ঢাকা ১১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

এয়ারপোর্ট এপিবিএন কর্তৃক ১৫৭৭ গ্রাম সোনা উদ্ধারে : আটক ০২

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১৫৭৭ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কারসহ মোঃ শরীফুল আলম (৩০), ও মোঃ জুবায়ের (৩৬) নামে দুইজনকে আটক করেছে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন । অদ্য ১৯ জুলাই ২০২৫ খ্রি. সকাল ০৯.২৫ ঘটিকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আগমনী ০১ নং ও ০২ নং ক্যানোপী মাঝখান এলাকা থেকে মোঃ শরীফুল আলম (৩০), ও মোঃ জুবায়ের (৩৬) নামীয় দুইজন ব্যক্তি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে প্রাইভেট কার স্টার্ট দিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে এয়ারপোর্ট এপিবিএন ফোর্স তাদেরকে আটক করে । 

উক্ত স্থানে তল্লাশিকালে আটককৃত একটি সিলভার রংয়ের ঢাকা মেট্রো গ- ৩৭-৫২৫৪ নাম্বারধারী প্রাইভেটকারে মোঃ শরিফুল ইসলাম (৩০) এবং মোঃ জুবায়ের (৩৬) দ্বয়ের দেখানো মতে তাদের দুইজনের সিটের মাঝখানে গাড়ির টুলবক্স হইতে ১৩ (তেরো) টি কফি কালারের ছোট ব্যাগের ভিতর হতে সর্বমোট ১৫৭৭ (এক হাজার পাঁচশত সাতাত্তর) গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয় । 

দুইজনের কাছে থাকা সর্বমোট ১৫৭৭ (এক হাজার পাঁচশত সাতাত্তর) গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার জব্দতালিকা মূলে জব্দ করা হয় যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১,৯২,৩৯,৪০০/-(এক কোটি বিরানব্বই লক্ষ ঊনচল্লিশ হাজার) টাকা । উল্লেখ্য যে, স্বর্ণালংকারগুলোর মান ২২ ক্যারেট ।  

ধৃত আসামী মোঃ শরীফুল আলম (৩০), ও মোঃ জুবায়ের (৩৬) দ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, উদ্ধারকৃত স্বর্ণালংকারগুলো বিভিন্ন দেশ হতে অজ্ঞাতনামা যাত্রীর মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে আনয়ন করে । আটককৃত ব্যক্তিদ্বয় দীর্ঘদিন যাবৎ বিমানবন্দরে স্বর্ণ চোরাচালান সিন্ডিকেট এর সাথে জড়িত এবং রিসিভার হিসেবে কাজ করে আসছে বলে জানা যায় । মোঃ শরীফুল আলম (৩০) ও মোঃ জুবায়ের (৩৬) দ্বয়ের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় অদ্য শনিবার সন্ধ্যায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে । 

ধৃত আসামীদ্বয় অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের সহযোগীতায় পরস্পর যোগসাজসে অবৈধ পন্থায় সরকারকে রাজস্ব কর ফাঁকি দিয়ে স্বর্ণালংকার আনয়ন করে নিজ হেফাজতে রেখে বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর ২৫ বি এর ১ (বি)/২৫-ডি ধারায় অপরাধ করেছে। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এর অপারেশনাল কমান্ডার পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, ” নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিমানবন্দর এলাকায় চোরাচালান রোধ ও অন্যান্য অপরাধ দমনে কাজ এয়ারপোর্ট এপিবিএন কাজ করে। সাম্প্রতিক সময়ে স্বর্ণ চোরাচালানের তৎপরতা অতীতের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। বিমানবন্দর ব্যবহার করে যেকোন চোরাচালান রোধে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক আছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

এয়ারপোর্ট এপিবিএন কর্তৃক ১৫৭৭ গ্রাম সোনা উদ্ধারে : আটক ০২

প্রকাশের সময়ঃ ০৪:২৮:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১৫৭৭ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কারসহ মোঃ শরীফুল আলম (৩০), ও মোঃ জুবায়ের (৩৬) নামে দুইজনকে আটক করেছে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন । অদ্য ১৯ জুলাই ২০২৫ খ্রি. সকাল ০৯.২৫ ঘটিকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আগমনী ০১ নং ও ০২ নং ক্যানোপী মাঝখান এলাকা থেকে মোঃ শরীফুল আলম (৩০), ও মোঃ জুবায়ের (৩৬) নামীয় দুইজন ব্যক্তি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে প্রাইভেট কার স্টার্ট দিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে এয়ারপোর্ট এপিবিএন ফোর্স তাদেরকে আটক করে । 

উক্ত স্থানে তল্লাশিকালে আটককৃত একটি সিলভার রংয়ের ঢাকা মেট্রো গ- ৩৭-৫২৫৪ নাম্বারধারী প্রাইভেটকারে মোঃ শরিফুল ইসলাম (৩০) এবং মোঃ জুবায়ের (৩৬) দ্বয়ের দেখানো মতে তাদের দুইজনের সিটের মাঝখানে গাড়ির টুলবক্স হইতে ১৩ (তেরো) টি কফি কালারের ছোট ব্যাগের ভিতর হতে সর্বমোট ১৫৭৭ (এক হাজার পাঁচশত সাতাত্তর) গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয় । 

দুইজনের কাছে থাকা সর্বমোট ১৫৭৭ (এক হাজার পাঁচশত সাতাত্তর) গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার জব্দতালিকা মূলে জব্দ করা হয় যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১,৯২,৩৯,৪০০/-(এক কোটি বিরানব্বই লক্ষ ঊনচল্লিশ হাজার) টাকা । উল্লেখ্য যে, স্বর্ণালংকারগুলোর মান ২২ ক্যারেট ।  

ধৃত আসামী মোঃ শরীফুল আলম (৩০), ও মোঃ জুবায়ের (৩৬) দ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, উদ্ধারকৃত স্বর্ণালংকারগুলো বিভিন্ন দেশ হতে অজ্ঞাতনামা যাত্রীর মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে আনয়ন করে । আটককৃত ব্যক্তিদ্বয় দীর্ঘদিন যাবৎ বিমানবন্দরে স্বর্ণ চোরাচালান সিন্ডিকেট এর সাথে জড়িত এবং রিসিভার হিসেবে কাজ করে আসছে বলে জানা যায় । মোঃ শরীফুল আলম (৩০) ও মোঃ জুবায়ের (৩৬) দ্বয়ের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় অদ্য শনিবার সন্ধ্যায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে । 

ধৃত আসামীদ্বয় অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের সহযোগীতায় পরস্পর যোগসাজসে অবৈধ পন্থায় সরকারকে রাজস্ব কর ফাঁকি দিয়ে স্বর্ণালংকার আনয়ন করে নিজ হেফাজতে রেখে বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর ২৫ বি এর ১ (বি)/২৫-ডি ধারায় অপরাধ করেছে। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এর অপারেশনাল কমান্ডার পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, ” নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিমানবন্দর এলাকায় চোরাচালান রোধ ও অন্যান্য অপরাধ দমনে কাজ এয়ারপোর্ট এপিবিএন কাজ করে। সাম্প্রতিক সময়ে স্বর্ণ চোরাচালানের তৎপরতা অতীতের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। বিমানবন্দর ব্যবহার করে যেকোন চোরাচালান রোধে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক আছি।