ঢাকা ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
একসঙ্গে নিভল পাঁচ শিশুর প্রাণের প্রদীপ- পাশাপাশি কবরে শায়িত যাত্রাবাড়ী থানা থেকে পালানো নারী আসামি কেরানীগঞ্জে আটক রংপুরে ৪ খুন-গাফিলতির কোন সুযোগ নেই, আশ্বাস নতুন পুলিশ কমিশনারের নেপালের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন- দেশে ফিরে অপু বিশ্বাস টঙ্গীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে আটক ৩ গাজীপুরে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে শ্বশুরকে কুপিয়ে হত্যা রূপগঞ্জে পরিত্যক্ত ভবন থেকে ৫ পাইপগান ও সাড়ে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার দুর্গাপুরে চুরির অভিযোগে কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল কারওয়ান বাজারে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে অগ্নিকাণ্ড, স্থানীয়দের তৎপরতায় নিয়ন্ত্রণ গোপালগঞ্জে মাইক্রোবাস-মোটরসাইকেল-বাসের ত্রিমুখী সংঘর্ষে আহত ৪০

রাঙামাটিতে ছড়ার স্রোতে তলিয়ে মা-ছেলেসহ ৩ জনের মৃত্যু

রাঙামাটির পৃথক দুটি এলাকায় ছড়ার পানির স্রোতে তলিয়ে মা-ছেলেসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

রাঙামাটিতে পৃথক ঘটনায় পাহাড়ি ছড়ার পানির স্রোতে তলিয়ে দুই শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে বাঘাইছড়ি উপজেলায় পাঁচ বছরের এক শিশু এবং রাঙামাটি সদর উপজেলার বন্দুকভাঙ্গা ইউনিয়নে এক মা ও তাঁর চার বছরের ছেলে রয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাঘাইছড়ি উপজেলার রূপকারী ইউনিয়নের গোলাছড়ি এলাকায় জোসনা ত্রিপুরা (৫) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোলাছড়ি গ্রামের দীপেন ত্রিপুরার মেয়ে জোসনা ত্রিপুরা বাড়ির পাশের একটি ছড়ায় গোসল করতে গিয়েছিল। এ সময় হঠাৎ পানির স্রোত বেড়ে গেলে শিশুটি পানিতে তলিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের খোঁজাখুঁজির পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

রূপকারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জেসমিন চাকমা জানান, ছড়ায় গোসল করতে নেমে পানির স্রোতে তলিয়ে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।

বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা মারজান জানান, নিহত শিশুটির পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।

অন্যদিকে, রাঙামাটি সদর উপজেলার বন্দুকভাঙ্গা ইউনিয়নের ত্রিপুরাছড়া গ্রামে মা ও ছেলের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার বিকেলে জুমের কাজ শেষ করে বাসায় ফিরছিলেন বাসনা চাকমা ও তাঁর চার বছর বয়সী ছেলে মহাজনক চাকমা। পথে ভারী বৃষ্টির কারণে ছড়ার পানি হঠাৎ বেড়ে যায়। একপর্যায়ে মা ও ছেলে পানির স্রোতে তলিয়ে যান।

তারা বাড়িতে ফিরে না আসায় বাসনা চাকমার স্বামী অলংগ বিকাশ চাকমাসহ স্থানীয়রা বিভিন্ন স্থানে তাদের খোঁজ শুরু করেন।

পরে গত রোববার জুমের ক্ষেত থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে ত্রিপুরাছড়ার পানিতে শিশু মহাজনক চাকমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এরপর বুধবার জুমের ক্ষেত থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একই ছড়ার পাশে প্রায় ২০০ ফুট গভীর একটি পাহাড়ি খাদে বাসনা চাকমার মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়। খবর পেয়ে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করেন।

বন্দুকভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অমর চাকমা জানান, জুমের কাজ শেষে বাড়ি ফেরার সময় ভারী বৃষ্টির কারণে ছড়ার পানি আকস্মিকভাবে বেড়ে যায়। এতে মা ও ছেলে স্রোতে তলিয়ে নিখোঁজ হন। পরে পৃথক সময়ে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

একসঙ্গে নিভল পাঁচ শিশুর প্রাণের প্রদীপ- পাশাপাশি কবরে শায়িত

রাঙামাটিতে ছড়ার স্রোতে তলিয়ে মা-ছেলেসহ ৩ জনের মৃত্যু

প্রকাশের সময়ঃ ১২:৩৯:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

রাঙামাটিতে পৃথক ঘটনায় পাহাড়ি ছড়ার পানির স্রোতে তলিয়ে দুই শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে বাঘাইছড়ি উপজেলায় পাঁচ বছরের এক শিশু এবং রাঙামাটি সদর উপজেলার বন্দুকভাঙ্গা ইউনিয়নে এক মা ও তাঁর চার বছরের ছেলে রয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাঘাইছড়ি উপজেলার রূপকারী ইউনিয়নের গোলাছড়ি এলাকায় জোসনা ত্রিপুরা (৫) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোলাছড়ি গ্রামের দীপেন ত্রিপুরার মেয়ে জোসনা ত্রিপুরা বাড়ির পাশের একটি ছড়ায় গোসল করতে গিয়েছিল। এ সময় হঠাৎ পানির স্রোত বেড়ে গেলে শিশুটি পানিতে তলিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের খোঁজাখুঁজির পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

রূপকারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জেসমিন চাকমা জানান, ছড়ায় গোসল করতে নেমে পানির স্রোতে তলিয়ে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।

বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা মারজান জানান, নিহত শিশুটির পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।

অন্যদিকে, রাঙামাটি সদর উপজেলার বন্দুকভাঙ্গা ইউনিয়নের ত্রিপুরাছড়া গ্রামে মা ও ছেলের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার বিকেলে জুমের কাজ শেষ করে বাসায় ফিরছিলেন বাসনা চাকমা ও তাঁর চার বছর বয়সী ছেলে মহাজনক চাকমা। পথে ভারী বৃষ্টির কারণে ছড়ার পানি হঠাৎ বেড়ে যায়। একপর্যায়ে মা ও ছেলে পানির স্রোতে তলিয়ে যান।

তারা বাড়িতে ফিরে না আসায় বাসনা চাকমার স্বামী অলংগ বিকাশ চাকমাসহ স্থানীয়রা বিভিন্ন স্থানে তাদের খোঁজ শুরু করেন।

পরে গত রোববার জুমের ক্ষেত থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে ত্রিপুরাছড়ার পানিতে শিশু মহাজনক চাকমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এরপর বুধবার জুমের ক্ষেত থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একই ছড়ার পাশে প্রায় ২০০ ফুট গভীর একটি পাহাড়ি খাদে বাসনা চাকমার মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়। খবর পেয়ে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করেন।

বন্দুকভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অমর চাকমা জানান, জুমের কাজ শেষে বাড়ি ফেরার সময় ভারী বৃষ্টির কারণে ছড়ার পানি আকস্মিকভাবে বেড়ে যায়। এতে মা ও ছেলে স্রোতে তলিয়ে নিখোঁজ হন। পরে পৃথক সময়ে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।