ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গেন্ডারিয়ায় মাদক আধিপত্য নিয়ে গোলাগুলি, গ্রেপ্তার ৫ ৫ গোল হজমের পর বার্সেলোনাকে বিশ্বের সেরা বললেন ফেইনুর্দ কোচ নভেম্বরের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরান যুদ্ধ শেষ হবে: ট্রাম্প মহাখালীতে চারতলা ভবনের ছাদে আগুন, ২৮ মিনিটে নিয়ন্ত্রণে মেসি-লেভান্ডোভস্কির দ্বৈরথেও জয় পেল না কেউ, ১-১ গোলে ড্র ভারতকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের, আজ সেমিফাইনাল নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান, নারীসহ ৩ জনের কারাদণ্ড নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান, নারীসহ ৩ জনের কারাদণ্ড মহাখালীতে পুরোনো ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৩ ইউনিট সেনাসদস্য রিফাতের মরদেহের অপেক্ষায় পরিবার, মায়ের কবরের পাশে হবে দাফন

গেন্ডারিয়ায় মাদক আধিপত্য নিয়ে গোলাগুলি, গ্রেপ্তার ৫

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০২:৩৬:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১২৪১ Time View

গেন্ডারিয়ার করাতীটোলা এলাকায় মাদক ব্যবসার আধিপত্য নিয়ে গোলাগুলির ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

রাজধানীর গেন্ডারিয়ার করাতীটোলা এলাকায় মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে গোলাগুলির ঘটনায় এক নারীসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, ১২ রাউন্ড গুলি, তিনটি ম্যাগাজিন এবং বিভিন্ন ধরনের মাদক উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‍্যাব-১০-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মোহাম্মদ জিসান (১৯), মোহাম্মদ রমজান (১৯), মোহাম্মদ শাহীন (৩৪), শাবাব হোসেন শৈকত (২৯) ও মোহাম্মদ মাহিম (১৮)।

র‍্যাবের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০ আগস্ট গেন্ডারিয়া থানার করাতীটোলা এলাকায় মাদক কারবারের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মনির গ্রুপ ও অটো সজল গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি হয়। এ সময় পথচারী আশা আক্তার (২০), সিয়াম (১৮) ও চা-দোকানি আলমগীর হোসেন রাসেল গুলিবিদ্ধ হন।

গুলিতে আশার ডান পা, সিয়ামের বুকের বাঁ পাশ এবং আলমগীরের মাথা আহত হয়। র‍্যাব জানিয়েছে, আলমগীর ও সিয়ামের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে এবং তারা বর্তমানে সুস্থ আছেন। আশা আক্তারও স্থিতিশীল রয়েছেন। তবে তার পায়ে থাকা গুলি এখনো অপসারণ করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনার পর র‍্যাব-১০-এর যাত্রাবাড়ী ক্যাম্পের একটি দল ছায়াতদন্ত শুরু করে। ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার পাশাপাশি গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়।

এর ধারাবাহিকতায় ১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গেন্ডারিয়ার মুন্সিরটেক এলাকা থেকে জিসান ও রমজানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ৮ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদ শাহীনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার পৃথক অভিযানে শাবাব হোসেন শৈকত ও মোহাম্মদ মাহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, শাবাবকে গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে ১২ রাউন্ড গুলি ও তিনটি ম্যাগাজিনসহ দুটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া প্রায় ৩ লাখ ১৩ হাজার টাকা মূল্যের ৪২০টি ইয়াবা, ৪০০ পুরিয়া হেরোইন, ৯০০ গ্রাম গাঁজা, নগদ টাকা ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।

র‍্যাবের তথ্যমতে, শাবাব হোসেন শৈকত যাত্রাবাড়ী থানার তিনটি মাদক মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।

এর আগে একই গোলাগুলির ঘটনায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওয়ারী বিভাগ চারজনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের কাছ থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, দুই রাউন্ড গুলি, একটি সুইচ গিয়ার চাকু, একটি ধারালো ছোরা এবং ১৬০টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব-১০-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, উদ্ধার হওয়া ১২ রাউন্ড গুলি ও তিনটি ম্যাগাজিনের মধ্যে একটি ম্যাগাজিন ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর পুলিশের লুণ্ঠিত অস্ত্রের ম্যাগাজিন ও গোলাবারুদের অংশ হিসেবে শনাক্ত হয়েছে।

