ঢাকা ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়
 বিপুল অস্ত্র-ইয়াবা উদ্ধার

পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পালাল ‘বড় সাজ্জাদ’-এর ভাতিজা

প্রতীকী ছবি।

চট্টগ্রাম নগরীতে বিশেষ অভিযানে পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনায় আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘বড় সাজ্জাদ’-এর ভাতিজা মোহাম্মদ গুলি ছুড়ে পালিয়ে গেছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দেশি-বিদেশি বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ। অভিযানে তার দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তাররা হলেন—মোহাম্মদ ইসতিয়াক হাসান ইমন ও মো. জসিম। পলাতকদের মধ্যে মোহাম্মদ ছাড়াও ইকবাল নামে আরেক সহযোগীর নাম জানিয়েছে পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটে সোমবার রাত আড়াইটার দিকে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার চালিতাতলী বাজার এলাকায়।

মঙ্গলবার বিকেলে নগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও ট্রাফিক) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, বড় সাজ্জাদের ভাতিজা মোহাম্মদ চালিতাতলী বাজারসংলগ্ন একটি ভাড়া ঘরে অবস্থান করছেন। তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ।

অভিযানের সময় ভেতর থেকে সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে মোহাম্মদ ও তার কয়েকজন সহযোগী পালিয়ে যায়। তবে ধাওয়া করে ইমন ও জসিমকে আটক করা হয়।

অভিযান শেষে ঘর তল্লাশি করে দুটি বিদেশি পিস্তল, একটি বিদেশি সাবমেশিন গান (এসএমজি), তিনটি ম্যাগাজিন, একটি পাইপগান, ৪৫৫ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ১৪টি শটগানের কার্তুজ ও একটি খালি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

এ ছাড়া একটি চাপাতি, একটি রামদা, তিনটি ছোরা, একটি কাঁচি, ৮৮০ পিস ইয়াবা, তিনটি মোবাইল ফোন, দুটি বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরা, স্প্রে কিট, একটি লোহার বেসবল ব্যাট, একটি ড্রিল মেশিন ও একটি মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। পলাতকদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর রাতে বায়েজিদ বোস্তামী থানার অক্সিজেন এলাকায় আরেক অভিযানের সময় ‘ছোট সাজ্জাদ’ নামে পরিচিত সাজ্জাদ হোসেন পুলিশের দিকে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যান। ওই ঘটনায় দুই সাধারণ মানুষ আহত হন।

সাম্প্রতিক এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নগরীতে সন্ত্রাস দমনে বিশেষ অভিযান জোরদার করা হয়েছে এবং পলাতকদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

 বিপুল অস্ত্র-ইয়াবা উদ্ধার

পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পালাল ‘বড় সাজ্জাদ’-এর ভাতিজা

প্রকাশের সময়ঃ ১১:২৬:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরীতে বিশেষ অভিযানে পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনায় আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘বড় সাজ্জাদ’-এর ভাতিজা মোহাম্মদ গুলি ছুড়ে পালিয়ে গেছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দেশি-বিদেশি বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ। অভিযানে তার দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তাররা হলেন—মোহাম্মদ ইসতিয়াক হাসান ইমন ও মো. জসিম। পলাতকদের মধ্যে মোহাম্মদ ছাড়াও ইকবাল নামে আরেক সহযোগীর নাম জানিয়েছে পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটে সোমবার রাত আড়াইটার দিকে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার চালিতাতলী বাজার এলাকায়।

মঙ্গলবার বিকেলে নগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও ট্রাফিক) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, বড় সাজ্জাদের ভাতিজা মোহাম্মদ চালিতাতলী বাজারসংলগ্ন একটি ভাড়া ঘরে অবস্থান করছেন। তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ।

অভিযানের সময় ভেতর থেকে সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে মোহাম্মদ ও তার কয়েকজন সহযোগী পালিয়ে যায়। তবে ধাওয়া করে ইমন ও জসিমকে আটক করা হয়।

অভিযান শেষে ঘর তল্লাশি করে দুটি বিদেশি পিস্তল, একটি বিদেশি সাবমেশিন গান (এসএমজি), তিনটি ম্যাগাজিন, একটি পাইপগান, ৪৫৫ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ১৪টি শটগানের কার্তুজ ও একটি খালি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

এ ছাড়া একটি চাপাতি, একটি রামদা, তিনটি ছোরা, একটি কাঁচি, ৮৮০ পিস ইয়াবা, তিনটি মোবাইল ফোন, দুটি বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরা, স্প্রে কিট, একটি লোহার বেসবল ব্যাট, একটি ড্রিল মেশিন ও একটি মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। পলাতকদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর রাতে বায়েজিদ বোস্তামী থানার অক্সিজেন এলাকায় আরেক অভিযানের সময় ‘ছোট সাজ্জাদ’ নামে পরিচিত সাজ্জাদ হোসেন পুলিশের দিকে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যান। ওই ঘটনায় দুই সাধারণ মানুষ আহত হন।

সাম্প্রতিক এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নগরীতে সন্ত্রাস দমনে বিশেষ অভিযান জোরদার করা হয়েছে এবং পলাতকদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।