ঢাকা ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মোদির অভিনন্দন, ভারত সফরের আমন্ত্রণ

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অভিনন্দন বার্তায় তিনি দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং সুবিধাজনক সময়ে পরিবারসহ ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান।

বার্তায় নরেন্দ্র মোদি আঞ্চলিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। সংযোগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, প্রযুক্তি, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যৌথ অগ্রযাত্রার বিষয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তাঁর মতে, বাংলাদেশ ও ভারত—দুটি দ্রুত অগ্রসরমান অর্থনীতি—পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একে অপরের টেকসই উন্নয়নে অনুঘটকের ভূমিকা রাখতে পারে এবং নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

বার্তার শেষাংশে মোদি তারেক রহমানকে স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান। তিনি উল্লেখ করেন, “ভারতে আপনাদের জন্য উষ্ণ অভ্যর্থনা অপেক্ষা করছে।”

এর আগে গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক বার্তায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান নরেন্দ্র মোদি। তিনি জানান, তাঁদের মধ্যে টেলিফোনে কথোপকথনও হয়েছে।

সেই পোস্টে মোদি লিখেছিলেন, বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে তারেক রহমানের প্রচেষ্টার প্রতি তিনি শুভকামনা ও সমর্থন জানিয়েছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও ভারতের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের কথা উল্লেখ করে দুই দেশের জনগণের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির প্রতি ভারতের অব্যাহত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মোদির অভিনন্দন, ভারত সফরের আমন্ত্রণ

প্রকাশের সময়ঃ ১২:৫৩:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অভিনন্দন বার্তায় তিনি দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং সুবিধাজনক সময়ে পরিবারসহ ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান।

বার্তায় নরেন্দ্র মোদি আঞ্চলিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। সংযোগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, প্রযুক্তি, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যৌথ অগ্রযাত্রার বিষয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তাঁর মতে, বাংলাদেশ ও ভারত—দুটি দ্রুত অগ্রসরমান অর্থনীতি—পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একে অপরের টেকসই উন্নয়নে অনুঘটকের ভূমিকা রাখতে পারে এবং নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

বার্তার শেষাংশে মোদি তারেক রহমানকে স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান। তিনি উল্লেখ করেন, “ভারতে আপনাদের জন্য উষ্ণ অভ্যর্থনা অপেক্ষা করছে।”

এর আগে গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক বার্তায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান নরেন্দ্র মোদি। তিনি জানান, তাঁদের মধ্যে টেলিফোনে কথোপকথনও হয়েছে।

সেই পোস্টে মোদি লিখেছিলেন, বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে তারেক রহমানের প্রচেষ্টার প্রতি তিনি শুভকামনা ও সমর্থন জানিয়েছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও ভারতের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের কথা উল্লেখ করে দুই দেশের জনগণের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির প্রতি ভারতের অব্যাহত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।