গ্রেপ্তার পাঁচজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব। একই সঙ্গে অস্ত্র, মাদক ও পুলিশের লুণ্ঠিত গোলাবারুদের উৎস এবং এর সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে অনুসন্ধান চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গেন্ডারিয়ায় মাদক আধিপত্য নিয়ে গোলাগুলি, গ্রেপ্তার ৫

গেন্ডারিয়ায় মাদক আধিপত্য নিয়ে গোলাগুলি, গ্রেপ্তার ৫

প্রকাশের সময়ঃ ০২:৩৬:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর গেন্ডারিয়ার করাতীটোলা এলাকায় মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে গোলাগুলির ঘটনায় এক নারীসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, ১২ রাউন্ড গুলি, তিনটি ম্যাগাজিন এবং বিভিন্ন ধরনের মাদক উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‍্যাব-১০-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মোহাম্মদ জিসান (১৯), মোহাম্মদ রমজান (১৯), মোহাম্মদ শাহীন (৩৪), শাবাব হোসেন শৈকত (২৯) ও মোহাম্মদ মাহিম (১৮)।

র‍্যাবের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০ আগস্ট গেন্ডারিয়া থানার করাতীটোলা এলাকায় মাদক কারবারের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মনির গ্রুপ ও অটো সজল গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি হয়। এ সময় পথচারী আশা আক্তার (২০), সিয়াম (১৮) ও চা-দোকানি আলমগীর হোসেন রাসেল গুলিবিদ্ধ হন।

গুলিতে আশার ডান পা, সিয়ামের বুকের বাঁ পাশ এবং আলমগীরের মাথা আহত হয়। র‍্যাব জানিয়েছে, আলমগীর ও সিয়ামের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে এবং তারা বর্তমানে সুস্থ আছেন। আশা আক্তারও স্থিতিশীল রয়েছেন। তবে তার পায়ে থাকা গুলি এখনো অপসারণ করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনার পর র‍্যাব-১০-এর যাত্রাবাড়ী ক্যাম্পের একটি দল ছায়াতদন্ত শুরু করে। ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার পাশাপাশি গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়।

এর ধারাবাহিকতায় ১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গেন্ডারিয়ার মুন্সিরটেক এলাকা থেকে জিসান ও রমজানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ৮ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদ শাহীনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার পৃথক অভিযানে শাবাব হোসেন শৈকত ও মোহাম্মদ মাহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, শাবাবকে গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে ১২ রাউন্ড গুলি ও তিনটি ম্যাগাজিনসহ দুটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া প্রায় ৩ লাখ ১৩ হাজার টাকা মূল্যের ৪২০টি ইয়াবা, ৪০০ পুরিয়া হেরোইন, ৯০০ গ্রাম গাঁজা, নগদ টাকা ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।

র‍্যাবের তথ্যমতে, শাবাব হোসেন শৈকত যাত্রাবাড়ী থানার তিনটি মাদক মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।

এর আগে একই গোলাগুলির ঘটনায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওয়ারী বিভাগ চারজনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের কাছ থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, দুই রাউন্ড গুলি, একটি সুইচ গিয়ার চাকু, একটি ধারালো ছোরা এবং ১৬০টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব-১০-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, উদ্ধার হওয়া ১২ রাউন্ড গুলি ও তিনটি ম্যাগাজিনের মধ্যে একটি ম্যাগাজিন ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর পুলিশের লুণ্ঠিত অস্ত্রের ম্যাগাজিন ও গোলাবারুদের অংশ হিসেবে শনাক্ত হয়েছে।

গ্রেপ্তার পাঁচজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব। একই সঙ্গে অস্ত্র, মাদক ও পুলিশের লুণ্ঠিত গোলাবারুদের উৎস এবং এর সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে অনুসন্ধান চলছে।