ঢাকা ১২:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

রাজশাহীতে বিভাগীয় আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু

বুধবার সকাল ৯টায় পবা উপজেলার বায়া সরকারি শিশু সদন প্রাঙ্গণে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়।

তরুণদের শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, মানসিক বিকাশ এবং সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে রাজশাহীতে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী বিভাগীয় আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা। বুধবার সকাল ৯টায় পবা উপজেলার বায়া সরকারি শিশু সদন প্রাঙ্গণে বর্ণাঢ্য আয়োজনে এ প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রথমে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর “খেলাধুলায় গড়বো দেশ, তারুণ্যের বাংলাদেশ”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে প্রতিযোগিতার সূচনা ঘোষণা করা হয়।

রাজশাহী বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতা আগামী ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ। সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. কামাল উদ্দিন বিশ্বাস, উপ-মহাপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ শাহজাহান, পিপিএম (বার), পিএইচডি, আরএমপি পুলিশ কমিশনার ড. মো. জিল্লুর রহমান এবং রাজশাহী বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক (যুগ্মসচিব) সৈয়দ মোস্তাক হাসান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ সচিব বলেন, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড তরুণদের মধ্যে শৃঙ্খলা, আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত ক্রীড়া চর্চা তরুণ সমাজকে মাদকাসক্তি ও অপরাধমূলক কার্যক্রম থেকে দূরে রাখতে সহায়তা করে এবং শারীরিক সুস্থতা ও মানসিক দৃঢ়তা অর্জনে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

তিনি আরও বলেন, আজকের তরুণরাই ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের চালিকাশক্তি। তাদের নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে গড়ে তুলতে খেলাধুলা ও সুস্থ সংস্কৃতি চর্চার বিকল্প নেই। এ ধরনের আয়োজন তরুণদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সহনশীলতা ও সামাজিক বন্ধন আরও দৃঢ় করে।

অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজসেবা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও প্রশিক্ষণার্থীরা অংশ নেন। দিনব্যাপী ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পাশাপাশি সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্যসহ নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনার আয়োজন করা হয়।

আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে এ ধরনের কর্মসূচি আয়োজনের মাধ্যমে একটি সুস্থ, সচেতন ও মানবিক প্রজন্ম গড়ে তোলার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহীতে বিভাগীয় আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু

প্রকাশের সময়ঃ ০৯:৩৩:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

তরুণদের শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, মানসিক বিকাশ এবং সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে রাজশাহীতে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী বিভাগীয় আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা। বুধবার সকাল ৯টায় পবা উপজেলার বায়া সরকারি শিশু সদন প্রাঙ্গণে বর্ণাঢ্য আয়োজনে এ প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রথমে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর “খেলাধুলায় গড়বো দেশ, তারুণ্যের বাংলাদেশ”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে প্রতিযোগিতার সূচনা ঘোষণা করা হয়।

রাজশাহী বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতা আগামী ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ। সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. কামাল উদ্দিন বিশ্বাস, উপ-মহাপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ শাহজাহান, পিপিএম (বার), পিএইচডি, আরএমপি পুলিশ কমিশনার ড. মো. জিল্লুর রহমান এবং রাজশাহী বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক (যুগ্মসচিব) সৈয়দ মোস্তাক হাসান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ সচিব বলেন, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড তরুণদের মধ্যে শৃঙ্খলা, আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত ক্রীড়া চর্চা তরুণ সমাজকে মাদকাসক্তি ও অপরাধমূলক কার্যক্রম থেকে দূরে রাখতে সহায়তা করে এবং শারীরিক সুস্থতা ও মানসিক দৃঢ়তা অর্জনে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

তিনি আরও বলেন, আজকের তরুণরাই ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের চালিকাশক্তি। তাদের নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে গড়ে তুলতে খেলাধুলা ও সুস্থ সংস্কৃতি চর্চার বিকল্প নেই। এ ধরনের আয়োজন তরুণদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সহনশীলতা ও সামাজিক বন্ধন আরও দৃঢ় করে।

অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজসেবা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও প্রশিক্ষণার্থীরা অংশ নেন। দিনব্যাপী ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পাশাপাশি সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্যসহ নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনার আয়োজন করা হয়।

আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে এ ধরনের কর্মসূচি আয়োজনের মাধ্যমে একটি সুস্থ, সচেতন ও মানবিক প্রজন্ম গড়ে তোলার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।