ঢাকা ১২:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

দুমকী উপজেলার মুরাদীয়ায় শিক্ষা নয়, স্বার্থের ব্যবসা: দুই চাকরিতে তিন শিক্ষক।

মোঃজাকির হোসেন হাওলাদার

দুমকী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :

 

পটুয়াখালী জেলার দুমকী উপজেলায়, একসাথে দুই প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ নিয়ে চাকরি করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আজিজ আহম্মেদ ডিগ্রি কলেজের তিন শিক্ষককে কারণ দর্শানো চিঠি দিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি), ঢাকা।অভিযুক্ত শিক্ষকরা হলেন: জীববিজ্ঞান বিষয়ের প্রভাষক মো. সিদ্দিকুর রহমান (ইনডেক্স- ৩০৭৯৭১২), বাংলা বিষয়ের প্রভাষক শাহিনা আক্তার (ইনডেক্স-৩০৭৯৭১৬), ইসলাম শিক্ষা বিষয়ের প্রভাষক মো. মোশারেফ হোসেন (ইনডেক্স-৩০৮৬৮৪৪) ।
। পরে ১৯ মার্চ মাউশির সহকারী পরিচালক মো. মাঈন উদ্দিনের স্বাক্ষরিত চিঠিতে উক্ত তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের জন্য মাউশি বরিশালের আঞ্চলিক পরিচালককে মনোনীত করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদন সরেজমিনে গিয়ে আঞ্চলিক পরিচালক প্রফেসর মো. ওমর ফারুকসহ তিন সদস্যের প্রতিনিধি প্রতিবেদন দাখিল করেন।গত ৭ অক্টোবর মাউশির সহকারী পরিচালক মো. মাঈন উদ্দিন দুমকির মুরাদিয়া আজিজ আহম্মেদ কলেজের উপরোক্ত তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় কেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তা জানতে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে কারণ দর্শানো চিঠি দেন।
সূত্র জানায়, মো. সিদ্দিকুর রহমান ২০০৪ সালে উত্তর মুরাদিয়া বশিরিয়া আলিম মাদ্রাসায় নিয়োগ নিয়ে এমপিওভুক্ত হন। ২০১০ সাল পর্যন্ত তিনি ওই প্রতিষ্ঠান থেকে বেতনভাতা উত্তোলন করেন। একই সঙ্গে ২০০৪ সালে আজিজ আহম্মেদ কলেজে নিয়োগ নেন।শাহিনা আক্তার কারখানা আলিম মাদ্রাসায় ২০১০ সালের জুন মাস পর্যন্ত বেতনভাতা উত্তোলন করেন। একই সঙ্গে ২০০৫ সালে আজিজ আহম্মেদ কলেজে নিয়োগ নেন।মোশারেফ হোসেন সালামপুর আমিনিয়া সিনিয়র মাদ্রাসায় নিয়োগ নিয়ে ২০১০ সালের পরও বেতনভাতা উত্তোলন করেন। তিনিও ২০০৪ সালে আজিজ আহম্মেদ কলেজে নিয়োগ নেন। সিনিয়র স্কেল নিয়ে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হলে আসল তথ্য প্রকাশ পায়।অভিযুক্ত প্রভাষকরা মন্তব্য করেছেন:মো. সিদ্দিকুর রহমান: “দুই প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ নেওয়া অপরাধ কিনা তা আইনই বলতে পারবে।”শাহিনা আক্তার: প্রতিবেদককে তথ্য দিতে রাজি হননি।মো. মোশারেফ হোসেন: “১৯৯৫ সালের বিধান অনুযায়ী নিয়োগ নিয়েছি। আমি কারণ দর্শানো চিঠির জবাব দিয়েছি।”
আজিজ আহম্মেদ কলেজের অধ্যক্ষ মো. আহসানুল হক বলেন, “মাউশির চিঠি পেয়েছি। সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কারণ দর্শানো চিঠির বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

