ঢাকা ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

জামায়াতকে রাষ্ট্রক্ষমতায় দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না: মির্জা ফখরুল

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আখনগর ইউনিয়নের দোলুয়াপাড়ায় এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী অংশ নিচ্ছে এবং এমন বক্তব্য দিচ্ছে যেন তারাই সবকিছুর নিয়ন্ত্রক হবে। তবে যাদের ভূমিকা মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিল, তাদের হাতে রাষ্ট্রের দায়িত্ব তুলে দেওয়ার পক্ষে তিনি নন।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আখনগর ইউনিয়নের দোলুয়াপাড়ায় আয়োজিত এক পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি নিজে একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। সে সময় যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে, তাদেরকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া যায় না। এ কারণেই বিএনপি জামায়াতে ইসলামীকে রাষ্ট্রক্ষমতায় দেখতে চায় না বলে তিনি স্পষ্ট করেন।

পথসভায় তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির আহ্বান জানিয়ে বলেন, হিন্দু ও মুসলিম সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নে কাজ করতে হবে। হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা বিএনপির দায়িত্ব। তিনি ব্যক্তিগতভাবে নিশ্চয়তা দিয়ে বলেন, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তায় কোনো ধরনের অবহেলা করা হবে না।

দলের ভবিষ্যৎ কর্মসূচি তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার পর দেশে ফিরে জনকল্যাণমূলক পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে সাধারণ পরিবারগুলো স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারবে এবং চিকিৎসা ও শিক্ষা খাতে সুবিধা পাবে। একই সঙ্গে কৃষকদের জন্য আলাদা কার্ড চালুর কথা জানান তিনি, যাতে সার, বীজসহ কৃষি উপকরণ ন্যায্য মূল্যে পাওয়া যায়।

তিনি আরও বলেন, শিশুদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে ভালো স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং হাসপাতালগুলোতে উন্নত চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি ওষুধের দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচিত হলে এলাকায় একটি বিমানবন্দর ও মেডিকেল কলেজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকারত্ব কমানোর ওপর জোর দেওয়া হবে। তিনি বলেন, নারীদের স্বাবলম্বী করতে তারেক রহমানের উদ্যোগে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে তারা ঘরে বসেই আয় করতে পারেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াতকে রাষ্ট্রক্ষমতায় দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না: মির্জা ফখরুল

প্রকাশের সময়ঃ ১২:৪৫:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী অংশ নিচ্ছে এবং এমন বক্তব্য দিচ্ছে যেন তারাই সবকিছুর নিয়ন্ত্রক হবে। তবে যাদের ভূমিকা মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিল, তাদের হাতে রাষ্ট্রের দায়িত্ব তুলে দেওয়ার পক্ষে তিনি নন।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আখনগর ইউনিয়নের দোলুয়াপাড়ায় আয়োজিত এক পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি নিজে একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। সে সময় যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে, তাদেরকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া যায় না। এ কারণেই বিএনপি জামায়াতে ইসলামীকে রাষ্ট্রক্ষমতায় দেখতে চায় না বলে তিনি স্পষ্ট করেন।

পথসভায় তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির আহ্বান জানিয়ে বলেন, হিন্দু ও মুসলিম সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নে কাজ করতে হবে। হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা বিএনপির দায়িত্ব। তিনি ব্যক্তিগতভাবে নিশ্চয়তা দিয়ে বলেন, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তায় কোনো ধরনের অবহেলা করা হবে না।

দলের ভবিষ্যৎ কর্মসূচি তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার পর দেশে ফিরে জনকল্যাণমূলক পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে সাধারণ পরিবারগুলো স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারবে এবং চিকিৎসা ও শিক্ষা খাতে সুবিধা পাবে। একই সঙ্গে কৃষকদের জন্য আলাদা কার্ড চালুর কথা জানান তিনি, যাতে সার, বীজসহ কৃষি উপকরণ ন্যায্য মূল্যে পাওয়া যায়।

তিনি আরও বলেন, শিশুদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে ভালো স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং হাসপাতালগুলোতে উন্নত চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি ওষুধের দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচিত হলে এলাকায় একটি বিমানবন্দর ও মেডিকেল কলেজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকারত্ব কমানোর ওপর জোর দেওয়া হবে। তিনি বলেন, নারীদের স্বাবলম্বী করতে তারেক রহমানের উদ্যোগে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে তারা ঘরে বসেই আয় করতে পারেন।