পত্তি ঘিরে ‘দালাল সিন্ডিকেট’ সক্রিয় হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬”

ডিবি হারুন পারসোনালি ফোন দিয়ে ডাকতেন আমাকে:সাবরিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বহুল আলোচিত-সমালোচিত নাম ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী। সম্প্রতি তিনি সাবেক ডিবি কর্মকর্তা হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন। তিনি দাবি করেছেন, হারুন তাকে ব্যক্তিগতভাবে ফোন করে ডাকতেন, কখনোই নিয়ম মেনে আনুষ্ঠানিকভাবে তলব করতেন না।সম্প্রতি এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ডা. সাবরিনা এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, হারুন সাহেব আমাকে তিনবার কল করেছিলেন আন-অফিশিয়ালি।বলতেন, একটু আসেন, কথা আছে। উনি প্রায়ই এমনভাবে ডাকতেন। অথচ, আমি তখন ওই মামলার প্রধান ব্যক্তি নই, জেকেজির চেয়ারম্যান বা সাইনেটারিও না। আমাকে কেন ডাকা হচ্ছিল, সেটাই বোঝা যাচ্ছিল না।তিনি আরও বলেন, আমি বাইরে থাকাকালে তিনি কয়েকবার ফোন করেছিলেন। কিন্তু যা-ই বলুন, আমার পরিবার থেকে বারবার সতর্ক করা হতো—উনার নামে নানা গসিপ প্রচলিত ছিল।

আমি জানি না সেগুলো সত্য না মিথ্যা, কিন্তু বাবা বলতেন, অফিশিয়ালি ডাকলে যাবা, এমন করে না। আমি তার ডাকে যাইনি।ডা. সাবরিনা অভিযোগ করেন, ডিবি হারুন নাটক করতে পছন্দ করতেন। তিনি বলেন, যেদিন আমাকে ডাকা হয়, আমি দেখি সাংবাদিকরা আগেই সেখানে উপস্থিত। সাংবাদিকদের আগেভাগেই জানিয়ে রাখা হয়েছিল, এটা কি সাধারণ নিয়ম? এরপর গ্রেপ্তার দেখানো হলো, অথচ আমার সঙ্গে শুধুই কথা হয়েছিল কোন মেডিক্যাল কলেজে পড়েছি ও আমি কোন বিসিএস ব্যাচের।জেল থেকে বের হওয়ার পরও ডিবি হারুন তার ওপর নজরদারি চালাতে থাকেন বলে দাবি করেন ডা. সাবরিনা।

তিনি বলেন, হারুন আমার একটি বই সমকামিতা সংশ্লিষ্ট বলে বাজেয়াপ্ত করতে চেয়েছিলেন, যদিও সেটার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।সাবেক এই চিকিৎসক আরও বলেন, হারুন যখন ক্ষমতায় ছিলেন, তখন কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস করত না। সাংবাদিকরা তাকে প্রশ্ন করেছিল—আপনাকে নিয়ে এত গসিপ কেন?

তখন তিনি উত্তর দেন, বড় বড় অপরাধী ধরার জন্যই তাকে অনেকে অপছন্দ করে। তখন আমার নাম বলেননি, কিন্তু আমি জানি সেটি আমাকে নিয়েই ইঙ্গিত ছিল।ডা. সাবরিনা এখন সরাসরি ডিবি হারুনের নাম বলার সাহস পাচ্ছেন বলেও জানান। তিনি বলেন, তখন ভয় ছিল, উনার এত শক্তি ছিল যে কিছু বলাও যেত না। কিন্তু এখন তো উনি নেই, তাই বলছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

শিবগঞ্জে মিনি ট্রাকসহ চালক আটক, প্রায় ৪ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য উদ্ধার

ডিবি হারুন পারসোনালি ফোন দিয়ে ডাকতেন আমাকে:সাবরিনা

প্রকাশের সময়ঃ ০৯:১৬:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুলাই ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: বহুল আলোচিত-সমালোচিত নাম ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী। সম্প্রতি তিনি সাবেক ডিবি কর্মকর্তা হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন। তিনি দাবি করেছেন, হারুন তাকে ব্যক্তিগতভাবে ফোন করে ডাকতেন, কখনোই নিয়ম মেনে আনুষ্ঠানিকভাবে তলব করতেন না।সম্প্রতি এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ডা. সাবরিনা এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, হারুন সাহেব আমাকে তিনবার কল করেছিলেন আন-অফিশিয়ালি।বলতেন, একটু আসেন, কথা আছে। উনি প্রায়ই এমনভাবে ডাকতেন। অথচ, আমি তখন ওই মামলার প্রধান ব্যক্তি নই, জেকেজির চেয়ারম্যান বা সাইনেটারিও না। আমাকে কেন ডাকা হচ্ছিল, সেটাই বোঝা যাচ্ছিল না।তিনি আরও বলেন, আমি বাইরে থাকাকালে তিনি কয়েকবার ফোন করেছিলেন। কিন্তু যা-ই বলুন, আমার পরিবার থেকে বারবার সতর্ক করা হতো—উনার নামে নানা গসিপ প্রচলিত ছিল।

আমি জানি না সেগুলো সত্য না মিথ্যা, কিন্তু বাবা বলতেন, অফিশিয়ালি ডাকলে যাবা, এমন করে না। আমি তার ডাকে যাইনি।ডা. সাবরিনা অভিযোগ করেন, ডিবি হারুন নাটক করতে পছন্দ করতেন। তিনি বলেন, যেদিন আমাকে ডাকা হয়, আমি দেখি সাংবাদিকরা আগেই সেখানে উপস্থিত। সাংবাদিকদের আগেভাগেই জানিয়ে রাখা হয়েছিল, এটা কি সাধারণ নিয়ম? এরপর গ্রেপ্তার দেখানো হলো, অথচ আমার সঙ্গে শুধুই কথা হয়েছিল কোন মেডিক্যাল কলেজে পড়েছি ও আমি কোন বিসিএস ব্যাচের।জেল থেকে বের হওয়ার পরও ডিবি হারুন তার ওপর নজরদারি চালাতে থাকেন বলে দাবি করেন ডা. সাবরিনা।

তিনি বলেন, হারুন আমার একটি বই সমকামিতা সংশ্লিষ্ট বলে বাজেয়াপ্ত করতে চেয়েছিলেন, যদিও সেটার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।সাবেক এই চিকিৎসক আরও বলেন, হারুন যখন ক্ষমতায় ছিলেন, তখন কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস করত না। সাংবাদিকরা তাকে প্রশ্ন করেছিল—আপনাকে নিয়ে এত গসিপ কেন?

তখন তিনি উত্তর দেন, বড় বড় অপরাধী ধরার জন্যই তাকে অনেকে অপছন্দ করে। তখন আমার নাম বলেননি, কিন্তু আমি জানি সেটি আমাকে নিয়েই ইঙ্গিত ছিল।ডা. সাবরিনা এখন সরাসরি ডিবি হারুনের নাম বলার সাহস পাচ্ছেন বলেও জানান। তিনি বলেন, তখন ভয় ছিল, উনার এত শক্তি ছিল যে কিছু বলাও যেত না। কিন্তু এখন তো উনি নেই, তাই বলছি।