ঢাকা ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

সময় টিভির সহযোগী প্রযোজক সজলের দাফন সম্পন্ন

ছবি-সময় টিভির সহযোগী প্রযোজক সজলের জানাজা

সময় টেলিভিশনের সহযোগী প্রযোজক মাজহারুল ইসলাম সজলের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (২৬ নভেম্বর) বেলা ১১টায় নিজ গ্রাম চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর ইউনিয়নের লক্ষীপুর কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে লক্ষীপুর কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তার নামাজের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় তার পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা জানাযায় অংশ নেন। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকার মগবাজারে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে সময় টিভির সহযোগী প্রযোজক মাজহারুল ইসলাম সজলের বয়স হয়েছিল ৩৮ বছর। তিনি ২০২৩ সালে নিজ জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে কর্মস্থলে অসুস্থ বোধ করলে নিকটস্থ একটি হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন সজল। সেখান থেকে অফিসে এসে দুপুরের খাবার খান। এরপর মগবাজারের বাসায় ফিরে যান। তবে চারতলার ফ্ল্যাটের গেট খুললেও ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি। প্রতিবেশীরা তাকে সিঁড়িতেই পড়ে থাকতে দেখে হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকরা তাৎক্ষণিকভাবে সিপিআর (কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন) দেন, কিন্তু সজল আর ফেরেননি। চিকিৎসকরা জানান, হাসপাতালে নেয়ার আগেই হার্ট অ্যাটাকে তিনি মারা যান। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগে পড়াশোনা করা সজল ২০১৩ সাল থেকে সময় টেলিভিশনের প্রযোজনা বিভাগে কাজ করতেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে-মেয়ে, বাবা-মাসহ অনেক আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব, শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। তার স্ত্রী টাঙ্গাইলে একটি কলেজে শিক্ষকতা করেন। ঢাকায় সজল একাই থাকতেন। মাজহারুল ইসলাম সজল লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহনপুরে থাকতে প্রথমে সাপ্তাহিক গৌড় সংবাদে উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতেন। এরপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর বেশকিছু প্রামাণ্য চিত্রও নির্মাণ করেন। পরে সময় টিভিতে কাজ শুরু করেন। মাঝে কিছুদিন সময় টিভির জেলা রিপোর্টার হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জেও কাজ করেন।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

সময় টিভির সহযোগী প্রযোজক সজলের দাফন সম্পন্ন

প্রকাশের সময়ঃ ১১:০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

সময় টেলিভিশনের সহযোগী প্রযোজক মাজহারুল ইসলাম সজলের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (২৬ নভেম্বর) বেলা ১১টায় নিজ গ্রাম চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর ইউনিয়নের লক্ষীপুর কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে লক্ষীপুর কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তার নামাজের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় তার পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা জানাযায় অংশ নেন। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকার মগবাজারে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে সময় টিভির সহযোগী প্রযোজক মাজহারুল ইসলাম সজলের বয়স হয়েছিল ৩৮ বছর। তিনি ২০২৩ সালে নিজ জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে কর্মস্থলে অসুস্থ বোধ করলে নিকটস্থ একটি হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন সজল। সেখান থেকে অফিসে এসে দুপুরের খাবার খান। এরপর মগবাজারের বাসায় ফিরে যান। তবে চারতলার ফ্ল্যাটের গেট খুললেও ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি। প্রতিবেশীরা তাকে সিঁড়িতেই পড়ে থাকতে দেখে হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকরা তাৎক্ষণিকভাবে সিপিআর (কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন) দেন, কিন্তু সজল আর ফেরেননি। চিকিৎসকরা জানান, হাসপাতালে নেয়ার আগেই হার্ট অ্যাটাকে তিনি মারা যান। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগে পড়াশোনা করা সজল ২০১৩ সাল থেকে সময় টেলিভিশনের প্রযোজনা বিভাগে কাজ করতেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে-মেয়ে, বাবা-মাসহ অনেক আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব, শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। তার স্ত্রী টাঙ্গাইলে একটি কলেজে শিক্ষকতা করেন। ঢাকায় সজল একাই থাকতেন। মাজহারুল ইসলাম সজল লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহনপুরে থাকতে প্রথমে সাপ্তাহিক গৌড় সংবাদে উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতেন। এরপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর বেশকিছু প্রামাণ্য চিত্রও নির্মাণ করেন। পরে সময় টিভিতে কাজ শুরু করেন। মাঝে কিছুদিন সময় টিভির জেলা রিপোর্টার হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জেও কাজ করেন।