
অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, মানুষের মধ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে সংশয় ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকে। তবে বাংলাদেশের মানুষ সচেতন, এ ধরনের প্রোপাগান্ডায় কোনো লাভ হবে না।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, জনগণ তাদের নেতা এবং দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট—উভয়টিতেই অংশ নেবে।
উপদেষ্টা জানান, পরিবর্তন ও সংস্কার চাইলে সরকার জনগণকে গণভোটে অংশ নিয়ে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে জনগণ কী পাবে এবং ‘না’ ভোট দিলে কী পাবে না—এই বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে মানুষের সামনে তুলে ধরা হবে। কেউ যদি ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচার করতে চায়, সেটি তাদের রাজনৈতিক বা দলীয় সিদ্ধান্ত।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচন হবে এবং তা ১২ ফেব্রুয়ারিতেই অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ। মানুষের মধ্যে নির্বাচন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংশয় ছড়ানো হচ্ছে, যা একটি কূটকৌশলের অংশ। তবে এসব প্রচেষ্টায় জনগণ বিভ্রান্ত হবে না।
লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে অভিযোগের বিষয়ে রিজওয়ানা হাসান বলেন, কোথাও যদি কেউ মনে করে তার এলাকায় অনিয়ম হচ্ছে, তাহলে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাতে পারে। নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব আইন ও বিধির মধ্যেই এসব অভিযোগের প্রতিকার দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, সারা দেশের সব আসনে এমন অভিযোগ নেই; কোথাও বিচ্ছিন্নভাবে ঘটনা ঘটলে কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
দৈনিক অধিকার ডেস্ক 


















