ঢাকা ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

সরাসরি নির্বাচনে মাত্র সাত নারী এমপি

ফাইল ছবি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ সাধারণ আসনের মধ্যে সরাসরি ভোটে মাত্র সাতজন নারী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ‘সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি’। ৭১টি নারী, মানবাধিকার ও উন্নয়ন সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত এই প্ল্যাটফর্মের মতে, রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছার ঘাটতির কারণেই নির্বাচনে নারীর প্রত্যাশিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত হচ্ছে না।

মঙ্গলবার রাজধানীর বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সুফিয়া কামাল ভবন মিলনায়তনে আয়োজিত কমিটির এক সভায় এ উদ্বেগ তুলে ধরা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম। এতে সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় নির্বাচন-পরবর্তী সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচনের পর দেশে একটি সুস্থ, স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হবে।

বক্তারা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে মনোনয়নে অন্তত ৩৩ শতাংশ নারী অংশগ্রহণের দাবি দীর্ঘদিনের। কিন্তু এবারের নির্বাচনে সে দাবি বাস্তবায়নের প্রতিফলন দেখা যায়নি। রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে নারী প্রার্থীর হার ছিল মাত্র ৪ দশমিক ২৪ শতাংশ। ৩০০ আসনের মধ্যে সরাসরি নির্বাচনে মাত্র সাতজন নারী এমপি নির্বাচিত হওয়াকে হতাশাজনক বলে মন্তব্য করা হয়।

সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির পক্ষ থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে আরও সক্রিয়, আন্তরিক ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে প্রতিকূল পরিবেশ ও নানা চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে নির্বাচিত হওয়া সাত নারী সংসদ সদস্যকে অভিনন্দন জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির পক্ষে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম।

জনপ্রিয় সংবাদ

সরাসরি নির্বাচনে মাত্র সাত নারী এমপি

প্রকাশের সময়ঃ ০১:০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ সাধারণ আসনের মধ্যে সরাসরি ভোটে মাত্র সাতজন নারী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ‘সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি’। ৭১টি নারী, মানবাধিকার ও উন্নয়ন সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত এই প্ল্যাটফর্মের মতে, রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছার ঘাটতির কারণেই নির্বাচনে নারীর প্রত্যাশিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত হচ্ছে না।

মঙ্গলবার রাজধানীর বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সুফিয়া কামাল ভবন মিলনায়তনে আয়োজিত কমিটির এক সভায় এ উদ্বেগ তুলে ধরা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম। এতে সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় নির্বাচন-পরবর্তী সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচনের পর দেশে একটি সুস্থ, স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হবে।

বক্তারা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে মনোনয়নে অন্তত ৩৩ শতাংশ নারী অংশগ্রহণের দাবি দীর্ঘদিনের। কিন্তু এবারের নির্বাচনে সে দাবি বাস্তবায়নের প্রতিফলন দেখা যায়নি। রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে নারী প্রার্থীর হার ছিল মাত্র ৪ দশমিক ২৪ শতাংশ। ৩০০ আসনের মধ্যে সরাসরি নির্বাচনে মাত্র সাতজন নারী এমপি নির্বাচিত হওয়াকে হতাশাজনক বলে মন্তব্য করা হয়।

সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির পক্ষ থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে আরও সক্রিয়, আন্তরিক ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে প্রতিকূল পরিবেশ ও নানা চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে নির্বাচিত হওয়া সাত নারী সংসদ সদস্যকে অভিনন্দন জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির পক্ষে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম।