ঢাকা ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
বেরোবিতে প্রো-ভিসি, ট্রেজারার ও রেজিস্ট্রারের বাসভবন-গেস্ট হাউজ নির্মাণকাজ উদ্বোধন বাগাতিপাড়ায় পৈতৃক সম্পত্তির ভাগ চাইতে গিয়ে মারধরের শিকার ৪ বোন ও ২ ভাবি ফুলপুরে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার, অপহরণ মামলায় গ্রেপ্তার ৩ নারী থেকে পুরুষ হওয়ার চেষ্টা, স্তন অপারেশনের পর যুবতীর মৃত্যু প্রতারণা মামলায় হাইকোর্টে জামিন পেলেন বিদিশা ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় সংসদে দুই দাবি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্য মাহবুবা হাকিমের রাষ্ট্রায়ত্ত ৬ ব্যাংকে খেলাপি ঋণের হিসাব জানালেন অর্থমন্ত্রী জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তরই বর্তমান সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ- স্পিকার একদিনে ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু, নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি ১৫৫৮

বিএসএফের গুলিতে আহত মোশাররফ চমেক হাসপাতাল থেকে উধাও

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৬:৪৬:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১২৪৪ Time View

বিএসএফের গুলিতে আহত মো. মোশাররফ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে নিখোঁজ হয়েছেন।

ফেনীর ছাগলনাইয়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর গুলিতে আহত মো. মোশাররফ (৪৫) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল থেকে নিখোঁজ হয়েছেন। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরের পর থেকে তাকে হাসপাতালের ওয়ার্ডে পাওয়া যাচ্ছে না।

মোশাররফ ছাগলনাইয়া উপজেলার জয়নগরের পচা মিয়ার বাড়ির বাসিন্দা।

এর আগে শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে পূর্ব জয়নগর সীমান্ত এলাকায় নিজের কৃষিজমিতে কাজ করার সময় বিএসএফের গুলিতে আহত হন তিনি। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শুক্রবার সন্ধ্যায় চমেক হাসপাতালে নিয়ে যান। এরপর থেকে তিনি হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি বিভাগে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ভর্তির পর মোশাররফকে ক্যাজুয়ালটি বিভাগের ৫ নম্বর শয্যায় রাখা হয়। শনিবার দুপুরের পর থেকে ওই শয্যাটি ফাঁকা পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেখানে তার দুটি এক্স-রে ফিল্ম ও কিছু ওষুধের প্যাকেট পড়ে ছিল।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন মোশাররফের হাসপাতাল থেকে চলে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শনিবার দুপুর পর্যন্ত চিকিৎসক ও নার্সরা তাকে চিকিৎসা দিয়েছেন। তারা ধারণা করেছিলেন, কোনো প্রয়োজনে তিনি হয়তো বাইরে গেছেন এবং পরে ফিরে আসবেন। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা পার হলেও বিকেল পর্যন্ত তিনি আর হাসপাতালে ফেরেননি।

মোশাররফের পাশের শয্যার রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, শনিবার সকাল থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীরা তার সঙ্গে কথা বলতে আসছিলেন। তবে দুপুরের পর তাকে আর শয্যায় দেখা যায়নি। চিকিৎসক ও নার্সরা আশপাশে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি।

ক্যাজুয়ালটি বিভাগের চিকিৎসকদের ভাষ্য, মোশাররফের শরীরে আনুমানিক ৮০ থেকে ১০০টি ছররা গুলির আঘাত রয়েছে।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক জানান, ছাগলনাইয়ার জয়নগরের পচা মিয়ার বাড়ির মৃত মো. মোস্তফার ছেলে মোশাররফ নিজের কৃষিজমিতে কাজ করার সময় বিএসএফের গুলিতে আহত হন। গুলির একটি অংশ তার পিঠের বাঁ পাশে লাগে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসকরা ক্যাজুয়ালটি বিভাগে ভর্তি করেন।

