ঢাকা ০২:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

জাল সনদে শিক্ষকতা, এমপিও বন্ধসহ আইনি ব্যবস্থার নির্দেশ

সংগৃহীত ছবি।

জাল ও ভুয়া শিক্ষক নিবন্ধন প্রত্যয়নপত্র ব্যবহার করে চাকরি করার অভিযোগে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার একটি মাদরাসার এক শিক্ষকের এমপিও (সরকারি বেতন-ভাতা) সুবিধা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

সম্প্রতি এনটিআরসিএ এ সংক্রান্ত একটি চিঠি মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠিয়েছে বলে জানা গেছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, মিঠাপুকুরের সেরুডাঙ্গা দারুল উলুম দ্বি-মুখী দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক (সমাজ বিজ্ঞান) মোছা. নারজুস আরা বেগম তার শিক্ষক নিবন্ধন সনদ এনটিআরসিএ’র ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে হাইকোর্ট বিভাগে একটি রিট আবেদন (নং- ৫০০০/২০২৫) করেন। আদালতের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এনটিআরসিএ কার্যালয়ে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

শুনানি ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনায় এনটিআরসিএ জানায়, তিনি ২০০৮ সালের ৪র্থ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশ নিলেও উত্তীর্ণ হননি। পরবর্তীতে তার দাখিল করা নিবন্ধন প্রত্যয়নপত্রটি ২০২৫ সালের ৭ জানুয়ারি এনটিআরসিএর এক চিঠির মাধ্যমে ‘জাল ও ভুয়া’ হিসেবে চিহ্নিত হয়।

এনটিআরসিএর বক্তব্য অনুযায়ী, ভুয়া সনদ ব্যবহার করে তিনি সংশ্লিষ্ট মাদরাসায় কর্মরত থেকে দীর্ঘদিন সরকারি এমপিও সুবিধা গ্রহণ করেছেন। এ প্রেক্ষাপটে তার এমপিও অবিলম্বে বন্ধ এবং বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাল সনদে শিক্ষকতা, এমপিও বন্ধসহ আইনি ব্যবস্থার নির্দেশ

প্রকাশের সময়ঃ ১২:৫৭:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাল ও ভুয়া শিক্ষক নিবন্ধন প্রত্যয়নপত্র ব্যবহার করে চাকরি করার অভিযোগে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার একটি মাদরাসার এক শিক্ষকের এমপিও (সরকারি বেতন-ভাতা) সুবিধা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

সম্প্রতি এনটিআরসিএ এ সংক্রান্ত একটি চিঠি মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠিয়েছে বলে জানা গেছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, মিঠাপুকুরের সেরুডাঙ্গা দারুল উলুম দ্বি-মুখী দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক (সমাজ বিজ্ঞান) মোছা. নারজুস আরা বেগম তার শিক্ষক নিবন্ধন সনদ এনটিআরসিএ’র ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে হাইকোর্ট বিভাগে একটি রিট আবেদন (নং- ৫০০০/২০২৫) করেন। আদালতের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এনটিআরসিএ কার্যালয়ে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

শুনানি ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনায় এনটিআরসিএ জানায়, তিনি ২০০৮ সালের ৪র্থ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশ নিলেও উত্তীর্ণ হননি। পরবর্তীতে তার দাখিল করা নিবন্ধন প্রত্যয়নপত্রটি ২০২৫ সালের ৭ জানুয়ারি এনটিআরসিএর এক চিঠির মাধ্যমে ‘জাল ও ভুয়া’ হিসেবে চিহ্নিত হয়।

এনটিআরসিএর বক্তব্য অনুযায়ী, ভুয়া সনদ ব্যবহার করে তিনি সংশ্লিষ্ট মাদরাসায় কর্মরত থেকে দীর্ঘদিন সরকারি এমপিও সুবিধা গ্রহণ করেছেন। এ প্রেক্ষাপটে তার এমপিও অবিলম্বে বন্ধ এবং বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।