ঢাকা ০১:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক চৌহদিটোলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পৌরসভার টিম ৪ এর বিশেষ অভিযান ইবিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ময়মনসিংহ মেডিকেলে ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে আরও একজনের মৃত্যু বাগাতিপাড়ায় আগাম খেজুর গুড় তৈরির প্রস্তুতি, গাছ ঝোড়ায় ব্যস্ত গাছিরা রাবিতে ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের হামলার অভিযোগ, চার সাংবাদিকসহ আহত ১০ রামেক হাসপাতালে ডেঙ্গুতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের যুবকের মৃত্যু বাগেরহাটে নসিমনের সঙ্গে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩ গাজীপুরে চকলেটের প্রলোভনে শিশু অপহরণচেষ্টা, আনসার সদস্যদের তৎপরতায় উদ্ধার লক্ষ্মীপুরে যুবদলকর্মীকে অচেতন করে ব্লেড দিয়ে শরীরে জখম

চৌহদিটোলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পৌরসভার টিম ৪ এর বিশেষ অভিযান

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চৌহদিটোলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান।ছবি দৈনিক অধিকার

 চাঁপেইনবাবগঞ্জ পৌরসভা এলাকায়  ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল শনাক্ত ও ধ্বংস, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং জনসচেতনতা বাড়াতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে বিশেষ মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চৌহদিটোলা এলাকায় টিম-০৪-এর উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, রেড ক্রিসেন্ট ও স্কাউটসের সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দারা অংশ নেন।

অভিযান চলাকালে চৌহদিটোলা এলাকার বাড়িঘর, আঙিনা, গলি, খোলা জায়গা, জলাধার ও আশপাশের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করা হয়। এ সময় কয়েকটি জলাধারে বৃষ্টির পানি জমে থাকতে দেখা গেলে পৌরসভার টিম-০৪-এর সদস্যরা তা অপসারণ করেন।

একই সঙ্গে জলাধারের মালিকপক্ষকে ভবিষ্যতে সেখানে যাতে পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে সতর্ক করা হয়। পানি জমার সম্ভাবনা রয়েছে—এমন স্থান নিয়মিত পরিষ্কার ও পর্যবেক্ষণের পরামর্শও দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, অভিযানের সময় জলাধারের আশপাশে কিছু মশা উড়তে দেখা গেলেও পরিদর্শনে মশার লার্ভার অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। তবে দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকলে তা মশার বংশবিস্তারের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে। তাই সম্ভাব্য প্রজননস্থল দ্রুত শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সম্ভাব্য প্রজননস্থল শনাক্তে মাঠপর্যায়ে তৎপরতা

ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা অপসারণ করাই ছিল অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য। এ সময় বাড়িঘরের আঙিনা, গলি, খোলা জায়গা ও আশপাশের পরিবেশ ঘুরে দেখা হয়।

পাশাপাশি বাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, পানির পাত্র, পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের বোতল, ক্যান, ডাবের খোসা ও বিভিন্ন জলাধারে পানি জমে আছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বর্ষা ও বর্ষা-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির পানি জমে থাকার সম্ভাবনা বাড়ে। এসব স্থানে দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকলে এডিস মশার বংশবিস্তারের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও নজরদারি জরুরি।

জলাধারের পানি অপসারণ, দেওয়া হলো সতর্কবার্তা

চৌহদিটোলা এলাকায় কয়েকটি জলাধারে জমে থাকা বৃষ্টির পানি অপসারণের পাশাপাশি মালিকপক্ষকে ভবিষ্যতে পানি জমতে না দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়।

পৌরসভার সংশ্লিষ্টরা বলেন, শুধু একবার পানি অপসারণ করলেই দায়িত্ব শেষ নয়। বৃষ্টির পর নিয়মিত জলাধার ও আশপাশের স্থান পরীক্ষা করতে হবে। কোথাও পানি জমলে দ্রুত তা অপসারণ করতে হবে।

লিফলেট বিতরণে ডেঙ্গু প্রতিরোধের বার্তা

অভিযান চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। কর্মসূচির ব্যানারে ‘বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার করি, করিব ডেঙ্গু প্রতিকার’—এমন সচেতনতামূলক বার্তা তুলে ধরা হয়।

নাগরিকদের বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখা, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল তৈরি হতে না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

এ ছাড়া বাড়ির ছাদ, বারান্দা, বাগান, ফুলের টব ও পানির পাত্র নিয়মিত পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

সপ্তাহে অন্তত এক দিন বাড়ির চারপাশ পরীক্ষা

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু পৌরসভার মশক নিধন কার্যক্রমের ওপর নির্ভর না করে নাগরিকদেরও নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা সপ্তাহে অন্তত এক দিন বাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, পানির পাত্র, জলাধার ও আশপাশের খোলা জায়গা পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন। কোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণ করতে বলা হয়।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন জেলা গণপূর্ত দপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিত কুমার দেব, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার শহর পরিকল্পনাবিদ মো. ইমরান হোসাইন এবং দৈনিক চাঁপাই দর্পণের প্রতিনিধি মো. ইসাহাক আলী।

এ ছাড়া রেড ক্রিসেন্টের সদস্য মোসাঃ তানজিলা খাতুন, মোঃ এ্যানি খাতুন ও মোসাঃ খুসি আরা খাতুন উপস্থিত ছিলেন।

পৌরসভার অফিস সহকারী মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বিল ক্লার্ক মো. সেরাজুল ইসলাম এবং ইউসুফ, ফয়সাল, মেহেদী, আরাফাত ও আফজালসহ রেড ক্রিসেন্ট ও স্কাউটসের সদস্যরা পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন।

