ঢাকা ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফেরার বিষয় জানালেন: সেনাপ্রধান

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

নবনির্বাচিত সরকার শপথ নেওয়ার পরপরই সেনাবাহিনীকে মাঠপর্যায়ের দায়িত্ব থেকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আয়োজিত সিএএস দরবারে সেনাবাহিনীর সব স্তরের সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে দেশে কর্মরত সদস্যদের পাশাপাশি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনরত সদস্যরাও ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

সেনাপ্রধান বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর সেনা সদস্যদের ধাপে ধাপে মাঠ থেকে প্রত্যাহার করা হবে। তবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পুলিশ বাহিনী গ্রহণ না করা পর্যন্ত সহায়তার জন্য সেনাবাহিনীর একটি অংশ দায়িত্বে থাকবে।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা সদস্যদের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, সংবেদনশীল ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ পরিস্থিতিতেও তারা দায়িত্বশীলতা, ধৈর্য ও পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। এজন্য তিনি সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সেনাপ্রধান আরও উল্লেখ করেন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখতে সেনাবাহিনীর কার্যকর ভূমিকা দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করেছে। গত দেড় বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতা কাটিয়ে দেশে স্থিতিশীলতা ফেরাতে বাহিনীর অবদান জাতি স্মরণ রাখবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি পবিত্র কোরআনের একটি আয়াত উদ্ধৃত করে ধৈর্যের গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে, বিশেষ করে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত সেনা সদস্যদের দক্ষতা ও সুনামের কথাও উল্লেখ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফেরার বিষয় জানালেন: সেনাপ্রধান

প্রকাশের সময়ঃ ১২:৩৬:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নবনির্বাচিত সরকার শপথ নেওয়ার পরপরই সেনাবাহিনীকে মাঠপর্যায়ের দায়িত্ব থেকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আয়োজিত সিএএস দরবারে সেনাবাহিনীর সব স্তরের সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে দেশে কর্মরত সদস্যদের পাশাপাশি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনরত সদস্যরাও ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

সেনাপ্রধান বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর সেনা সদস্যদের ধাপে ধাপে মাঠ থেকে প্রত্যাহার করা হবে। তবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পুলিশ বাহিনী গ্রহণ না করা পর্যন্ত সহায়তার জন্য সেনাবাহিনীর একটি অংশ দায়িত্বে থাকবে।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা সদস্যদের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, সংবেদনশীল ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ পরিস্থিতিতেও তারা দায়িত্বশীলতা, ধৈর্য ও পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। এজন্য তিনি সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সেনাপ্রধান আরও উল্লেখ করেন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখতে সেনাবাহিনীর কার্যকর ভূমিকা দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করেছে। গত দেড় বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতা কাটিয়ে দেশে স্থিতিশীলতা ফেরাতে বাহিনীর অবদান জাতি স্মরণ রাখবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি পবিত্র কোরআনের একটি আয়াত উদ্ধৃত করে ধৈর্যের গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে, বিশেষ করে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত সেনা সদস্যদের দক্ষতা ও সুনামের কথাও উল্লেখ করেন।