
কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় পর্তুগাল প্রবাসী সমাজসেবক সুহাইল খানের আয়োজনে এতিম শিশুদের জন্য একটি বিশেষ মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। গত ২৭ জুন শনিবার দুপুরে পৌর শহরের চণ্ডিবের দক্ষিণপাড়া এলাকায় অবস্থিত হাজী আসমত আলী মহিলা শিশু পরিবার এতিমখানায় দেড় শতাধিক এতিম শিশুকে নিয়ে এই মানবিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে এতিম শিশুদের পাশাপাশি আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ ও স্বেচ্ছাসেবকরাও একসঙ্গে দুপুরের খাবার গ্রহণ করেন। পরিবেশিত খাবারের তালিকায় ছিল ভাত, মুরগির রেজালা, খাসির মাথা দিয়ে রান্না করা মুগ ডাল, সবজি, সালাদ এবং দই।
পর্তুগাল প্রবাসী সুহাইল খানের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেলওয়ে উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা ছাইদ উদ্দিন খান, শিক্ষাবিদ ও শিশুসাহিত্যিক এবং ভৈরব রফিকুল ইসলাম মহিলা কলেজ ও জিল্লুর রহমান প্রিমিয়ার ব্যাংক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শরীফ উদ্দিন আহমেদ, ভৈরব প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব সোহেলুর রহমান, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক সুমন মোল্লা, ভৈরব বইমেলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মানিক চৌধুরী, শিবপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক আব্দুল্লাহ আল আজাদ, সমাজকর্মী নুরুল কাদের সোহেলসহ স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা।
মিলাদ মাহফিল শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনায় সাবেক অধ্যক্ষ শরীফ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “সমাজের প্রতিটি সচ্ছল মানুষের দায়িত্ব রয়েছে এতিম ও অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো। সুহাইল খান দীর্ঘদিন ধরে নিভৃতে সমাজকল্যাণমূলক কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা চাই, আরও অনেকে এ ধরনের মানবিক উদ্যোগে এগিয়ে আসুক।”
প্রবাসী সমাজসেবক সুহাইল খান বলেন, “সামর্থ্য অনুযায়ী সবসময় এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি। সমাজের সবাই যদি নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসেন, তাহলে এতিম শিশুরা বোঝা নয়, একদিন সমাজের সম্পদ হয়ে উঠবে। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত রাখার ইচ্ছা রয়েছে।”
অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সকলে সুহাইল খানের এই মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এমন কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ 

















