ঢাকা ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
বাগেরহাটে নসিমনের সঙ্গে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩ গাজীপুরে চকলেটের প্রলোভনে শিশু অপহরণচেষ্টা, আনসার সদস্যদের তৎপরতায় উদ্ধার লক্ষ্মীপুরে যুবদলকর্মীকে অচেতন করে ব্লেড দিয়ে শরীরে জখম দেশের অর্থনীতি একাধিক চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী নিজেদের কর্মকাণ্ডের জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহি করা সরকারের দায়িত্ব: ড. মঈন খান ভৈরবে প্রবাসী যুবকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও চাঁদা দাবির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন গাজীপুরে পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৭০ জনকে উদ্ধার পাবনায় রাসায়নিকে তৈরি হচ্ছে নকল দুধ! গোবরাতলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান সিলেটে ডেঙ্গু নিয়ে বাড়ছে আতঙ্ক

আশুলিয়ায় বিএনপির অব্যাহতি নিয়ে বিরোধ, বহিষ্কৃত নেতার সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৫:৪৯:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২৩৮ Time View

আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন মুন্সীকে অব্যাহতি দেওয়ার ঘোষণা নিয়ে স্থানীয় বিএনপিতে বিরোধ দেখা দিয়েছে।

আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. জাকির হোসেন মুন্সীকে অব্যাহতি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি দাবি করা মোখলেছুর রহমান খান ইলিয়াস শাহী। তবে ইলিয়াস শাহী নিজেই দলীয় পদ থেকে বহিষ্কৃত বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থানীয় নেতারা। ফলে তার দেওয়া অব্যাহতি নিয়ে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে আশুলিয়ার শ্রীপুর এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করে জাকির হোসেন মুন্সীকে অব্যাহতি দেওয়ার কথা জানান ইলিয়াস শাহী।

জানা যায়, সম্প্রতি আশুলিয়ার শ্রীপুর এলাকায় একটি মাদরাসায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. জাকির হোসেন মুন্সীর নাম আসে। এরপর ইলিয়াস শাহী সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে একটি নোটিশ দিয়ে তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার ঘোষণা দেন।

ইলিয়াস শাহী দাবি করেন, মাদরাসায় হামলার ঘটনা ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জাকির হোসেনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এ ছাড়া এর আগে তার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির তিনটি অভিযোগ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন ইলিয়াস শাহী।

নিজের বহিষ্কারের বিষয়টি অস্বীকার করে ইলিয়াস শাহী বলেন, তিনি এখনো পদে বহাল আছেন এবং দলীয় স্বার্থেই জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে অব্যাহতির বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছেন জাকির হোসেন মুন্সী। তিনি বলেন, ‘যিনি নিজেই দল থেকে বহিষ্কৃত তিনি কীভাবে আরেকজনকে পদ থেকে অব্যাহতি দেন? উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একটি পক্ষ মনগড়া নোটিশ তৈরি করে অপপ্রচার চালাচ্ছে।’

এদিকে, ইলিয়াস শাহীকে বহিষ্কৃত নেতা দাবি করে তার দেওয়া অব্যাহতি নোটিশের সাংগঠনিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আশুলিয়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল গফুর মিয়া।

তিনি বলেন, ‘ইলিয়াস শাহী নিজেই বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত একজন ব্যক্তি। একজন বহিষ্কৃত নেতা দলের কাউকে অব্যাহতি দেওয়ার কোনো সাংগঠনিক ক্ষমতা বা এখতিয়ার রাখেন না। ফলে এই অব্যাহতির নোটিশ সম্পূর্ণ মূল্যহীন এবং এ নির্দেশ কার্যকর হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৬ মার্চ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, দলের নীতি ও আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ড এবং বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পদ থেকে মোখলেছুর রহমান খান ইলিয়াস শাহীকে বহিষ্কার করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জাকির হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে নসিমনের সঙ্গে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩

আশুলিয়ায় বিএনপির অব্যাহতি নিয়ে বিরোধ, বহিষ্কৃত নেতার সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন

প্রকাশের সময়ঃ ০৫:৪৯:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. জাকির হোসেন মুন্সীকে অব্যাহতি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি দাবি করা মোখলেছুর রহমান খান ইলিয়াস শাহী। তবে ইলিয়াস শাহী নিজেই দলীয় পদ থেকে বহিষ্কৃত বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থানীয় নেতারা। ফলে তার দেওয়া অব্যাহতি নিয়ে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে আশুলিয়ার শ্রীপুর এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করে জাকির হোসেন মুন্সীকে অব্যাহতি দেওয়ার কথা জানান ইলিয়াস শাহী।

জানা যায়, সম্প্রতি আশুলিয়ার শ্রীপুর এলাকায় একটি মাদরাসায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. জাকির হোসেন মুন্সীর নাম আসে। এরপর ইলিয়াস শাহী সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে একটি নোটিশ দিয়ে তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার ঘোষণা দেন।

ইলিয়াস শাহী দাবি করেন, মাদরাসায় হামলার ঘটনা ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জাকির হোসেনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এ ছাড়া এর আগে তার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির তিনটি অভিযোগ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন ইলিয়াস শাহী।

নিজের বহিষ্কারের বিষয়টি অস্বীকার করে ইলিয়াস শাহী বলেন, তিনি এখনো পদে বহাল আছেন এবং দলীয় স্বার্থেই জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে অব্যাহতির বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছেন জাকির হোসেন মুন্সী। তিনি বলেন, ‘যিনি নিজেই দল থেকে বহিষ্কৃত তিনি কীভাবে আরেকজনকে পদ থেকে অব্যাহতি দেন? উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একটি পক্ষ মনগড়া নোটিশ তৈরি করে অপপ্রচার চালাচ্ছে।’

এদিকে, ইলিয়াস শাহীকে বহিষ্কৃত নেতা দাবি করে তার দেওয়া অব্যাহতি নোটিশের সাংগঠনিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আশুলিয়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল গফুর মিয়া।

তিনি বলেন, ‘ইলিয়াস শাহী নিজেই বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত একজন ব্যক্তি। একজন বহিষ্কৃত নেতা দলের কাউকে অব্যাহতি দেওয়ার কোনো সাংগঠনিক ক্ষমতা বা এখতিয়ার রাখেন না। ফলে এই অব্যাহতির নোটিশ সম্পূর্ণ মূল্যহীন এবং এ নির্দেশ কার্যকর হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৬ মার্চ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, দলের নীতি ও আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ড এবং বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পদ থেকে মোখলেছুর রহমান খান ইলিয়াস শাহীকে বহিষ্কার করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জাকির হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি করা হয়।