
সিরাজগঞ্জে যমুনা সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কে পুলিশের টহল গাড়ির সামনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের দায়িত্ব পালনে কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ।
বুধবার ভোরে জেলার কামারখন্দ উপজেলার শহীদনগর বাগবাড়ি এলাকায় এ মিছিল হয়। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশের উপস্থিতি ও ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বুধবার সন্ধ্যায় ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ বলেন, যমুনা সেতুর পশ্চিম পাশে নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের মিছিলের বিষয়টি সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার তাঁকে জানিয়েছেন। ওই সময় দায়িত্ব পালনকারী টহল দল কিংবা আশপাশের থানার পুলিশ কর্মকর্তাদের কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ব্যানার নিয়ে মিছিলের সামনের সারিতে রয়েছেন কয়েকজন। ব্যানারটিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক একরামুল হকের নাম রয়েছে। মিছিলে আনুমানিক ৩৫ থেকে ৪০ জন অংশ নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভিডিওতে মিছিলকারীদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান দিতে দেখা যায়। এ সময় পুলিশের একটি টহল গাড়িকে মিছিলের সামনে দিয়ে যেতে দেখা যায়। মিছিল থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে হুমকিমূলক বক্তব্য দেওয়ার দৃশ্যও ভিডিওতে রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে দেওয়া রায়ের প্রতিবাদে মিছিলটি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় বক্তব্য জানতে যমুনা সেতু পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিরুল ইসলাম, জেলা পুলিশের মুখপাত্র এবং পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম শানতুর সরকারি মুঠোফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তাঁদের কাছ থেকে সাড়া পাওয়া যায়নি।
পুলিশের দায়িত্ব পালনে কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
রাজশাহী প্রতিনিধি 
























