ঢাকা ০৪:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

ট্রাইব্যুনালে কড়া নিরাপত্তা, বিজিবি-পুলিশের অবস্থান, সেনাবাহিনীর টহল

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে করা মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণা করবেন। দিনটি ঘিরে ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ।
সরেজমিন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে হাইকোর্ট মাজার–সংলগ্ন ট্রাইব্যুনালের ফটকে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। বিজিবি ও ডিএমপির সাঁজোয়া যান রয়েছে সেখানে। ৮টার পর সেখানে আসে সেনাবাহিনীর টহল দল।

 

রায়ের তারিখ ঘোষণা ও আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ঘিরে যেকোনো নাশকতা ঠেকাতে আজ ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ডিএমপির ১৭ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এর বাইরে মোতায়েন থাকছে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরাও। নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য গতকাল বুধবার থেকেই ঢাকার প্রবেশপথগুলোয় বিভিন্ন চেকপোস্টে গণপরিবহন আর সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। আজকেও এ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। গত রাতে ঢাকার বিভিন্ন আবাসিক হোটেল ও মেসে তল্লাশি কার্যক্রম চালানো হয়েছে। আজ সকালে ঢাকার রাস্তার পরিস্থিতি মোটামুটি স্বাভাবিক দেখা গেছে। ৭টার পর মিরপুর থেকে হাইকোর্ট এলাকায় আসার পথে বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়।

সড়কে যানবাহন চলছে। তবে সংখ্যায় অন্যান্য দিনের তুলনায় কিছুটা কম। বাংলামোটর মোড়ে যৌথ বাহিনীর সদস্যদের টহল দিতে দেখা যায়। হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে পুলিশের চেকপোস্ট রয়েছে। সেখান দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনা অভিমুখে যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। সেই পথে যেতে চাওয়া যানবাহনগুলোকে শাহবাগের দিকে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাইব্যুনালে কড়া নিরাপত্তা, বিজিবি-পুলিশের অবস্থান, সেনাবাহিনীর টহল

প্রকাশের সময়ঃ ০৪:০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে করা মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণা করবেন। দিনটি ঘিরে ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ।
সরেজমিন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে হাইকোর্ট মাজার–সংলগ্ন ট্রাইব্যুনালের ফটকে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। বিজিবি ও ডিএমপির সাঁজোয়া যান রয়েছে সেখানে। ৮টার পর সেখানে আসে সেনাবাহিনীর টহল দল।

 

রায়ের তারিখ ঘোষণা ও আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ঘিরে যেকোনো নাশকতা ঠেকাতে আজ ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ডিএমপির ১৭ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এর বাইরে মোতায়েন থাকছে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরাও। নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য গতকাল বুধবার থেকেই ঢাকার প্রবেশপথগুলোয় বিভিন্ন চেকপোস্টে গণপরিবহন আর সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। আজকেও এ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। গত রাতে ঢাকার বিভিন্ন আবাসিক হোটেল ও মেসে তল্লাশি কার্যক্রম চালানো হয়েছে। আজ সকালে ঢাকার রাস্তার পরিস্থিতি মোটামুটি স্বাভাবিক দেখা গেছে। ৭টার পর মিরপুর থেকে হাইকোর্ট এলাকায় আসার পথে বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়।

সড়কে যানবাহন চলছে। তবে সংখ্যায় অন্যান্য দিনের তুলনায় কিছুটা কম। বাংলামোটর মোড়ে যৌথ বাহিনীর সদস্যদের টহল দিতে দেখা যায়। হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে পুলিশের চেকপোস্ট রয়েছে। সেখান দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনা অভিমুখে যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। সেই পথে যেতে চাওয়া যানবাহনগুলোকে শাহবাগের দিকে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।