ঢাকা ০২:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

“ঐতিহ্যের ২৭ বছরের পথচলা- আত্মপরিচয় খুঁজে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য উৎসব”

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হলো বিভাগটির ২৭ বছর পূর্তি উৎসব। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল- “ঐতিহ্যের পথ চলার ২৭ বছর, ফোকলোরে খুঁজি জাতির আত্মপরিচয়।”দিনব্যাপী উৎসবের অংশ হিসেবে সকালে বিভাগের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অ্যালামনাই অংশ নেন। পরে কেক কেটে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফোকলোর বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডক্টর জাহাঙ্গীর হোসেন, অধ্যাপক ডক্টর আখতার হোসেন, অধ্যাপক ডক্টর সুস্মিতা চক্রবর্তী, অধ্যাপক ডক্টর আমিরুল ইসলাম কনক, প্রফেসর ড. মোবাররা সিদ্দিকী এবং প্রফেসর ডক্টর ফারজানা রহমান।বক্তারা বলেন, দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং অগ্রগতির ধারায় ফোকলোর বিভাগ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক গবেষণা, লোকায়ত জ্ঞান সংরক্ষণ এবং সৃজনশীল কর্মচর্চার মাধ্যমে এই বিভাগ জাতির আত্মপরিচয় নির্মাণে ভূমিকা রাখছে। তাঁরা আরও জানান, শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গঠনে বিভাগ আরও সৃজনশীল ও গবেষণা-ভিত্তিক কার্যক্রম জোরদার করবে।উৎসবটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মিলনমেলায় পরিণত হয়, যেখানে অতীতের স্মৃতি ও ভবিষ্যতের নতুন স্বপ্নে মেতে ওঠেন শিক্ষক–শিক্ষার্থীরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

“ঐতিহ্যের ২৭ বছরের পথচলা- আত্মপরিচয় খুঁজে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য উৎসব”

প্রকাশের সময়ঃ ০৩:০৬:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হলো বিভাগটির ২৭ বছর পূর্তি উৎসব। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল- “ঐতিহ্যের পথ চলার ২৭ বছর, ফোকলোরে খুঁজি জাতির আত্মপরিচয়।”দিনব্যাপী উৎসবের অংশ হিসেবে সকালে বিভাগের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অ্যালামনাই অংশ নেন। পরে কেক কেটে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফোকলোর বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডক্টর জাহাঙ্গীর হোসেন, অধ্যাপক ডক্টর আখতার হোসেন, অধ্যাপক ডক্টর সুস্মিতা চক্রবর্তী, অধ্যাপক ডক্টর আমিরুল ইসলাম কনক, প্রফেসর ড. মোবাররা সিদ্দিকী এবং প্রফেসর ডক্টর ফারজানা রহমান।বক্তারা বলেন, দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং অগ্রগতির ধারায় ফোকলোর বিভাগ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক গবেষণা, লোকায়ত জ্ঞান সংরক্ষণ এবং সৃজনশীল কর্মচর্চার মাধ্যমে এই বিভাগ জাতির আত্মপরিচয় নির্মাণে ভূমিকা রাখছে। তাঁরা আরও জানান, শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গঠনে বিভাগ আরও সৃজনশীল ও গবেষণা-ভিত্তিক কার্যক্রম জোরদার করবে।উৎসবটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মিলনমেলায় পরিণত হয়, যেখানে অতীতের স্মৃতি ও ভবিষ্যতের নতুন স্বপ্নে মেতে ওঠেন শিক্ষক–শিক্ষার্থীরা।