তিনি আরও জানান, চিকিৎসকরা মোশাররফের শরীর থেকে গুলির কিছু অংশ বের করেছেন। তবে আরও কিছু গুলির অংশ শরীরের ভেতরে রয়েছে। শনিবার দুপুরের পর তাকে শয্যায় না পাওয়ার বিষয়টি জানার পর হাসপাতাল পুলিশও বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। কী কারণে কাউকে না জানিয়ে তিনি হাসপাতাল থেকে চলে গেছেন, তা এখনো জানা যায়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বেরোবিতে প্রো-ভিসি, ট্রেজারার ও রেজিস্ট্রারের বাসভবন-গেস্ট হাউজ নির্মাণকাজ উদ্বোধন

বিএসএফের গুলিতে আহত মোশাররফ চমেক হাসপাতাল থেকে উধাও

প্রকাশের সময়ঃ ০৬:৪৬:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফেনীর ছাগলনাইয়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর গুলিতে আহত মো. মোশাররফ (৪৫) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল থেকে নিখোঁজ হয়েছেন। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরের পর থেকে তাকে হাসপাতালের ওয়ার্ডে পাওয়া যাচ্ছে না।

মোশাররফ ছাগলনাইয়া উপজেলার জয়নগরের পচা মিয়ার বাড়ির বাসিন্দা।

এর আগে শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে পূর্ব জয়নগর সীমান্ত এলাকায় নিজের কৃষিজমিতে কাজ করার সময় বিএসএফের গুলিতে আহত হন তিনি। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শুক্রবার সন্ধ্যায় চমেক হাসপাতালে নিয়ে যান। এরপর থেকে তিনি হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি বিভাগে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ভর্তির পর মোশাররফকে ক্যাজুয়ালটি বিভাগের ৫ নম্বর শয্যায় রাখা হয়। শনিবার দুপুরের পর থেকে ওই শয্যাটি ফাঁকা পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেখানে তার দুটি এক্স-রে ফিল্ম ও কিছু ওষুধের প্যাকেট পড়ে ছিল।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন মোশাররফের হাসপাতাল থেকে চলে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শনিবার দুপুর পর্যন্ত চিকিৎসক ও নার্সরা তাকে চিকিৎসা দিয়েছেন। তারা ধারণা করেছিলেন, কোনো প্রয়োজনে তিনি হয়তো বাইরে গেছেন এবং পরে ফিরে আসবেন। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা পার হলেও বিকেল পর্যন্ত তিনি আর হাসপাতালে ফেরেননি।

মোশাররফের পাশের শয্যার রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, শনিবার সকাল থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীরা তার সঙ্গে কথা বলতে আসছিলেন। তবে দুপুরের পর তাকে আর শয্যায় দেখা যায়নি। চিকিৎসক ও নার্সরা আশপাশে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি।

ক্যাজুয়ালটি বিভাগের চিকিৎসকদের ভাষ্য, মোশাররফের শরীরে আনুমানিক ৮০ থেকে ১০০টি ছররা গুলির আঘাত রয়েছে।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক জানান, ছাগলনাইয়ার জয়নগরের পচা মিয়ার বাড়ির মৃত মো. মোস্তফার ছেলে মোশাররফ নিজের কৃষিজমিতে কাজ করার সময় বিএসএফের গুলিতে আহত হন। গুলির একটি অংশ তার পিঠের বাঁ পাশে লাগে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসকরা ক্যাজুয়ালটি বিভাগে ভর্তি করেন।

তিনি আরও জানান, চিকিৎসকরা মোশাররফের শরীর থেকে গুলির কিছু অংশ বের করেছেন। তবে আরও কিছু গুলির অংশ শরীরের ভেতরে রয়েছে। শনিবার দুপুরের পর তাকে শয্যায় না পাওয়ার বিষয়টি জানার পর হাসপাতাল পুলিশও বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। কী কারণে কাউকে না জানিয়ে তিনি হাসপাতাল থেকে চলে গেছেন, তা এখনো জানা যায়নি।