
বাজারে শীতের সবজির সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। এতে বেশ কয়েক প্রকার সবজির দাম কিছুটা কমেছে। এর প্রভাব পড়ছে ডিমের বাজারেও। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম ডজনে কমেছে পাঁচ টাকা। গত সপ্তাহে হঠাৎ অস্থির হলেও পেঁয়াজের দাম কেজিতে পাঁচ টাকা কমেছে। তবে আট-দশ দিন আগের তুলনায় কেজিতে ৩০ টাকার মতো বেশি রয়েছে। গতকাল বুধবার রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, শীতের সবজি শিম, মুলা, ফুলকপি ও বাঁধাকপির সরবরাহ বেড়েছে। ফলে সবজির দাম কমছে। ১৫ থেকে ২০ দিন আগে বেশির ভাগ সবজির দাম ছিল ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে। কয়েকটির দাম শতকও ছাড়িয়েছিল। এখন অনেকটা স্থিতিশীল হয়ে আসছে বাজার। কয়েকটির দর ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।
কারওয়ান বাজারের সবজি ব্যবসায়ী ইদ্রিস আলী বলেন, ফুলকপি আগের চেয়ে বেশি আসছে। বিভিন্ন জেলা থেকে শিমও আসছে। এ জন্য দাম কমছে।
সবজির দর কমায় ডিম ও মুরগির বাজারেও কিছুটা স্বস্তির আভাস মিলছে। গত সপ্তাহে ফার্মের প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হয় ১৩৫ টাকায়। গতকাল বিক্রি হয়েছে ১৩০ টাকায়। টিসিবির তথ্য বলছে, এক বছরের ব্যবধানে ডিমের দর কমেছে ৫ শতাংশের বেশি। এ ছাড়া ১৫-২০ দিনের ব্যবধানে কেজিতে ১০ টাকা কমে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৭০ এবং সোনালি জাতের মুরগির কেজি ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা। মাছ-মাংসের বাজারে তেমন পরিবর্তন দেখা যায়নি। প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
মানভেদে প্রতি কেজি পেঁয়াজ কেনা যাচ্ছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকায়। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকার আমদানির হুঁশিয়ারি দেওয়ার কারণে বাজার স্থির রয়েছে। আদা-রসুনের দামে তেমন পরিবর্তন নেই। বাজারে দেশি রসুনের কেজি ১০০ থেকে ১৪০ এবং আমদানি করা রসুনের কেজি ১৬০ থেকে ২০০ টাকা। আদার দাম কেজি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। এ ছাড়া চাল, ডাল, তেল, চিনির বাজার আগের মতোই।
দৈনিক অধিকার ডেক্সঃ 















