ঢাকা ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
শিবগঞ্জে মিনি ট্রাকসহ চালক আটক, প্রায় ৪ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য উদ্ধার নলডাঙ্গায় সাংবাদিক হেনস্তা- যুবদল নেতাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগে মহাসড়ক অবরোধ, ক্লিনিকে ভাঙচুর চাঁপাইনবাবগঞ্জে তাজেমা বেগমের সম্পত্তি ঘিরে ‘দালাল সিন্ডিকেট’ সক্রিয় হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬”

শনিবার থেকে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশা

আজ শুক্রবার এক জরুরি বিবৃতিতে এ আশার কথা শোনায় অ্যাসোসিয়েশন।

দেশে সাম্প্রতিক জ্বালানি তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে সৃষ্ট উদ্বেগের মধ্যে শনিবার থেকেই পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছে পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) এক জরুরি বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের বিভিন্ন এলাকায় পেট্রল পাম্পগুলোতে হঠাৎ করে গ্রাহকদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। এ অবস্থায় স্বাভাবিকভাবে জ্বালানি সংগ্রহের জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সংগঠনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে পাম্পগুলোতে যে ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তা অস্বাভাবিক। দীর্ঘ ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতায় এমন পরিস্থিতি খুব কমই দেখা গেছে। তিনি মনে করেন, গ্রাহকদের সংযত আচরণই পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করতে সহায়ক হবে।

বিবৃতিতে জ্বালানি সরবরাহে সাময়িক বিঘ্নের কারণও ব্যাখ্যা করা হয়। জানানো হয়, মার্চ মাসে টানা সরকারি ছুটি থাকায় সরবরাহ ব্যবস্থায় কিছুটা ব্যাঘাত ঘটে। এর ফলে দেশের কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে জ্বালানি সংকট দেখা দেয় এবং কয়েকটি পাম্পে তেল স্বল্পতা তৈরি হয়।

তবে সংগঠনটি স্পষ্ট করেছে, এই পরিস্থিতি সাময়িক এবং এতে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে কাজ করছে।

পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন আশা প্রকাশ করেছে, আগামী শনিবার থেকেই জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে আসবে এবং পাম্পগুলোতে আগের মতো নিয়মিত জ্বালানি পাওয়া যাবে।

সবশেষে সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, অপ্রয়োজনীয়ভাবে জ্বালানি মজুদ না করে প্রয়োজন অনুযায়ী সংগ্রহ করলে বাজার পরিস্থিতি দ্রুত স্থিতিশীল হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

শিবগঞ্জে মিনি ট্রাকসহ চালক আটক, প্রায় ৪ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য উদ্ধার

শনিবার থেকে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশা

প্রকাশের সময়ঃ ০৬:২৫:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

দেশে সাম্প্রতিক জ্বালানি তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে সৃষ্ট উদ্বেগের মধ্যে শনিবার থেকেই পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছে পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) এক জরুরি বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের বিভিন্ন এলাকায় পেট্রল পাম্পগুলোতে হঠাৎ করে গ্রাহকদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। এ অবস্থায় স্বাভাবিকভাবে জ্বালানি সংগ্রহের জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সংগঠনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে পাম্পগুলোতে যে ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তা অস্বাভাবিক। দীর্ঘ ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতায় এমন পরিস্থিতি খুব কমই দেখা গেছে। তিনি মনে করেন, গ্রাহকদের সংযত আচরণই পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করতে সহায়ক হবে।

বিবৃতিতে জ্বালানি সরবরাহে সাময়িক বিঘ্নের কারণও ব্যাখ্যা করা হয়। জানানো হয়, মার্চ মাসে টানা সরকারি ছুটি থাকায় সরবরাহ ব্যবস্থায় কিছুটা ব্যাঘাত ঘটে। এর ফলে দেশের কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে জ্বালানি সংকট দেখা দেয় এবং কয়েকটি পাম্পে তেল স্বল্পতা তৈরি হয়।

তবে সংগঠনটি স্পষ্ট করেছে, এই পরিস্থিতি সাময়িক এবং এতে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে কাজ করছে।

পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন আশা প্রকাশ করেছে, আগামী শনিবার থেকেই জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে আসবে এবং পাম্পগুলোতে আগের মতো নিয়মিত জ্বালানি পাওয়া যাবে।

সবশেষে সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, অপ্রয়োজনীয়ভাবে জ্বালানি মজুদ না করে প্রয়োজন অনুযায়ী সংগ্রহ করলে বাজার পরিস্থিতি দ্রুত স্থিতিশীল হবে।