
ভারতের কলকাতায় এক তরুণীকে বাসায় আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষণের অভিযোগে শমীক অধিকারী নামে এক সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ও ইউটিউবারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদালত তাকে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
শুক্রবার শমীক অধিকারীকে আলিপুর আদালতে হাজির করা হলে রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই তরুণীকে দীর্ঘ সময় ধরে নিজ বাড়িতে বন্দি করে অমানবিক নির্যাতন চালান। নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে তাকে মারধর করা হতো বলেও আদালতে উল্লেখ করেন সরকারি আইনজীবী।
রাষ্ট্রপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে এবং চোখের নিচে কালশিটে দাগ রয়েছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার শুনানিতে জানানো হয়, ভুক্তভোগী তরুণী আদালতে গোপন জবানবন্দি দিতে সম্মতি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে অভিযুক্তের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, শমীক অধিকারী ও ওই তরুণীর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। তার বক্তব্য অনুযায়ী, কোনো শারীরিক সম্পর্ক হয়ে থাকলে তা উভয়ের সম্মতিতেই হয়েছে। তবে ভুক্তভোগীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকায় আদালত জামিন আবেদন নাকচ করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ৪ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের বেহালা থানায় শমীক অধিকারীর বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতন ও যৌন হয়রানির অভিযোগ দায়ের করেন ওই তরুণী। অভিযোগের পরপরই সেদিন রাতেই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
শুনানি শেষে আদালত অভিযুক্তকে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। উল্লেখ্য, শমীক অধিকারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত মুখ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
দৈনিক অধিকার ডেস্ক 






















