
সীমান্তে সাম্প্রতিক কার্যক্রম ও সাফল্যের পর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং বাহিনীর নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে বিদেশি অর্থায়নে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বিজিবি। বুধবার বাহিনীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিওর ক্যাপশনে এ দাবি করা হয়।
ভিডিও বার্তায় বিজিবি জানায়, একটি স্বার্থান্বেষী মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বাহিনীর মহাপরিচালক ও বিজিবির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।
বিজিবির ভাষ্য, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাহিনীর কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে লোকজন প্রবেশ ঠেকানো, চোরাচালান ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্রের পাচার বন্ধ এবং সীমান্তে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি চালানো হচ্ছে।
একই সঙ্গে গুজব ও উসকানি প্রতিরোধের পাশাপাশি বিভিন্ন দুর্যোগে উদ্ধার তৎপরতা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা এবং সীমান্তবর্তী মানুষের জন্য মানবিক সহায়তা দেওয়ার কথাও তুলে ধরেছে বাহিনীটি।
সীমান্তে যুক্ত হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তি
বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত নজরদারি ও অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা বাড়াতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে রাডার, থার্মাল ইমেজার, নাইট ভিশন ডিভাইস ও ড্রোন।
ড্রোনের মাধ্যমে সীমান্ত পর্যবেক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট সদস্যদের প্রশিক্ষণের জন্য বিশেষায়িত ড্রোন স্কুল প্রতিষ্ঠার কথাও জানিয়েছে বিজিবি।
এ ছাড়া নন-লেথাল অস্ত্র, মাইন শনাক্তকরণ প্রযুক্তি এবং অন্যান্য আধুনিক সরঞ্জাম যুক্ত করার ফলে সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় বাহিনীর সক্ষমতা আরও বেড়েছে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।
অপপ্রচার দায়িত্ব পালনে বাধা হবে না: বিজিবি
বিজিবির বক্তব্য অনুযায়ী, এসব কার্যক্রমের মধ্যেই বাহিনী ও এর নেতৃত্বকে ঘিরে পরিকল্পিতভাবে নানা ধরনের প্রচার চালানো হচ্ছে। তবে এ ধরনের প্রচার বা চাপ তাদের দায়িত্ব পালনে কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে জানিয়েছে বিজিবি।
বাহিনীটি আরও বলেছে, জনগণের সহযোগিতা, নেতৃত্ব, শক্তিশালী চেইন অব কমান্ড এবং প্রশিক্ষিত ও পেশাদার সদস্যদের সমন্বয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব এবং সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষায় তারা দায়িত্ব পালন করে যাবে।
ভিডিও বার্তার শেষ অংশে বিজিবির পক্ষ থেকে বলা হয়, কোনো ধরনের অপপ্রচারই বাহিনীর দায়িত্ব পালনের ধারাবাহিকতা থামাতে পারবে না।
অধিকার ডেস্কঃ 























