
লিভারজনিত জটিলতায় মারা গেছেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে নেওয়ার পর শুক্রবার (১৫ মে) দিবাগত রাতে চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কারিনার বাবা ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ। তিনি জানান, শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে পৌনে ১টার মধ্যে কারিনা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৬ মে) তার মরদেহ দেশে আনার কথা রয়েছে।
কয়েকদিন ধরেই লিভারসংক্রান্ত জটিলতায় গুরুতর অসুস্থ ছিলেন কারিনা কায়সার। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ভারতের চেন্নাই নেওয়া হয়। সেখানে ভেলোরের Christian Medical College হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল।
চিকিৎসকরা প্রথমে তার ফুসফুসের জটিলতার চিকিৎসা শুরু করেন। পরবর্তীতে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছিল বলে পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়।
পরিবারের সদস্যরা জানান, শুরুতে জ্বরে আক্রান্ত হন কারিনা। পরে তার শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। একই সঙ্গে হেপাটাইটিস এ ও ই-জনিত জটিলতার কারণে তার লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়। শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয় এবং পরে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক কনটেন্ট নির্মাতা হিসেবে পরিচিতি পাওয়া কারিনা কায়সার সাম্প্রতিক সময়ে অভিনয় ও চিত্রনাট্য রচনায়ও সক্রিয় ছিলেন। প্রাণবন্ত উপস্থাপনা ও জীবনঘনিষ্ঠ কনটেন্টের মাধ্যমে তরুণ দর্শকদের কাছে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি। পরে নাটক ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও নিজের অবস্থান তৈরি করেন।
অভিনয়ের পাশাপাশি চিত্রনাট্যকার হিসেবেও কাজ করেছেন কারিনা। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ইন্টার্নশিপ এবং ৩৬-২৪-৩৬।
কারিনার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন সহকর্মী, নির্মাতা, শিল্পী ও ভক্তরা। তার অকাল মৃত্যুতে শোবিজ অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
বিনোদন ডেস্কঃ 

























