ঢাকা ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
আইনি অনুমোদন ছাড়াই চলছে প্রায় সাত শ স্লিপার বাস কুমিল্লায় হঠাৎ ছাপাখানা পরিদর্শনে শিক্ষামন্ত্রী ইবি থেকে প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত ২৪ শিক্ষার্থী ডেঙ্গু ঠেকাতে পৌরসভা টিম ৪ এর ঝটিকা অভিযান, সরানো হলো জমে থাকা পানি ফুটপাত কার, নগরবাসীর নাকি দখলদারের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের দাবিতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিক্ষোভ জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে জাতীয় স্বীকৃতি পেল চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন আশুলিয়া থেকে নিখোঁজ শিশু তিন দিন পর ময়মনসিংহে উদ্ধার, দম্পতি আটক শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধায় সরকার কার্পণ্য করবে না: এলজিআরডি মন্ত্রী ময়মনসিংহে মাদক নিয়ে বিরোধে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন, গ্রেপ্তার ১

সবজির সরবরাহ বাড়ছে, কমেছে ডিমের দাম

বাজারে শীতের সবজির সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। এতে বেশ কয়েক প্রকার সবজির দাম কিছুটা কমেছে। এর প্রভাব পড়ছে ডিমের বাজারেও। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম ডজনে কমেছে পাঁচ টাকা। গত সপ্তাহে হঠাৎ অস্থির হলেও পেঁয়াজের দাম কেজিতে পাঁচ টাকা কমেছে। তবে আট-দশ দিন আগের তুলনায় কেজিতে ৩০ টাকার মতো বেশি রয়েছে। গতকাল বুধবার রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, শীতের সবজি শিম, মুলা, ফুলকপি ও বাঁধাকপির সরবরাহ বেড়েছে। ফলে সবজির দাম কমছে। ১৫ থেকে ২০ দিন আগে বেশির ভাগ সবজির দাম ছিল ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে। কয়েকটির দাম শতকও ছাড়িয়েছিল। এখন অনেকটা স্থিতিশীল হয়ে আসছে বাজার। কয়েকটির দর ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।

এক-দেড় মাস আগে থেকে বাজারে আসা শুরু করেছে শিম, মুলা, ফুলকপি ও বাঁধাকপি। শুরুর দিকে এসব সবজির দাম বেশি থাকলেও এখন অনেকটা কম। শিম প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় কেনা যাচ্ছে। ছোট আকারের প্রতি পিস ফুলকপি ও বাঁধাকপি মিলছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। মুলার কেজি ৩০ টাকার কাছাকাছি। এসব সবজির সরবরাহ বেশি থাকায় অন্য সবজিগুলোর দর স্বাভাবিক। প্রতি কেজি বরবটি, উচ্ছে ও কাঁকরোল কেনা যাচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। ঢ্যাঁড়শ ও পটোল বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। কাঁচামরিচের কেজি ১০০ থেকে ১৪০ টাকা।

কারওয়ান বাজারের সবজি ব্যবসায়ী ইদ্রিস আলী বলেন, ফুলকপি আগের চেয়ে বেশি আসছে। বিভিন্ন জেলা থেকে শিমও আসছে। এ জন্য দাম কমছে।

সবজির দর কমায় ডিম ও মুরগির বাজারেও কিছুটা স্বস্তির আভাস মিলছে। গত সপ্তাহে ফার্মের প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হয় ১৩৫ টাকায়। গতকাল বিক্রি হয়েছে ১৩০ টাকায়। টিসিবির তথ্য বলছে, এক বছরের ব্যবধানে ডিমের দর কমেছে ৫ শতাংশের বেশি। এ ছাড়া ১৫-২০ দিনের ব্যবধানে কেজিতে ১০ টাকা কমে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৭০ এবং সোনালি জাতের মুরগির কেজি ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা। মাছ-মাংসের বাজারে তেমন পরিবর্তন দেখা যায়নি। প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
মানভেদে প্রতি কেজি পেঁয়াজ কেনা যাচ্ছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকায়। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকার আমদানির হুঁশিয়ারি দেওয়ার কারণে বাজার স্থির রয়েছে। আদা-রসুনের দামে তেমন পরিবর্তন নেই। বাজারে দেশি রসুনের কেজি ১০০ থেকে ১৪০ এবং আমদানি করা রসুনের কেজি ১৬০ থেকে ২০০ টাকা। আদার দাম কেজি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। এ ছাড়া চাল, ডাল, তেল, চিনির বাজার আগের মতোই।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

