নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার পাকা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে অপপ্রচার ও মানহানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা ও সাবেক ছাত্রদল নেতা শুভ ইসলাম প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
শুভ ইসলাম জানান, তিনি পাকা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ছাত্রদল সভাপতি এবং দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তার দাবি, এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন তিনি।
তার অভিযোগ, একই এলাকার আশফাক আহম্মেদ অনিক ও শামীমা নাসরিন জেমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিন্ন পরিচয় ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর কনটেন্ট ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে ভিডিও সম্পাদনা করে ব্যক্তি, রাজনৈতিক কর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
শুভ ইসলামের ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক স্থানীয় নির্বাচনকে ঘিরে বিরোধের জেরেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি। তিনি অভিযোগ করেন, অভিযুক্তদের একজন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফারজানা শারমিনের বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী তাইফুল ইসলাম টিপুর পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন। রাজনৈতিক মতবিরোধ থেকেই তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সামাজিকভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে বলে তার দাবি।
শুভ ইসলাম বলেন, “আমি গণতান্ত্রিক চর্চায় বিশ্বাসী। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও বিকৃত তথ্য ছড়িয়ে আমার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে। প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।”
অভিযোগের বিষয়ে আশফাক আহম্মেদ অনিক ও শামীমা নাসরিন জেমির বক্তব্য জানা যায়নি। তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া মেলেনি। অভিযোগগুলোর স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অপপ্রচার গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, তথ্যপ্রযুক্তি আইনের আওতায় প্রমাণিত হলে এ ধরনের কর্মকাণ্ড শাস্তিযোগ্য অপরাধ হতে পারে।
দৈনিক অধিকার ডেস্ক 


















