ঢাকা ১১:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

ভলিবল খেলতে নেমে হৃদরোগে প্রাণ গেল এস.আই আলীমের

পুলিশ উপ-পরিদর্শক মোঃ আলীম।ছবি-সংগৃহীত

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ লাইনস মাঠে সহকর্মীদের সঙ্গে ভলিবল খেলতে নেমেছিলেন পুলিশ উপ-পরিদর্শক (এসআই-সশস্ত্র) মোঃ আব্দুল আলীম (৫২)। হাসি-আনন্দের সেই মুহূর্তই হঠাৎ পরিণত হয় শোকের ঘটনায়। খেলার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কর্তব্যরত এই পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে।

জেলা পুলিশ ও পুলিশ লাইনস সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকাল সোয়া ৫টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের নয়াগোলা এলাকায় অবস্থিত পুলিশ লাইনস মাঠে ভলিবল খেলার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এসআই আলীম। তাৎক্ষণিকভাবে সহকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে ২৫০শষ্যা বিশিষ্ঠ জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসা শুরুর পরপরই সন্ধ্যা ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত এসআই মোঃ আব্দুল আলীম পাবনার সুজানগর উপজেলার বারইপাড়া পোড়াডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত বন্দের আলী খানের ছেলে। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ লাইনসেই কর্মরত ছিলেন। দীর্ঘ প্রায় ৩১ বছরের কর্মজীবনে তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে জানিয়েছেন সহকর্মীরা।

তাঁর সহকর্মী নায়েক আব্দুল মোমিন বলেন, “আলীম ভাই ছিলেন খুবই অমায়িক ও দায়িত্বশীল। খেলাধুলার মধ্যেই আমাদের ছেড়ে চলে যাবেন, এটা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি।”
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তান রেখে গেছেন। বড় মেয়ের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে এবং ছোট মেয়ে কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজে অধ্যয়নরত। পরিবারটি বর্তমানে সুজানগরের আরেপপুর হাজীর হাট এলাকায় বসবাস করছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ.এন.এম ওয়াসিম ফিরোজ জানান, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এসআই আলীমের মরদেহ তাঁর গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হবে।

সহকর্মীদের চোখে অশ্রু, পুলিশ লাইনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। দায়িত্বের বাইরে সহকর্মীদের সঙ্গে কিছুটা আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার মুহূর্তেই থেমে গেল একজন দায়িত্ববান পুলিশ সদস্যের জীবনের গল্প—যা নাড়িয়ে দিয়েছে পুরো পুলিশ পরিবারকে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

ভলিবল খেলতে নেমে হৃদরোগে প্রাণ গেল এস.আই আলীমের

প্রকাশের সময়ঃ ০৬:২০:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ লাইনস মাঠে সহকর্মীদের সঙ্গে ভলিবল খেলতে নেমেছিলেন পুলিশ উপ-পরিদর্শক (এসআই-সশস্ত্র) মোঃ আব্দুল আলীম (৫২)। হাসি-আনন্দের সেই মুহূর্তই হঠাৎ পরিণত হয় শোকের ঘটনায়। খেলার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কর্তব্যরত এই পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে।

জেলা পুলিশ ও পুলিশ লাইনস সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকাল সোয়া ৫টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের নয়াগোলা এলাকায় অবস্থিত পুলিশ লাইনস মাঠে ভলিবল খেলার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এসআই আলীম। তাৎক্ষণিকভাবে সহকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে ২৫০শষ্যা বিশিষ্ঠ জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসা শুরুর পরপরই সন্ধ্যা ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত এসআই মোঃ আব্দুল আলীম পাবনার সুজানগর উপজেলার বারইপাড়া পোড়াডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত বন্দের আলী খানের ছেলে। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ লাইনসেই কর্মরত ছিলেন। দীর্ঘ প্রায় ৩১ বছরের কর্মজীবনে তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে জানিয়েছেন সহকর্মীরা।

তাঁর সহকর্মী নায়েক আব্দুল মোমিন বলেন, “আলীম ভাই ছিলেন খুবই অমায়িক ও দায়িত্বশীল। খেলাধুলার মধ্যেই আমাদের ছেড়ে চলে যাবেন, এটা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি।”
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তান রেখে গেছেন। বড় মেয়ের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে এবং ছোট মেয়ে কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজে অধ্যয়নরত। পরিবারটি বর্তমানে সুজানগরের আরেপপুর হাজীর হাট এলাকায় বসবাস করছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ.এন.এম ওয়াসিম ফিরোজ জানান, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এসআই আলীমের মরদেহ তাঁর গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হবে।

সহকর্মীদের চোখে অশ্রু, পুলিশ লাইনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। দায়িত্বের বাইরে সহকর্মীদের সঙ্গে কিছুটা আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার মুহূর্তেই থেমে গেল একজন দায়িত্ববান পুলিশ সদস্যের জীবনের গল্প—যা নাড়িয়ে দিয়েছে পুরো পুলিশ পরিবারকে।