ঢাকা ০৯:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক

রাজশাহী-৩ আসনে মিলনকে মনোনয়ন দেওয়ায় বিএনপির নেতাকর্মীদের আনন্দ মিছিল

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে এ্যাড. শফিকুল হক মিলনের নাম ঘোষণার পর উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেছে বিএনপি নেতাকর্মীরা। দীর্ঘদিন ধরে মাঠে থাকা এই জনপ্রিয় নেতাকে মনোনয়ন দেওয়ায় এলাকায় দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। তিনি অনেক আগে থেকেই এ আসনের জন্য মাঠে রয়েছেন। এর আগেও ২০১৮ সালের নির্বাচনেও তিনি এ আসনেই মনোনয়ন পেয়েছিলেন। ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বিকেলে মহানগর বিএনপি ও পবা-মোহনপুর উপজেলা বিএনপির যৌথ উদ্যোগে এ আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটি নগরীর বাটার মোড় থেকে শুরু হয়ে মালোপাড়া, সোনাদিঘী মোড়, মনি চত্বর, সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট ও গণকপাড়া প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় বাটার মোড়ে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। আনন্দ মিছিল ও সমাবেশে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন। শফিকুল হক মিলনের পক্ষে স্লোগানে মুখর ছিল পুরো এলাকা। এসময় বক্তারা রাজশাহী-২ (সদর) আসনের জন্য মিজানুর রহমান মিনুকে মনোনীত করার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বোয়ালিয়া থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান পিন্টু বলেন, “এ্যাড. শফিকুল হক মিলন হচ্ছেন ত্যাগী, যোগ্য ও জনবান্ধব নেতা। তিনি বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামের একনিষ্ঠ সৈনিক। তাকে মনোনীত করে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব জনগণের প্রত্যাশাকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করেছেন। শফিকুল হক মিলন অনেক আগে থেকেই এ আসনের জন্য মাঠে রয়েছেন। এর আগেও ২০১৮ সালের নির্বাচনেও তিনি এ আসনেই মনোনয়ন পেয়েছিলেন। তাই রাজশাহী-৩ আসনের জনগণ ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, ইনশাআল্লাহ আগামীর নির্বাচনে মিলন ভাইকে বিজয়ী করা হবে।”
প্রধান বক্তা রাজশাহী মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সুইট বলেন, “এ্যাড. শফিকুল হক মিলন পবা-মোহনপুর প্রতিটি মানুষের হৃদয়ের জায়গা করে নিয়েছে। তিনি জনগণের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা একজন জননন্দিত নেতা। তিনি হঠাৎ করে তৈরি হন নাই।

তার বিগত ৪০ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাস রয়েছে। তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের তিলে তিলে গড়ে উঠেছেন। তাকে মনোনয়ন দেয়ায় পবা-মোহনপুরের পাশাপাশি রাজশাহীর প্রত্যেকটি জনগণ আনন্দিত হয়েছেন। রাজশাহী-৩ আসনের জন্য এইরকম একজন যোগ্যতা নেতাকে বেছে নেয়ার জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
তিনি বলেন, রাজশাহী- ৩ আসনে কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী বিভাজনের রাজনীতি করতে চায়। তারা বিএনপিকে দুর্বল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। কিন্তু জনগণ এখন সচেতন, তারা আর প্রতারণায় বিশ্বাস করে না। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের পক্ষে লড়ব, মিলন ভাইয়ের নেতৃত্বেই রাজশাহীতে পরিবর্তনের স্রোত বইবে।”

ধানের শীষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বক্তারা বলেন, “রাজশাহীর মাটি বিএনপির ঘাঁটি, ধানের শীষের ঘাঁটি। যারা দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন, তাদের কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। তাদের পিঠে চামড়া থাকবে না, রাজশাহীর মাটিতে তাদের ঠাঁই হবে না। এখানে কোন ষড়যন্ত্রকারী ঠাঁই হবে না।”
বক্তারা আরও বলেন, “শফিকুল হক মিলন শুধু পবা-মোহনপুর নয়, কেন্দ্রীয় বিএনপির রাজনীতিতেও গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় নেতা। যারা রাজশাহীর রাজনীতিতে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তাদের কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।”
সভাপতিত্ব করেন মতিহার থানা বিএনপির সভাপতি আনসার আলী আনসার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দল রাজশাহী জেলার সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন রিমন, মতিহার থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন, রাজপাড়া থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি শওকত আলী, যুবদল রাজশাহী জেলার সাবেক সভাপতি মোজাদ্দেক জামানি সুমন, এবং বোয়ালিয়া থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন দিলদার।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

