
তিনি আরো বলেন, ‘আপনাকে যদি হত্যা করা হয়, সেই শহীদের রক্তের বিনিময় যদি বাংলাদেশ গড়ে যেতে পারেন। আগামী এক হাজার বছর বাংলাদেশের মানুষ নামাজে প্রার্থনায় আপনার জন্য শুধু দোয়া করবে।’ দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে হাদি বলেছিলেন, ‘আমরা হয়তো মরে যাব। শহীদ হয়ে আল্লাহর কাছে পৌঁছে যাব। আর যতক্ষণ বেঁচে থাকি ততক্ষণ তোমাদের বিরুদ্ধে লড়াই করব। নতুন ও ইনসাফের বাংলাদেশের জন্য নিজের জীবনকে জাহান্নাম বানাইয়া বাংলাদেশে নতুন একটি জান্নাত আনবোই আনবো’।
শরীফ ওসমান বিন হাদি ভালো রাজনীতিবিদদের প্রতি ইনসাফের কথাও বলেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি হাসনাতের রাজনীতি করি না। কিন্তু হাসনাত বিএনপি-জামায়াত যারাই জুলাইয়ের যোদ্ধা-তারা সবাই আমার ভাই। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের যারা গণহত্যা, গুম, খুন করেনি সে দার্শনিকভাবে আওয়ামী লীগ। আমি সেটিও বলি, তার সঙ্গে কোনো অন্যায় করা যাবে না, ইনসাফ আচরণ করতে হবে।’
নিজের শিশু সন্তানকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে হাদি বলেছিলেন, ‘মাঝেমধ্যে মন খারাপ হয়। আমার তিন মাসের একটি বাচ্চা আছে। তাকে ৩০ মিনিট কোলে নিতে পারি নাই। সম্প্রতি আমার এক বড় ভাই জোর করে বাচ্চাকে কিছু উপহার দিয়েছে। আমার খুব বলতে ইচ্ছে করেছিল আল্লাহ যদি আমাকে নিয়ে যায় বাচ্চাটার দিকে খেয়াল রাখবেন। তবে কথাটা বলতে পারি নাই।’
দৈনিক অধিকার ডেস্ক 


















