ঢাকা ০৯:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক
দৌলতদিয়া বাস দুর্ঘটনা

কুমারখালী থেকে ওঠা ৮ যাত্রীর মধ্যে নিখোঁজ ৩

গতকাল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ফেরিতে উঠতে গিয়ে নদীতে পড়ে যায় বাসটি।

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে বাস দুর্ঘটনায় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ওঠা ৮ জন যাত্রীর মধ্যে ৩ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ফেরিতে ওঠার সময় বাসটি নদীতে পড়ে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

কুমারখালী থেকে বাসে ওঠা যাত্রীদের মধ্যে ছিলেন গিয়াস উদ্দিন রিপন (৪৫), তার স্ত্রী লিটা খাতুন (৩৭) এবং তাদের দুই সন্তান—আবুল কাসেম সাফি (১৭) ও আয়েশা বিনতে গিয়াস (১৩)। গিয়াস উদ্দিন কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার শোমসপুর গ্রামের বাসিন্দা। ঈদের ছুটি কাটিয়ে পরিবারসহ ঢাকায় কর্মস্থলে ফিরছিলেন তিনি।

এছাড়া একই বাসে ছিলেন ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার খোন্দকবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. নুরুজ্জামান (৩২), তার স্ত্রী আয়েশা আক্তার (৩০) এবং তাদের দুই সন্তান—নাওয়ারা আক্তার (৪) ও আরশান (৭ মাস)।

স্বজনদের তথ্যমতে, এই দুই পরিবারের মধ্যে আয়েশা আক্তার, শিশু আরশান এবং কিশোরী আয়েশা বিনতে গিয়াস এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। অন্যদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

নুরুজ্জামান জানান, ফেরিতে ওঠার আগে তিনি ও তার বড় মেয়ে বাস থেকে নেমে যান। তবে তার স্ত্রী ও ছোট সন্তান বাসেই ছিলেন। দুর্ঘটনার পর থেকে তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে গিয়াস উদ্দিন রিপন জানান, দুর্ঘটনার সময় তার স্ত্রী ও মেয়ে পানিতে পড়ে যান। স্থানীয়রা তার স্ত্রীকে উদ্ধার করতে পারলেও মেয়ের সন্ধান এখনো মেলেনি।

সৌহার্দ্য পরিবহনের কুমারখালী কাউন্টার সূত্রে জানা যায়, বাসটি দুপুর আড়াইটার দিকে যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যায়। পথে বিভিন্ন স্থান থেকে যাত্রী ওঠে এবং চালক-সহকারিসহ মোট প্রায় ৫০ জন বাসে ছিলেন, যদিও আসনসংখ্যা ছিল ৪০।

কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, কুমারখালী থেকে ৮ জন যাত্রী বাসে উঠেছিলেন। তাদের মধ্যে তিনজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

দুর্ঘটনার পর থেকে উদ্ধারকারী দল নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

দৌলতদিয়া বাস দুর্ঘটনা

কুমারখালী থেকে ওঠা ৮ যাত্রীর মধ্যে নিখোঁজ ৩

প্রকাশের সময়ঃ ০২:১৫:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে বাস দুর্ঘটনায় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ওঠা ৮ জন যাত্রীর মধ্যে ৩ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ফেরিতে ওঠার সময় বাসটি নদীতে পড়ে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

কুমারখালী থেকে বাসে ওঠা যাত্রীদের মধ্যে ছিলেন গিয়াস উদ্দিন রিপন (৪৫), তার স্ত্রী লিটা খাতুন (৩৭) এবং তাদের দুই সন্তান—আবুল কাসেম সাফি (১৭) ও আয়েশা বিনতে গিয়াস (১৩)। গিয়াস উদ্দিন কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার শোমসপুর গ্রামের বাসিন্দা। ঈদের ছুটি কাটিয়ে পরিবারসহ ঢাকায় কর্মস্থলে ফিরছিলেন তিনি।

এছাড়া একই বাসে ছিলেন ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার খোন্দকবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. নুরুজ্জামান (৩২), তার স্ত্রী আয়েশা আক্তার (৩০) এবং তাদের দুই সন্তান—নাওয়ারা আক্তার (৪) ও আরশান (৭ মাস)।

স্বজনদের তথ্যমতে, এই দুই পরিবারের মধ্যে আয়েশা আক্তার, শিশু আরশান এবং কিশোরী আয়েশা বিনতে গিয়াস এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। অন্যদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

নুরুজ্জামান জানান, ফেরিতে ওঠার আগে তিনি ও তার বড় মেয়ে বাস থেকে নেমে যান। তবে তার স্ত্রী ও ছোট সন্তান বাসেই ছিলেন। দুর্ঘটনার পর থেকে তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে গিয়াস উদ্দিন রিপন জানান, দুর্ঘটনার সময় তার স্ত্রী ও মেয়ে পানিতে পড়ে যান। স্থানীয়রা তার স্ত্রীকে উদ্ধার করতে পারলেও মেয়ের সন্ধান এখনো মেলেনি।

সৌহার্দ্য পরিবহনের কুমারখালী কাউন্টার সূত্রে জানা যায়, বাসটি দুপুর আড়াইটার দিকে যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যায়। পথে বিভিন্ন স্থান থেকে যাত্রী ওঠে এবং চালক-সহকারিসহ মোট প্রায় ৫০ জন বাসে ছিলেন, যদিও আসনসংখ্যা ছিল ৪০।

কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, কুমারখালী থেকে ৮ জন যাত্রী বাসে উঠেছিলেন। তাদের মধ্যে তিনজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

দুর্ঘটনার পর থেকে উদ্ধারকারী দল নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।