ঢাকা ০২:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
জিয়া উদ্যানে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়াল সরকার, ৭ নভেম্বর থেকেই কার্যকর: মহাসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত দাম কমার পর যে দামে বাজারে বিক্রি হচ্ছে সোনার ভরি গাইবান্ধায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শিবলু গ্রেপ্তার জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্রদ্ধা আজ ছয় ঘণ্টা টোল ফ্রি থাকবে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ঘুমের সময়ে অনিয়ম থাকলে বাড়ে হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি, বলছে নতুন গবেষণা ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ ৭ নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়াল সরকার, ৭ নভেম্বর থেকেই কার্যকর: মহাসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০২:৪৮:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • ১২৪৬ Time View

বিকল্প: গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে বেতন ও আনুতোষিক বাড়ানোর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর।

গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মাসিক বেতন বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সাধারণ গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মাসিক বেতন ৭ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার ৫০০ টাকা এবং গ্রাম পুলিশ প্রধানের বেতন ৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে এ ঘোষণা দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী জানান, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর থেকেই সরকারের এসব সিদ্ধান্ত কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 বেতনের পাশাপাশি অবসরকালীন আনুতোষিকও বাড়ানো হয়েছে। সাধারণ গ্রাম পুলিশ সদস্যদের আনুতোষিক ৭০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ হাজার টাকা এবং গ্রাম পুলিশ প্রধানদের আনুতোষিক ৮০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করা হয়েছে।

 মহাসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি ইউনিয়ন ও গ্রামের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রাম পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর ভাষ্য, দায়িত্ব পালনের সুবাদে তৃণমূল পর্যায়ে কোথায় কী ঘটছে, কারা অপরাধমূলক কাজে জড়াচ্ছে বা কোথাও পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার আশঙ্কা আছে কি না, সে বিষয়ে গ্রাম পুলিশ সদস্যরা আগেভাগেই কিছু তথ্য জানতে পারেন। এসব তথ্য সময়মতো স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে জানালে জনগণের নিরাপত্তায় দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।

 প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি গ্রাম ও ইউনিয়ন নিরাপদ থাকলে পুরো বাংলাদেশই নিরাপদ থাকবে। তৃণমূল পর্যায়ে শান্তি ও স্বস্তি বজায় থাকলে তার ইতিবাচক প্রভাব সারা দেশে পড়ে। তিনি আরও বলেন, শহরায়ন বাড়লেও দেশের অধিকাংশ মানুষের শিকড় এখনো গ্রামে। দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির সঙ্গে গ্রামীণ জীবনের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তাই উন্নত, সমৃদ্ধ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর শান্তি, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা জরুরি।

 অতীতের ফ্যাসিবাদী শাসনামল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তখন শুধু রাজনৈতিক ব্যবস্থাই নয়, রাষ্ট্র ও সমাজেও ব্যাপক সামাজিক অবক্ষয় ঘটেছিল। তাঁর অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে হীনস্বার্থ ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব উসকে দিয়ে দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের মূল্যবোধ নষ্ট করা হয়েছিল। এমনকি বিভিন্ন জায়গায় পরিবারে পরিবারেও বিরোধ ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং তৃণমূল পর্যায়েও প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার পরিবেশ তৈরি হয়েছিল।

জনপ্রিয় সংবাদ

জিয়া উদ্যানে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়াল সরকার, ৭ নভেম্বর থেকেই কার্যকর: মহাসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের সময়ঃ ০২:৪৮:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মাসিক বেতন বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সাধারণ গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মাসিক বেতন ৭ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার ৫০০ টাকা এবং গ্রাম পুলিশ প্রধানের বেতন ৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে এ ঘোষণা দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী জানান, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর থেকেই সরকারের এসব সিদ্ধান্ত কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 বেতনের পাশাপাশি অবসরকালীন আনুতোষিকও বাড়ানো হয়েছে। সাধারণ গ্রাম পুলিশ সদস্যদের আনুতোষিক ৭০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ হাজার টাকা এবং গ্রাম পুলিশ প্রধানদের আনুতোষিক ৮০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করা হয়েছে।

 মহাসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি ইউনিয়ন ও গ্রামের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রাম পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর ভাষ্য, দায়িত্ব পালনের সুবাদে তৃণমূল পর্যায়ে কোথায় কী ঘটছে, কারা অপরাধমূলক কাজে জড়াচ্ছে বা কোথাও পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার আশঙ্কা আছে কি না, সে বিষয়ে গ্রাম পুলিশ সদস্যরা আগেভাগেই কিছু তথ্য জানতে পারেন। এসব তথ্য সময়মতো স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে জানালে জনগণের নিরাপত্তায় দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।

 প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি গ্রাম ও ইউনিয়ন নিরাপদ থাকলে পুরো বাংলাদেশই নিরাপদ থাকবে। তৃণমূল পর্যায়ে শান্তি ও স্বস্তি বজায় থাকলে তার ইতিবাচক প্রভাব সারা দেশে পড়ে। তিনি আরও বলেন, শহরায়ন বাড়লেও দেশের অধিকাংশ মানুষের শিকড় এখনো গ্রামে। দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির সঙ্গে গ্রামীণ জীবনের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তাই উন্নত, সমৃদ্ধ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর শান্তি, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা জরুরি।

 অতীতের ফ্যাসিবাদী শাসনামল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তখন শুধু রাজনৈতিক ব্যবস্থাই নয়, রাষ্ট্র ও সমাজেও ব্যাপক সামাজিক অবক্ষয় ঘটেছিল। তাঁর অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে হীনস্বার্থ ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব উসকে দিয়ে দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের মূল্যবোধ নষ্ট করা হয়েছিল। এমনকি বিভিন্ন জায়গায় পরিবারে পরিবারেও বিরোধ ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং তৃণমূল পর্যায়েও প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার পরিবেশ তৈরি হয়েছিল।