দুমকী উপজেলার মুরাদীয়ায় শিক্ষা নয়, স্বার্থের ব্যবসা: দুই চাকরিতে তিন শিক্ষক।

প্রকাশের সময়ঃ ০৯:২৪:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

মোঃজাকির হোসেন হাওলাদার

দুমকী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :

 

পটুয়াখালী জেলার দুমকী উপজেলায়, একসাথে দুই প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ নিয়ে চাকরি করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আজিজ আহম্মেদ ডিগ্রি কলেজের তিন শিক্ষককে কারণ দর্শানো চিঠি দিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি), ঢাকা।অভিযুক্ত শিক্ষকরা হলেন: জীববিজ্ঞান বিষয়ের প্রভাষক মো. সিদ্দিকুর রহমান (ইনডেক্স- ৩০৭৯৭১২), বাংলা বিষয়ের প্রভাষক শাহিনা আক্তার (ইনডেক্স-৩০৭৯৭১৬), ইসলাম শিক্ষা বিষয়ের প্রভাষক মো. মোশারেফ হোসেন (ইনডেক্স-৩০৮৬৮৪৪) ।
। পরে ১৯ মার্চ মাউশির সহকারী পরিচালক মো. মাঈন উদ্দিনের স্বাক্ষরিত চিঠিতে উক্ত তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের জন্য মাউশি বরিশালের আঞ্চলিক পরিচালককে মনোনীত করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদন সরেজমিনে গিয়ে আঞ্চলিক পরিচালক প্রফেসর মো. ওমর ফারুকসহ তিন সদস্যের প্রতিনিধি প্রতিবেদন দাখিল করেন।গত ৭ অক্টোবর মাউশির সহকারী পরিচালক মো. মাঈন উদ্দিন দুমকির মুরাদিয়া আজিজ আহম্মেদ কলেজের উপরোক্ত তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় কেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তা জানতে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে কারণ দর্শানো চিঠি দেন।
সূত্র জানায়, মো. সিদ্দিকুর রহমান ২০০৪ সালে উত্তর মুরাদিয়া বশিরিয়া আলিম মাদ্রাসায় নিয়োগ নিয়ে এমপিওভুক্ত হন। ২০১০ সাল পর্যন্ত তিনি ওই প্রতিষ্ঠান থেকে বেতনভাতা উত্তোলন করেন। একই সঙ্গে ২০০৪ সালে আজিজ আহম্মেদ কলেজে নিয়োগ নেন।শাহিনা আক্তার কারখানা আলিম মাদ্রাসায় ২০১০ সালের জুন মাস পর্যন্ত বেতনভাতা উত্তোলন করেন। একই সঙ্গে ২০০৫ সালে আজিজ আহম্মেদ কলেজে নিয়োগ নেন।মোশারেফ হোসেন সালামপুর আমিনিয়া সিনিয়র মাদ্রাসায় নিয়োগ নিয়ে ২০১০ সালের পরও বেতনভাতা উত্তোলন করেন। তিনিও ২০০৪ সালে আজিজ আহম্মেদ কলেজে নিয়োগ নেন। সিনিয়র স্কেল নিয়ে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হলে আসল তথ্য প্রকাশ পায়।অভিযুক্ত প্রভাষকরা মন্তব্য করেছেন:মো. সিদ্দিকুর রহমান: “দুই প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ নেওয়া অপরাধ কিনা তা আইনই বলতে পারবে।”শাহিনা আক্তার: প্রতিবেদককে তথ্য দিতে রাজি হননি।মো. মোশারেফ হোসেন: “১৯৯৫ সালের বিধান অনুযায়ী নিয়োগ নিয়েছি। আমি কারণ দর্শানো চিঠির জবাব দিয়েছি।”
আজিজ আহম্মেদ কলেজের অধ্যক্ষ মো. আহসানুল হক বলেন, “মাউশির চিঠি পেয়েছি। সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কারণ দর্শানো চিঠির বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।