ঢাকা ১১:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
নাটোরে দুর্ঘটনাকবলিত সিএনজি থেকে ৩৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪ মামুন খালেদসহ স্ত্রী-শ্যালকের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব: সমাজকল্যাণমন্ত্রী ভূরুঙ্গামারীতে ২৩ লাখ টাকার বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস শিপইয়ার্ড সড়ক প্রকল্পে অনিয়ম, কেডিএর ১৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ শাহজাদপুরে নার্সিং ও ডেন্টাল কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সিলেট সীমান্তে ২৭ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাইপণ্য জব্দ ভারত-বাংলাদেশ পাইপলাইনে পার্বতীপুরে পৌঁছাল ৪৭ লাখ লিটার ডিজেল কক্সবাজারে চোরাই স্বর্ণালংকার ও মোবাইলসহ গৃহকর্মী গ্রেপ্তার লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৬৮ বাংলাদেশি

মামুন খালেদসহ স্ত্রী-শ্যালকের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ১০:৫৬:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১২৩৫ Time View

ডিজিএফআইর সাবেক মহাপরিচালক লে. জে. শেখ মামুন খালেদসহ তাঁর স্ত্রী ও শ্যালকের বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে দুদক।

সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইর সাবেক মহাপরিচালক লে. জে. শেখ মামুন খালেদ, তাঁর স্ত্রী নিগার সুলতানা ও শ্যালক শেখ আমিনুর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে। তাদের নামে বৈধ আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ প্রায় ৮ কোটি ৪ লাখ ৫৯ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার দুদকের এক ব্রিফিংয়ে সচিব মো. সাইদুর রহমান খান জানান, অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে মামলাগুলো শিগগিরই দায়ের করা হবে।

দুদক সূত্র জানায়, অনুসন্ধানে মামুন খালেদের নামে স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৮৬ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এর বিপরীতে তাঁর গ্রহণযোগ্য আয় ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৮৩ হাজার টাকা। পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয়সহ মোট সম্পদের পরিমাণ ৫ কোটি ৩০ লাখ ৮০ হাজার ৬৫৮ টাকা বলে অনুসন্ধানে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে ১ কোটি ৯৫ লাখ ৯৭ হাজার ৯৫ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে তাঁর স্ত্রী নিগার সুলতানার নামে ৫৮ লাখ ৭৪ হাজার ৮০৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে, শেখ আমিনুর রহমানের নামে ৫ কোটি ৪৯ লাখ ৮৭ হাজার ৮৫৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে দুদক।

দুদক সূত্রের দাবি, মামুন খালেদ চাকরিকালে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থের একটি অংশ শ্যালক আমিনুর রহমানের নামে রাখার মাধ্যমে সম্পদ গড়েছেন। এ বিষয়ে অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।

দুদকের সচিব বলেন, অনুসন্ধানে পাওয়া সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নাটোরে দুর্ঘটনাকবলিত সিএনজি থেকে ৩৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪

মামুন খালেদসহ স্ত্রী-শ্যালকের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

প্রকাশের সময়ঃ ১০:৫৬:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইর সাবেক মহাপরিচালক লে. জে. শেখ মামুন খালেদ, তাঁর স্ত্রী নিগার সুলতানা ও শ্যালক শেখ আমিনুর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে। তাদের নামে বৈধ আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ প্রায় ৮ কোটি ৪ লাখ ৫৯ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার দুদকের এক ব্রিফিংয়ে সচিব মো. সাইদুর রহমান খান জানান, অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে মামলাগুলো শিগগিরই দায়ের করা হবে।

দুদক সূত্র জানায়, অনুসন্ধানে মামুন খালেদের নামে স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৮৬ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এর বিপরীতে তাঁর গ্রহণযোগ্য আয় ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৮৩ হাজার টাকা। পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয়সহ মোট সম্পদের পরিমাণ ৫ কোটি ৩০ লাখ ৮০ হাজার ৬৫৮ টাকা বলে অনুসন্ধানে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে ১ কোটি ৯৫ লাখ ৯৭ হাজার ৯৫ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে তাঁর স্ত্রী নিগার সুলতানার নামে ৫৮ লাখ ৭৪ হাজার ৮০৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে, শেখ আমিনুর রহমানের নামে ৫ কোটি ৪৯ লাখ ৮৭ হাজার ৮৫৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে দুদক।

দুদক সূত্রের দাবি, মামুন খালেদ চাকরিকালে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থের একটি অংশ শ্যালক আমিনুর রহমানের নামে রাখার মাধ্যমে সম্পদ গড়েছেন। এ বিষয়ে অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।

দুদকের সচিব বলেন, অনুসন্ধানে পাওয়া সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।