ঢাকা ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়
ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় তোলপাড়

রাজশাহীতে আ.লীগ নেতাকে মারধরের অভিযোগ

ভুক্তভোগী আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজ খান। সংগৃহীত ছবি

রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের এক নেতাকে মারধর করে ড্রেনে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেল ৩টার দিকে নগরীর শাহমখদুম থানা সংলগ্ন পবা নতুনপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী ফিরোজ খান, যিনি শাহমখদুম থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে পরিচিত। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে ডেকে নিয়ে হামলা চালানো হয়।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, পরিচিতজনদের মাধ্যমে চা খাওয়ার কথা বলে তাকে ডাকা হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর মোটরসাইকেল থেকে নামতেই কয়েকজন ব্যক্তি কাঠের লাঠি দিয়ে তাকে মারধর শুরু করে এবং একপর্যায়ে ড্রেনে ফেলে দেয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করেন।

ফিরোজ খানের দাবি, হামলায় তার বাম হাত ভেঙে গেছে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন। নিরাপত্তাজনিত শঙ্কায় তিনি হাসপাতালে ভর্তি না হয়ে বর্তমানে এক আত্মীয়ের বাড়িতে অবস্থান করে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলার পর তার ব্যবহৃত ১১০ সিসি মোটরসাইকেলটি নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা।

একজন অভিযুক্ত নেতা বলেন, ঘটনাটির সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। অন্যদিকে আরেকজনের দাবি, মোটরসাইকেল নেওয়ার অভিযোগও সঠিক নয় এবং তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জড়ানো হচ্ছে।

শাহমখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক হোসেন জানান, ঘটনাটি সম্পর্কে তারা অবগত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও কাউকে পাওয়া যায়নি। থানায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি এবং কোনো মোটরসাইকেল জব্দের তথ্যও নেই। তিনি বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের মতে, ঘটনাটি এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তবে এখনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ না হওয়ায় ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় তোলপাড়

রাজশাহীতে আ.লীগ নেতাকে মারধরের অভিযোগ

প্রকাশের সময়ঃ ০১:৫৯:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের এক নেতাকে মারধর করে ড্রেনে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেল ৩টার দিকে নগরীর শাহমখদুম থানা সংলগ্ন পবা নতুনপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী ফিরোজ খান, যিনি শাহমখদুম থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে পরিচিত। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে ডেকে নিয়ে হামলা চালানো হয়।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, পরিচিতজনদের মাধ্যমে চা খাওয়ার কথা বলে তাকে ডাকা হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর মোটরসাইকেল থেকে নামতেই কয়েকজন ব্যক্তি কাঠের লাঠি দিয়ে তাকে মারধর শুরু করে এবং একপর্যায়ে ড্রেনে ফেলে দেয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করেন।

ফিরোজ খানের দাবি, হামলায় তার বাম হাত ভেঙে গেছে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন। নিরাপত্তাজনিত শঙ্কায় তিনি হাসপাতালে ভর্তি না হয়ে বর্তমানে এক আত্মীয়ের বাড়িতে অবস্থান করে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলার পর তার ব্যবহৃত ১১০ সিসি মোটরসাইকেলটি নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা।

একজন অভিযুক্ত নেতা বলেন, ঘটনাটির সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। অন্যদিকে আরেকজনের দাবি, মোটরসাইকেল নেওয়ার অভিযোগও সঠিক নয় এবং তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জড়ানো হচ্ছে।

শাহমখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক হোসেন জানান, ঘটনাটি সম্পর্কে তারা অবগত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও কাউকে পাওয়া যায়নি। থানায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি এবং কোনো মোটরসাইকেল জব্দের তথ্যও নেই। তিনি বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের মতে, ঘটনাটি এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তবে এখনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ না হওয়ায় ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়নি।