ঢাকা ০১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
বাগেরহাটে নসিমনের সঙ্গে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩ গাজীপুরে চকলেটের প্রলোভনে শিশু অপহরণচেষ্টা, আনসার সদস্যদের তৎপরতায় উদ্ধার লক্ষ্মীপুরে যুবদলকর্মীকে অচেতন করে ব্লেড দিয়ে শরীরে জখম দেশের অর্থনীতি একাধিক চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী নিজেদের কর্মকাণ্ডের জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহি করা সরকারের দায়িত্ব: ড. মঈন খান ভৈরবে প্রবাসী যুবকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও চাঁদা দাবির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন গাজীপুরে পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৭০ জনকে উদ্ধার পাবনায় রাসায়নিকে তৈরি হচ্ছে নকল দুধ! গোবরাতলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান সিলেটে ডেঙ্গু নিয়ে বাড়ছে আতঙ্ক

যারা তাকওয়াবান- তাদের প্রশাসক বানাতে হবে-ধর্ম উপদেষ্টা

রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে মসজিদ মিশন আয়োজিত ‘মুসলিম পারিবারিক আইনঃ পরিপ্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনার-ছবি।

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, প্রশাসন ও রাজনীতির সঙ্গে ধর্মের প্রভাব থাকা জরুরি। রাজনীতি ও প্রশাসনে যদি ধর্মের প্রভাব রাখতে পারি, তাহলে আমাদের সমাজের চেহারা পাল্টে যাবে। সোমবার রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে মসজিদ মিশন আয়োজিত ‘মুসলিম পারিবারিক আইন : পরিপ্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, একমাত্র যাদের অন্তরে আল্লাহভীতি আছে, যারা তাকওয়াবান, তাদের প্রশাসক বানাতে হবে। এমপি-মন্ত্রী ও স্পিকার বানাতে হবে। তাহলেই শরিয়াহ আইন প্রতিপালন সম্ভব হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। দমন-নিপীড়ন ও দণ্ডবিধি প্রয়োগ করে ইসলামের শাশ্বত আদর্শকে কোনোদিন দমন করা যায় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, বহু বছর পর আমাদের সামনে একটা সম্ভাবনা এসেছে, এটাকে কাজে লাগাতে চাই। আমরা সাহস হারাব না। আমরা একটি আদর্শিক রাষ্ট্র চাই, যেখানে রাজনীতিবিদ, ক্ষমতাশালী ব্যক্তি, এমপি-মন্ত্রী ও ব্যবসায়ীরা যেন চোর না হন। ড. খালিদ বলেন, নিপীড়ন-নির্যাতনের পরও আলেম-ওলামা, ইসলামি শক্তি মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সাহস পেয়েছে। পূর্ব দিগন্তে নতুন সূর্য উঁকি দিচ্ছে, ওঠা বাকি মাত্র। এখন ঐক্য ধরে রাখতে হবে। দেশের আলেম-ওলামারা যদি পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও ঐক্য হারিয়ে ফেলে, তাহলে আমরা ঝরে যাব। মসজিদ মিশনের সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা যাইনুল আবেদীনের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নাসরুল্লাহ। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ড. মুহাম্মাদ খলিলুর রহমান মাদানীর পরিচালনায় সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. এবিএম মাহবুবুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য প্রদান করেনÑইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শামছুল আলম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আ. ছালাম খান।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে নসিমনের সঙ্গে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩

যারা তাকওয়াবান- তাদের প্রশাসক বানাতে হবে-ধর্ম উপদেষ্টা

প্রকাশের সময়ঃ ০৭:৫১:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, প্রশাসন ও রাজনীতির সঙ্গে ধর্মের প্রভাব থাকা জরুরি। রাজনীতি ও প্রশাসনে যদি ধর্মের প্রভাব রাখতে পারি, তাহলে আমাদের সমাজের চেহারা পাল্টে যাবে। সোমবার রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে মসজিদ মিশন আয়োজিত ‘মুসলিম পারিবারিক আইন : পরিপ্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, একমাত্র যাদের অন্তরে আল্লাহভীতি আছে, যারা তাকওয়াবান, তাদের প্রশাসক বানাতে হবে। এমপি-মন্ত্রী ও স্পিকার বানাতে হবে। তাহলেই শরিয়াহ আইন প্রতিপালন সম্ভব হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। দমন-নিপীড়ন ও দণ্ডবিধি প্রয়োগ করে ইসলামের শাশ্বত আদর্শকে কোনোদিন দমন করা যায় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, বহু বছর পর আমাদের সামনে একটা সম্ভাবনা এসেছে, এটাকে কাজে লাগাতে চাই। আমরা সাহস হারাব না। আমরা একটি আদর্শিক রাষ্ট্র চাই, যেখানে রাজনীতিবিদ, ক্ষমতাশালী ব্যক্তি, এমপি-মন্ত্রী ও ব্যবসায়ীরা যেন চোর না হন। ড. খালিদ বলেন, নিপীড়ন-নির্যাতনের পরও আলেম-ওলামা, ইসলামি শক্তি মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সাহস পেয়েছে। পূর্ব দিগন্তে নতুন সূর্য উঁকি দিচ্ছে, ওঠা বাকি মাত্র। এখন ঐক্য ধরে রাখতে হবে। দেশের আলেম-ওলামারা যদি পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও ঐক্য হারিয়ে ফেলে, তাহলে আমরা ঝরে যাব। মসজিদ মিশনের সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা যাইনুল আবেদীনের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নাসরুল্লাহ। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ড. মুহাম্মাদ খলিলুর রহমান মাদানীর পরিচালনায় সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. এবিএম মাহবুবুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য প্রদান করেনÑইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শামছুল আলম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আ. ছালাম খান।