সম্মিলিত উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধ

সংশ্লিষ্টরা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা, নিয়মিত নজরদারি এবং নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ।

পৌরসভার মাঠপর্যায়ের অভিযানের পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিক নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখলে এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল কমানো সম্ভব।

বৃষ্টির পর জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ, জলাধার পরিষ্কার রাখা এবং পরিত্যক্ত পাত্র সরিয়ে রাখার মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমাতে সবাইকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক

চৌহদিটোলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পৌরসভার টিম ৪ এর বিশেষ অভিযান

প্রকাশের সময়ঃ ০১:১৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

 চাঁপেইনবাবগঞ্জ পৌরসভা এলাকায়  ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল শনাক্ত ও ধ্বংস, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং জনসচেতনতা বাড়াতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে বিশেষ মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চৌহদিটোলা এলাকায় টিম-০৪-এর উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, রেড ক্রিসেন্ট ও স্কাউটসের সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দারা অংশ নেন।

অভিযান চলাকালে চৌহদিটোলা এলাকার বাড়িঘর, আঙিনা, গলি, খোলা জায়গা, জলাধার ও আশপাশের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করা হয়। এ সময় কয়েকটি জলাধারে বৃষ্টির পানি জমে থাকতে দেখা গেলে পৌরসভার টিম-০৪-এর সদস্যরা তা অপসারণ করেন।

একই সঙ্গে জলাধারের মালিকপক্ষকে ভবিষ্যতে সেখানে যাতে পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে সতর্ক করা হয়। পানি জমার সম্ভাবনা রয়েছে—এমন স্থান নিয়মিত পরিষ্কার ও পর্যবেক্ষণের পরামর্শও দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, অভিযানের সময় জলাধারের আশপাশে কিছু মশা উড়তে দেখা গেলেও পরিদর্শনে মশার লার্ভার অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। তবে দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকলে তা মশার বংশবিস্তারের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে। তাই সম্ভাব্য প্রজননস্থল দ্রুত শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সম্ভাব্য প্রজননস্থল শনাক্তে মাঠপর্যায়ে তৎপরতা

ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা অপসারণ করাই ছিল অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য। এ সময় বাড়িঘরের আঙিনা, গলি, খোলা জায়গা ও আশপাশের পরিবেশ ঘুরে দেখা হয়।

পাশাপাশি বাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, পানির পাত্র, পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের বোতল, ক্যান, ডাবের খোসা ও বিভিন্ন জলাধারে পানি জমে আছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বর্ষা ও বর্ষা-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির পানি জমে থাকার সম্ভাবনা বাড়ে। এসব স্থানে দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকলে এডিস মশার বংশবিস্তারের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও নজরদারি জরুরি।

জলাধারের পানি অপসারণ, দেওয়া হলো সতর্কবার্তা

চৌহদিটোলা এলাকায় কয়েকটি জলাধারে জমে থাকা বৃষ্টির পানি অপসারণের পাশাপাশি মালিকপক্ষকে ভবিষ্যতে পানি জমতে না দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়।

পৌরসভার সংশ্লিষ্টরা বলেন, শুধু একবার পানি অপসারণ করলেই দায়িত্ব শেষ নয়। বৃষ্টির পর নিয়মিত জলাধার ও আশপাশের স্থান পরীক্ষা করতে হবে। কোথাও পানি জমলে দ্রুত তা অপসারণ করতে হবে।

লিফলেট বিতরণে ডেঙ্গু প্রতিরোধের বার্তা

অভিযান চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। কর্মসূচির ব্যানারে ‘বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার করি, করিব ডেঙ্গু প্রতিকার’—এমন সচেতনতামূলক বার্তা তুলে ধরা হয়।

নাগরিকদের বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখা, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল তৈরি হতে না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

এ ছাড়া বাড়ির ছাদ, বারান্দা, বাগান, ফুলের টব ও পানির পাত্র নিয়মিত পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

সপ্তাহে অন্তত এক দিন বাড়ির চারপাশ পরীক্ষা

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু পৌরসভার মশক নিধন কার্যক্রমের ওপর নির্ভর না করে নাগরিকদেরও নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা সপ্তাহে অন্তত এক দিন বাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, পানির পাত্র, জলাধার ও আশপাশের খোলা জায়গা পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন। কোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণ করতে বলা হয়।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন জেলা গণপূর্ত দপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিত কুমার দেব, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার শহর পরিকল্পনাবিদ মো. ইমরান হোসাইন এবং দৈনিক চাঁপাই দর্পণের প্রতিনিধি মো. ইসাহাক আলী।

এ ছাড়া রেড ক্রিসেন্টের সদস্য মোসাঃ তানজিলা খাতুন, মোঃ এ্যানি খাতুন ও মোসাঃ খুসি আরা খাতুন উপস্থিত ছিলেন।

পৌরসভার অফিস সহকারী মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বিল ক্লার্ক মো. সেরাজুল ইসলাম এবং ইউসুফ, ফয়সাল, মেহেদী, আরাফাত ও আফজালসহ রেড ক্রিসেন্ট ও স্কাউটসের সদস্যরা পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন।

সম্মিলিত উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধ

সংশ্লিষ্টরা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা, নিয়মিত নজরদারি এবং নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ।

পৌরসভার মাঠপর্যায়ের অভিযানের পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিক নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখলে এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল কমানো সম্ভব।

বৃষ্টির পর জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ, জলাধার পরিষ্কার রাখা এবং পরিত্যক্ত পাত্র সরিয়ে রাখার মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমাতে সবাইকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।