রাজশাহী-৩ আসনে মিলনকে মনোনয়ন দেওয়ায় বিএনপির নেতাকর্মীদের আনন্দ মিছিল

প্রকাশের সময়ঃ ০৩:৫৩:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে এ্যাড. শফিকুল হক মিলনের নাম ঘোষণার পর উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেছে বিএনপি নেতাকর্মীরা। দীর্ঘদিন ধরে মাঠে থাকা এই জনপ্রিয় নেতাকে মনোনয়ন দেওয়ায় এলাকায় দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। তিনি অনেক আগে থেকেই এ আসনের জন্য মাঠে রয়েছেন। এর আগেও ২০১৮ সালের নির্বাচনেও তিনি এ আসনেই মনোনয়ন পেয়েছিলেন। ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বিকেলে মহানগর বিএনপি ও পবা-মোহনপুর উপজেলা বিএনপির যৌথ উদ্যোগে এ আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটি নগরীর বাটার মোড় থেকে শুরু হয়ে মালোপাড়া, সোনাদিঘী মোড়, মনি চত্বর, সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট ও গণকপাড়া প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় বাটার মোড়ে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। আনন্দ মিছিল ও সমাবেশে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন। শফিকুল হক মিলনের পক্ষে স্লোগানে মুখর ছিল পুরো এলাকা। এসময় বক্তারা রাজশাহী-২ (সদর) আসনের জন্য মিজানুর রহমান মিনুকে মনোনীত করার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বোয়ালিয়া থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান পিন্টু বলেন, “এ্যাড. শফিকুল হক মিলন হচ্ছেন ত্যাগী, যোগ্য ও জনবান্ধব নেতা। তিনি বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামের একনিষ্ঠ সৈনিক। তাকে মনোনীত করে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব জনগণের প্রত্যাশাকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করেছেন। শফিকুল হক মিলন অনেক আগে থেকেই এ আসনের জন্য মাঠে রয়েছেন। এর আগেও ২০১৮ সালের নির্বাচনেও তিনি এ আসনেই মনোনয়ন পেয়েছিলেন। তাই রাজশাহী-৩ আসনের জনগণ ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, ইনশাআল্লাহ আগামীর নির্বাচনে মিলন ভাইকে বিজয়ী করা হবে।”
প্রধান বক্তা রাজশাহী মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সুইট বলেন, “এ্যাড. শফিকুল হক মিলন পবা-মোহনপুর প্রতিটি মানুষের হৃদয়ের জায়গা করে নিয়েছে। তিনি জনগণের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা একজন জননন্দিত নেতা। তিনি হঠাৎ করে তৈরি হন নাই।

তার বিগত ৪০ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাস রয়েছে। তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের তিলে তিলে গড়ে উঠেছেন। তাকে মনোনয়ন দেয়ায় পবা-মোহনপুরের পাশাপাশি রাজশাহীর প্রত্যেকটি জনগণ আনন্দিত হয়েছেন। রাজশাহী-৩ আসনের জন্য এইরকম একজন যোগ্যতা নেতাকে বেছে নেয়ার জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
তিনি বলেন, রাজশাহী- ৩ আসনে কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী বিভাজনের রাজনীতি করতে চায়। তারা বিএনপিকে দুর্বল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। কিন্তু জনগণ এখন সচেতন, তারা আর প্রতারণায় বিশ্বাস করে না। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের পক্ষে লড়ব, মিলন ভাইয়ের নেতৃত্বেই রাজশাহীতে পরিবর্তনের স্রোত বইবে।”

ধানের শীষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বক্তারা বলেন, “রাজশাহীর মাটি বিএনপির ঘাঁটি, ধানের শীষের ঘাঁটি। যারা দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন, তাদের কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। তাদের পিঠে চামড়া থাকবে না, রাজশাহীর মাটিতে তাদের ঠাঁই হবে না। এখানে কোন ষড়যন্ত্রকারী ঠাঁই হবে না।”
বক্তারা আরও বলেন, “শফিকুল হক মিলন শুধু পবা-মোহনপুর নয়, কেন্দ্রীয় বিএনপির রাজনীতিতেও গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় নেতা। যারা রাজশাহীর রাজনীতিতে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তাদের কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।”
সভাপতিত্ব করেন মতিহার থানা বিএনপির সভাপতি আনসার আলী আনসার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দল রাজশাহী জেলার সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন রিমন, মতিহার থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন, রাজপাড়া থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি শওকত আলী, যুবদল রাজশাহী জেলার সাবেক সভাপতি মোজাদ্দেক জামানি সুমন, এবং বোয়ালিয়া থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন দিলদার।