ঢাকা ১০:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
দাম কমার পর যে দামে বাজারে বিক্রি হচ্ছে সোনার ভরি গাইবান্ধায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শিবলু গ্রেপ্তার জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্রদ্ধা আজ ছয় ঘণ্টা টোল ফ্রি থাকবে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ঘুমের সময়ে অনিয়ম থাকলে বাড়ে হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি, বলছে নতুন গবেষণা ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ ৭ নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সাংবাদিক হেনস্তা: প্রশ্ন করাই কি অপরাধ? জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াডের দিনাজপুর অঞ্চলে সেরা ১০-এ বেরোবির ৫ শিক্ষার্থী শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মহিলাদলের সভা আয়োজন, বাগাতিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির দুঃখ প্রকাশ

বরিশালে প্রার্থীদের স্বর্ণের ভরি প্রতি দুই থেকে ১৪ হাজার টাকা

দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম,জুয়েলার্সের দোকানে প্রদর্শিত স্বর্ণালংকার। ফাইল ছবি

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রার্থীদের জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের জমা দেওয়া হলফনামায় প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দেখানো হয়েছে দুই থেকে ১৪ হাজার টাকা, যা বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। স্বর্ণের এমন অবিশ্বাস্য দাম নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে জমা দেওয়া নোটারিকৃত হলফনামা অনুযায়ী, ছয়টি আসনের প্রার্থীরা মোট ৮৩২ ভরি স্বর্ণের হিসাব দিয়েছেন। এর মধ্যে ১৮ প্রার্থীর কাছে কোনো স্বর্ণ নেই এবং ১৬ জন স্বর্ণের দাম উল্লেখ করেননি। বাকিদের উল্লেখ করা দামে ব্যাপক অস্বাভাবিকতা দেখা গেছে। বরিশালের স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের মতে, বর্তমানে প্রতি ভরি স্বর্ণের বাজারদর প্রায় দুই লাখ ২২ হাজার টাকা।

বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনের বাংলাদেশ জাসদের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ তার ১৬ ভরি স্বর্ণের দাম দেখিয়েছেন মাত্র ৩৬ হাজার টাকা অর্থাৎ ভরিপ্রতি দুই হাজার ২৫০ টাকা। বরিশাল-৪ আসনের ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী এছহাক মোহাম্মদ আবুল খায়ের ৩০ ভরি স্বর্ণের দাম দেখিয়েছেন তিন লাখ টাকা। বরিশাল-৫ (সদর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তহিদুল ইসলাম ১০ ভরি স্বর্ণের দাম উল্লেখ করেছেন এক লাখ ২০ হাজার টাকা। অন্যদিকে একই আসনের বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার তার ৫০ ভরি স্বর্ণের কোনো দাম উল্লেখ করেননি।

সর্বোচ্চ ২০০ ভরি স্বর্ণ দেখিয়েছেন বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া টিপু। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৮৭ ভরি স্বর্ণ রয়েছে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের কাছে। তবে তাদের কেউই স্বর্ণের দাম উল্লেখ করেননি। এ বিষয়ে ময়না আক্তার নামে এক ভোটার বলেন, হলফনামায় এত কম দামে স্বর্ণ দেখানো বিশ্বাসযোগ্য নয়। ইচ্ছাকৃতভাবে এমনটি করা ভোটারদের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশাল মহানগর শাখার সম্পাদক রফিকুল আলম বলেন, স্বর্ণ নিয়ে প্রার্থীদের দেওয়া তথ্য পরস্পর সাংঘর্ষিক ও বিভ্রান্তিকর। স্বর্ণ ও এর দাম হালনাগাদ হওয়া উচিত ছিল। যারা স্বর্ণের দাম উল্লেখ করেনি, তারা অন্যায় করেছেন। তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রার্থীদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ

দাম কমার পর যে দামে বাজারে বিক্রি হচ্ছে সোনার ভরি

বরিশালে প্রার্থীদের স্বর্ণের ভরি প্রতি দুই থেকে ১৪ হাজার টাকা

প্রকাশের সময়ঃ ০৪:১৬:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রার্থীদের জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের জমা দেওয়া হলফনামায় প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দেখানো হয়েছে দুই থেকে ১৪ হাজার টাকা, যা বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। স্বর্ণের এমন অবিশ্বাস্য দাম নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে জমা দেওয়া নোটারিকৃত হলফনামা অনুযায়ী, ছয়টি আসনের প্রার্থীরা মোট ৮৩২ ভরি স্বর্ণের হিসাব দিয়েছেন। এর মধ্যে ১৮ প্রার্থীর কাছে কোনো স্বর্ণ নেই এবং ১৬ জন স্বর্ণের দাম উল্লেখ করেননি। বাকিদের উল্লেখ করা দামে ব্যাপক অস্বাভাবিকতা দেখা গেছে। বরিশালের স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের মতে, বর্তমানে প্রতি ভরি স্বর্ণের বাজারদর প্রায় দুই লাখ ২২ হাজার টাকা।

বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনের বাংলাদেশ জাসদের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ তার ১৬ ভরি স্বর্ণের দাম দেখিয়েছেন মাত্র ৩৬ হাজার টাকা অর্থাৎ ভরিপ্রতি দুই হাজার ২৫০ টাকা। বরিশাল-৪ আসনের ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী এছহাক মোহাম্মদ আবুল খায়ের ৩০ ভরি স্বর্ণের দাম দেখিয়েছেন তিন লাখ টাকা। বরিশাল-৫ (সদর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তহিদুল ইসলাম ১০ ভরি স্বর্ণের দাম উল্লেখ করেছেন এক লাখ ২০ হাজার টাকা। অন্যদিকে একই আসনের বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার তার ৫০ ভরি স্বর্ণের কোনো দাম উল্লেখ করেননি।

সর্বোচ্চ ২০০ ভরি স্বর্ণ দেখিয়েছেন বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া টিপু। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৮৭ ভরি স্বর্ণ রয়েছে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের কাছে। তবে তাদের কেউই স্বর্ণের দাম উল্লেখ করেননি। এ বিষয়ে ময়না আক্তার নামে এক ভোটার বলেন, হলফনামায় এত কম দামে স্বর্ণ দেখানো বিশ্বাসযোগ্য নয়। ইচ্ছাকৃতভাবে এমনটি করা ভোটারদের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশাল মহানগর শাখার সম্পাদক রফিকুল আলম বলেন, স্বর্ণ নিয়ে প্রার্থীদের দেওয়া তথ্য পরস্পর সাংঘর্ষিক ও বিভ্রান্তিকর। স্বর্ণ ও এর দাম হালনাগাদ হওয়া উচিত ছিল। যারা স্বর্ণের দাম উল্লেখ করেনি, তারা অন্যায় করেছেন। তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রার্থীদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানান।