ঢাকা ০৮:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

সেন্ট মার্টিনের সাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়ল প্রায় ২০০ কেজির বোল মাছ

সংগৃহীত ছবি।

 কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সেন্ট মার্টিন দ্বীপ সংলগ্ন দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে প্রায় ২০০ কেজি ওজনের একটি বিশাল বোল মাছ। পরে স্থানীয় দুই মাছ ব্যবসায়ী প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার টাকায় মাছটি কিনে টেকনাফে এনে সংরক্ষণ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে মাছটি টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী বোটঘাটে একটি মাছ ধরার ট্রলার থেকে নামানো হয়। পরে বরফ দিয়ে সংরক্ষণ করে আল-গালিব ফিশারিতে রাখা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম জানান, ট্রলার মালিক মো. রাসেলের একটি মাছ ধরার ট্রলার গত ৩ মার্চ টেকনাফ বোটঘাট থেকে গভীর সাগরে মাছ ধরতে যায়। সাগরে জেলেদের ঘেরা জালে বড় আকারের একটি বোল মাছ ধরা পড়ে। পরে বৃহস্পতিবার দুপুরে ট্রলারটি মাছটি নিয়ে টেকনাফে ফিরে আসে। তিনি বলেন, “আমি ও জাফর মিলে প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার টাকায় মাছটি কিনেছি। মাছটির ওজন প্রায় ২০০ কেজিরও বেশি হতে পারে।”

তিনি আরও জানান, শুক্রবার জুমার নামাজের পর টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠসংলগ্ন বাজারে মাছটি কেটে খুচরা বিক্রি করা হবে। বাজারদর অনুযায়ী এর মূল্য নির্ধারণ করা হবে। এর আগেও গত রমজানে তারা একই ধরনের বড় বোল মাছ বিক্রি করেছিলেন।

ট্রলার মালিক মো. রাসেল বলেন, ৩ মার্চ তার ট্রলারটি গভীর সাগরে মাছ ধরতে গেলে জালে এই বিশাল আকারের বোল মাছটি ধরা পড়ে। পরে বৃহস্পতিবার ট্রলারটি বোটঘাটে পৌঁছালে মাছটি স্থানীয় ব্যবসায়ী জাফর ও সিরাজের কাছে বিক্রি করা হয়।

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা উম্মুল ফারা বেগম তাজকিরা জানান, বোল মাছ সাধারণত বড় মুখ ও শরীরজুড়ে বিভিন্ন রঙের ফোটা দাগের কারণে সহজেই শনাক্ত করা যায়। সেন্ট মার্টিন দ্বীপের প্রবালঘেরা শীল এলাকায় এই প্রজাতির মাছ তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। সুস্বাদু হওয়ায় বাজারে এ মাছের চাহিদাও বেশ ভালো।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

সেন্ট মার্টিনের সাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়ল প্রায় ২০০ কেজির বোল মাছ

প্রকাশের সময়ঃ ১২:৪২:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

 কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সেন্ট মার্টিন দ্বীপ সংলগ্ন দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে প্রায় ২০০ কেজি ওজনের একটি বিশাল বোল মাছ। পরে স্থানীয় দুই মাছ ব্যবসায়ী প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার টাকায় মাছটি কিনে টেকনাফে এনে সংরক্ষণ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে মাছটি টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী বোটঘাটে একটি মাছ ধরার ট্রলার থেকে নামানো হয়। পরে বরফ দিয়ে সংরক্ষণ করে আল-গালিব ফিশারিতে রাখা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম জানান, ট্রলার মালিক মো. রাসেলের একটি মাছ ধরার ট্রলার গত ৩ মার্চ টেকনাফ বোটঘাট থেকে গভীর সাগরে মাছ ধরতে যায়। সাগরে জেলেদের ঘেরা জালে বড় আকারের একটি বোল মাছ ধরা পড়ে। পরে বৃহস্পতিবার দুপুরে ট্রলারটি মাছটি নিয়ে টেকনাফে ফিরে আসে। তিনি বলেন, “আমি ও জাফর মিলে প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার টাকায় মাছটি কিনেছি। মাছটির ওজন প্রায় ২০০ কেজিরও বেশি হতে পারে।”

তিনি আরও জানান, শুক্রবার জুমার নামাজের পর টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠসংলগ্ন বাজারে মাছটি কেটে খুচরা বিক্রি করা হবে। বাজারদর অনুযায়ী এর মূল্য নির্ধারণ করা হবে। এর আগেও গত রমজানে তারা একই ধরনের বড় বোল মাছ বিক্রি করেছিলেন।

ট্রলার মালিক মো. রাসেল বলেন, ৩ মার্চ তার ট্রলারটি গভীর সাগরে মাছ ধরতে গেলে জালে এই বিশাল আকারের বোল মাছটি ধরা পড়ে। পরে বৃহস্পতিবার ট্রলারটি বোটঘাটে পৌঁছালে মাছটি স্থানীয় ব্যবসায়ী জাফর ও সিরাজের কাছে বিক্রি করা হয়।

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা উম্মুল ফারা বেগম তাজকিরা জানান, বোল মাছ সাধারণত বড় মুখ ও শরীরজুড়ে বিভিন্ন রঙের ফোটা দাগের কারণে সহজেই শনাক্ত করা যায়। সেন্ট মার্টিন দ্বীপের প্রবালঘেরা শীল এলাকায় এই প্রজাতির মাছ তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। সুস্বাদু হওয়ায় বাজারে এ মাছের চাহিদাও বেশ ভালো।