ঢাকা ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জনগণের কাছে পিলখানার হত্যাকাণ্ডের পেছনের বাস্তবতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল। ওই ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদ হন। তিনি বলেন, ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযথ মর্যাদায় পালন করা হয়নি। তবে ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে এ দিনটি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে।

তিনি শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সহমর্মিতা জানান। পাশাপাশি পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার এখনও চলমান থাকায় বিস্তারিত মন্তব্যের সুযোগ নেই বলেও জানান। তবে হত্যাকাণ্ডের পেছনে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল, যা নাগরিকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। হত্যাকাণ্ডের পর বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, “সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব এবং গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে কেউ যাতে সেনাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে না পারে, সে বিষয়ে আমাদের পুনরায় শপথবদ্ধ হতে হবে।”

প্রধানমন্ত্রী জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী যে কোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াব—এই হোক শহীদ সেনা দিবসের প্রত্যয়।”

জনপ্রিয় সংবাদ

পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের সময়ঃ ০১:১৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জনগণের কাছে পিলখানার হত্যাকাণ্ডের পেছনের বাস্তবতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল। ওই ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদ হন। তিনি বলেন, ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযথ মর্যাদায় পালন করা হয়নি। তবে ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে এ দিনটি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে।

তিনি শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সহমর্মিতা জানান। পাশাপাশি পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার এখনও চলমান থাকায় বিস্তারিত মন্তব্যের সুযোগ নেই বলেও জানান। তবে হত্যাকাণ্ডের পেছনে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল, যা নাগরিকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। হত্যাকাণ্ডের পর বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, “সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব এবং গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে কেউ যাতে সেনাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে না পারে, সে বিষয়ে আমাদের পুনরায় শপথবদ্ধ হতে হবে।”

প্রধানমন্ত্রী জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী যে কোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াব—এই হোক শহীদ সেনা দিবসের প্রত্যয়।”