ঢাকা ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

স্বাধীনতা দিবসে শহীদ জিয়াউর রহমানের নাম না নেওয়ায় ইউএনওর বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে নাটোরের বাগাতিপাড়া সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আলাউদ্দিনের বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সকালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময় ইউএনও স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি মেজর জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করেননি। বিষয়টি উপস্থিতদের একাংশের নজরে এলে দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। এছাড়াও, তিনি প্রচলিত “বাংলাদেশ জিন্দাবাদ” স্লোগান উচ্চারণ না করে “বাংলাদেশ চিরজীবী হোক” মন্তব্য করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে, যা বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে।

এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মন্টু আলী, মধু মিয়া এবং লাভলু মন্ডলসহ অনেকে। তারা বলেন, “২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসের মতো একটি জাতীয় ও সংবেদনশীল দিনে একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বক্তব্যে এমন বিতর্ক তৈরি হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। এর চেয়েও বেশি উদ্বেগজনক বিষয় হলো-তিনি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট মেজর জিয়াউর রহমানের নাম পর্যন্ত উল্লেখ করেননি। এটি কেবল ইতিহাসের প্রতি অবিচার নয়, বরং দেশের একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীর অনুভূতিকে আঘাত করেছে।”

এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান বলেন, “স্বাধীনতা দিবসের মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনে দেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় উপেক্ষা করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। নেতা-কর্মীরা এ নিয়ে অভিযোগের তুললে বিষয়টি ইউএনও সাহেব কে জানানো হয়েছে।”

অন্যদিকে, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, “স্বাধীনতার মহান ঘোষকের নাম না নেওয়ার বিষয়টি প্রথমে ছাত্রদল নেতাদের নজরে আসে এবং এতে নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষেরা অত্যন্ত দুঃখ পেয়েছে।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যের মধ্যে জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করেননি, তাই আমিও উল্লেখ করিনি।”

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

স্বাধীনতা দিবসে শহীদ জিয়াউর রহমানের নাম না নেওয়ায় ইউএনওর বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক

প্রকাশের সময়ঃ ০৭:৫১:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে নাটোরের বাগাতিপাড়া সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আলাউদ্দিনের বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সকালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময় ইউএনও স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি মেজর জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করেননি। বিষয়টি উপস্থিতদের একাংশের নজরে এলে দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। এছাড়াও, তিনি প্রচলিত “বাংলাদেশ জিন্দাবাদ” স্লোগান উচ্চারণ না করে “বাংলাদেশ চিরজীবী হোক” মন্তব্য করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে, যা বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে।

এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মন্টু আলী, মধু মিয়া এবং লাভলু মন্ডলসহ অনেকে। তারা বলেন, “২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসের মতো একটি জাতীয় ও সংবেদনশীল দিনে একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বক্তব্যে এমন বিতর্ক তৈরি হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। এর চেয়েও বেশি উদ্বেগজনক বিষয় হলো-তিনি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট মেজর জিয়াউর রহমানের নাম পর্যন্ত উল্লেখ করেননি। এটি কেবল ইতিহাসের প্রতি অবিচার নয়, বরং দেশের একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীর অনুভূতিকে আঘাত করেছে।”

এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান বলেন, “স্বাধীনতা দিবসের মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনে দেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় উপেক্ষা করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। নেতা-কর্মীরা এ নিয়ে অভিযোগের তুললে বিষয়টি ইউএনও সাহেব কে জানানো হয়েছে।”

অন্যদিকে, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, “স্বাধীনতার মহান ঘোষকের নাম না নেওয়ার বিষয়টি প্রথমে ছাত্রদল নেতাদের নজরে আসে এবং এতে নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষেরা অত্যন্ত দুঃখ পেয়েছে।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যের মধ্যে জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করেননি, তাই আমিও উল্লেখ করিনি।”