ঢাকা ০৮:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

স্বামীর আপিলে স্ত্রীর প্রার্থিতা বাতিল

ফাইল ছবি।

কুড়িগ্রাম-৪ সংসদীয় আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী কে এম ফজলুল মন্ডলের আপিলের পর তার স্ত্রী, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি সমর্থিত প্রার্থী মোছা. শেফালী বেগমের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত আপিল শুনানিতে, কে এম ফজলুল মন্ডলের আবেদনের প্রেক্ষিতে রিটার্নিং কর্মকর্তার পূর্বে দেওয়া শেফালী বেগমের বৈধ মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত দেয় কমিশন।

এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে কুড়িগ্রাম-৪ (চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর) আসন থেকে স্বামী ও স্ত্রী—উভয়েই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিল করেছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে প্রথম দফায় রিটার্নিং কর্মকর্তা দুজনের মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। একই আসনে ভিন্ন রাজনৈতিক দলের হয়ে দম্পতির প্রার্থিতা স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের জন্ম দেয়।

আপিল আবেদনে কে এম ফজলুল মন্ডল দাবি করেন, তাদের দাম্পত্য সম্পর্কে বিচ্ছেদ ঘটেছে। তবে শেফালী বেগম এই দাবির সঙ্গে একমত নন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আইনগতভাবে কে এম ফজলুল মন্ডল এখনও তার স্বামী এবং তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল রয়েছে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, শেফালী বেগম সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পর তিন বছর পূর্ণ না হওয়ায়, সেই আইনগত বাধার বিষয়টি উল্লেখ করে তার প্রার্থিতা বাতিলের আবেদন করেন কে এম ফজলুল মন্ডল।

এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে কুড়িগ্রাম-৪ আসনের নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বামীর আপিলে স্ত্রীর প্রার্থিতা বাতিল

প্রকাশের সময়ঃ ০১:৪১:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

কুড়িগ্রাম-৪ সংসদীয় আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী কে এম ফজলুল মন্ডলের আপিলের পর তার স্ত্রী, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি সমর্থিত প্রার্থী মোছা. শেফালী বেগমের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত আপিল শুনানিতে, কে এম ফজলুল মন্ডলের আবেদনের প্রেক্ষিতে রিটার্নিং কর্মকর্তার পূর্বে দেওয়া শেফালী বেগমের বৈধ মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত দেয় কমিশন।

এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে কুড়িগ্রাম-৪ (চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর) আসন থেকে স্বামী ও স্ত্রী—উভয়েই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিল করেছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে প্রথম দফায় রিটার্নিং কর্মকর্তা দুজনের মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। একই আসনে ভিন্ন রাজনৈতিক দলের হয়ে দম্পতির প্রার্থিতা স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের জন্ম দেয়।

আপিল আবেদনে কে এম ফজলুল মন্ডল দাবি করেন, তাদের দাম্পত্য সম্পর্কে বিচ্ছেদ ঘটেছে। তবে শেফালী বেগম এই দাবির সঙ্গে একমত নন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আইনগতভাবে কে এম ফজলুল মন্ডল এখনও তার স্বামী এবং তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল রয়েছে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, শেফালী বেগম সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পর তিন বছর পূর্ণ না হওয়ায়, সেই আইনগত বাধার বিষয়টি উল্লেখ করে তার প্রার্থিতা বাতিলের আবেদন করেন কে এম ফজলুল মন্ডল।

এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে কুড়িগ্রাম-৪ আসনের নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।