আইনি অনুমোদন ছাড়াই চলছে প্রায় সাত শ স্লিপার বাস

সবজির সরবরাহ বাড়ছে, কমেছে ডিমের দাম

প্রকাশের সময়ঃ ০৪:৫৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

বাজারে শীতের সবজির সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। এতে বেশ কয়েক প্রকার সবজির দাম কিছুটা কমেছে। এর প্রভাব পড়ছে ডিমের বাজারেও। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম ডজনে কমেছে পাঁচ টাকা। গত সপ্তাহে হঠাৎ অস্থির হলেও পেঁয়াজের দাম কেজিতে পাঁচ টাকা কমেছে। তবে আট-দশ দিন আগের তুলনায় কেজিতে ৩০ টাকার মতো বেশি রয়েছে। গতকাল বুধবার রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, শীতের সবজি শিম, মুলা, ফুলকপি ও বাঁধাকপির সরবরাহ বেড়েছে। ফলে সবজির দাম কমছে। ১৫ থেকে ২০ দিন আগে বেশির ভাগ সবজির দাম ছিল ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে। কয়েকটির দাম শতকও ছাড়িয়েছিল। এখন অনেকটা স্থিতিশীল হয়ে আসছে বাজার। কয়েকটির দর ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।

এক-দেড় মাস আগে থেকে বাজারে আসা শুরু করেছে শিম, মুলা, ফুলকপি ও বাঁধাকপি। শুরুর দিকে এসব সবজির দাম বেশি থাকলেও এখন অনেকটা কম। শিম প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় কেনা যাচ্ছে। ছোট আকারের প্রতি পিস ফুলকপি ও বাঁধাকপি মিলছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। মুলার কেজি ৩০ টাকার কাছাকাছি। এসব সবজির সরবরাহ বেশি থাকায় অন্য সবজিগুলোর দর স্বাভাবিক। প্রতি কেজি বরবটি, উচ্ছে ও কাঁকরোল কেনা যাচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। ঢ্যাঁড়শ ও পটোল বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। কাঁচামরিচের কেজি ১০০ থেকে ১৪০ টাকা।

কারওয়ান বাজারের সবজি ব্যবসায়ী ইদ্রিস আলী বলেন, ফুলকপি আগের চেয়ে বেশি আসছে। বিভিন্ন জেলা থেকে শিমও আসছে। এ জন্য দাম কমছে।

সবজির দর কমায় ডিম ও মুরগির বাজারেও কিছুটা স্বস্তির আভাস মিলছে। গত সপ্তাহে ফার্মের প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হয় ১৩৫ টাকায়। গতকাল বিক্রি হয়েছে ১৩০ টাকায়। টিসিবির তথ্য বলছে, এক বছরের ব্যবধানে ডিমের দর কমেছে ৫ শতাংশের বেশি। এ ছাড়া ১৫-২০ দিনের ব্যবধানে কেজিতে ১০ টাকা কমে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৭০ এবং সোনালি জাতের মুরগির কেজি ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা। মাছ-মাংসের বাজারে তেমন পরিবর্তন দেখা যায়নি। প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
মানভেদে প্রতি কেজি পেঁয়াজ কেনা যাচ্ছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকায়। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকার আমদানির হুঁশিয়ারি দেওয়ার কারণে বাজার স্থির রয়েছে। আদা-রসুনের দামে তেমন পরিবর্তন নেই। বাজারে দেশি রসুনের কেজি ১০০ থেকে ১৪০ এবং আমদানি করা রসুনের কেজি ১৬০ থেকে ২০০ টাকা। আদার দাম কেজি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। এ ছাড়া চাল, ডাল, তেল, চিনির বাজার আগের মতোই।