ঢাকা ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
বাগেরহাটে নসিমনের সঙ্গে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩ গাজীপুরে চকলেটের প্রলোভনে শিশু অপহরণচেষ্টা, আনসার সদস্যদের তৎপরতায় উদ্ধার লক্ষ্মীপুরে যুবদলকর্মীকে অচেতন করে ব্লেড দিয়ে শরীরে জখম দেশের অর্থনীতি একাধিক চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী নিজেদের কর্মকাণ্ডের জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহি করা সরকারের দায়িত্ব: ড. মঈন খান ভৈরবে প্রবাসী যুবকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও চাঁদা দাবির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন গাজীপুরে পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৭০ জনকে উদ্ধার পাবনায় রাসায়নিকে তৈরি হচ্ছে নকল দুধ! গোবরাতলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান সিলেটে ডেঙ্গু নিয়ে বাড়ছে আতঙ্ক

দেশের পাঁচ জেলা ডেঙ্গুর নতুন হটস্পট

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০১:২১:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২৪৬ Time View

ফাইল ছবি।

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ কমার কোনো লক্ষণ নেই। সেপ্টেম্বরের উদ্বেগজনক পরিস্থিতির পর অক্টোবরের শুরুতেও হাসপাতালে রোগী ভর্তির হার উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। রাজধানীর পাশাপাশি ঢাকার বাইরের বিভিন্ন জেলায়ও রোগীর চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে খুলনা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, পিরোজপুর ও ঝালকাঠি এখন ডেঙ্গুর নতুন হটস্পট হয়ে উঠেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা) সারা দেশে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ১৬৩ জন। এ সময়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট ৮২ হাজার ৭৬১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং মারা গেছেন ২৫০ জন।

গত মাসে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) ১৫ জেলায় ডেঙ্গুরোগী বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিল। জেলাগুলো হলো ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, পিরোজপুর, নারায়ণগঞ্জ, ঝালকাঠি, কক্সবাজার, সিরাজগঞ্জ, কুমিল্লা, বরিশাল, বরগুনা, বান্দরবান ও পটুয়াখালী।

এ ছাড়া আইইডিসিআরের ক্লাইমেট-ইনফর্মড আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড রেসপন্স সিস্টেম বাগেরহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নরসিংদী, যশোর, চাঁদপুর, মানিকগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও রাজশাহী জেলাকে ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণে রাখার সুপারিশ করেছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও কীটতত্ত্ববিদ ড. কবিরুল বাশার বলেন, ডেঙ্গুকে এখন আর শুধু ঢাকার সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম, পিরোজপুর, ময়মনসিংহ, ঝালকাঠি, গাজীপুর, বরিশাল ও বাগেরহাটসহ বিভিন্ন এলাকা ঝুঁকিতে রয়েছে। এ ছাড়া কক্সবাজার, নারায়ণগঞ্জ, পটুয়াখালী, বরগুনা, কুমিল্লা, বান্দরবান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, যশোর, নরসিংদী, চাঁদপুর ও মানিকগঞ্জসহ আরও অনেক জেলায় সংক্রমণ ছড়িয়েছে। তাই শুধু রাজধানীকেন্দ্রিক পরিকল্পনা দিয়ে সারা দেশের পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব নয়।

তাঁর মতে, এখন জেলা ও উপজেলাভিত্তিক ঝুঁকি মানচিত্র তৈরি করা প্রয়োজন। কোথায় মশার ঘনত্ব বেশি, কোথায় কোন ধরনের প্রজননস্থল বেশি, কোন মৌসুমে ঝুঁকি বাড়ে, কোন কীটনাশক কার্যকর এবং কোথায় কীটনাশকের বিরুদ্ধে মশার প্রতিরোধ গড়ে উঠেছে, এসব তথ্যের ভিত্তিতে স্থানীয় পরিকল্পনা করতে হবে। ঢাকার কৌশল প্রত্যন্ত জেলায়ও একইভাবে কাজ করবে, এমন ধারণা বৈজ্ঞানিক নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, এডিস মশা নির্মূল করে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকার সব ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম চলছে এবং হাসপাতালে ডেঙ্গুরোগীদের চিকিৎসায় অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। কীট, ওষুধ ও স্যালাইনের মজুতও পর্যাপ্ত আছে। তিনি পরামর্শ দেন, জ্বর হলে দেরি না করে পরীক্ষা করাতে হবে এবং ডেঙ্গু শনাক্ত হলে হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে। দেরি করলে জটিলতার ঝুঁকি বাড়ে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১ অক্টোবরের প্রতিবেদনের জেলাভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে ঢাকার বাইরের চিত্র এমন-খুলনা: খুলনা জেলায় এ পর্যন্ত মোট ৪ হাজার ৮০৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শুধু খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৫৮৬ জন। খুলনা বিভাগে মোট ভর্তি ১৩ হাজার ৮১ জন এবং মৃত্যু ৪৮ জনের। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি খুলনা সিটি করপোরেশনের ৩১টি ওয়ার্ডকে ডেঙ্গুর হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। বরিশাল বিভাগ: ১ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ১০ হাজার ৭৮৯ জন ভর্তি হয়েছেন, মৃত্যু ১৯ জনের। জেলাভিত্তিক ভর্তি: বরিশাল ২ হাজার ২৮৩, পটুয়াখালী ১ হাজার ৬৩৭, পিরোজপুর ২ হাজার ৭৩৯, বরগুনা ১ হাজার ৪২৯ ও ঝালকাঠি ২ হাজার ১৬ জন। বিভাগের মধ্যে পিরোজপুরের পরিস্থিতি বিশেষভাবে নজরে রাখার মতো।চট্টগ্রাম বিভাগ: মোট ভর্তি ১২ হাজার ১৬৬ জন, মৃত্যু ২৪ জনের। চট্টগ্রাম জেলায় ভর্তি ৪ হাজার ২৪৭ জন, যার মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ হাজার ৭৮০ জন। কক্সবাজার, চাঁদপুর ও ফেনীতেও আক্রান্ত বাড়ছে। ময়মনসিংহ বিভাগ: ধারাবাহিকভাবে রোগী বাড়ছে। বিভাগে মোট ভর্তি ৪ হাজার ৫২৯ জন, মৃত্যু ২১ জনের। শুধু ময়মনসিংহ জেলায় ভর্তি ৩ হাজার ২৩১ জন।রাজশাহী বিভাগ: মোট ভর্তি ৫ হাজার ৪১৬ জন। রাজশাহী জেলায় ৯৯০, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১ হাজার ৪৬৫ ও সিরাজগঞ্জে ১ হাজার ৩৬৭ জন ভর্তি হয়েছেন। ঢাকার আশপাশ: গাজীপুরে মোট ভর্তি ৩ হাজার ২৪৪, নারায়ণগঞ্জে ১ হাজার ৭৫৮ এবং নরসিংদীতে ১ হাজার ৩৭০ জন।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে নসিমনের সঙ্গে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩

দেশের পাঁচ জেলা ডেঙ্গুর নতুন হটস্পট

প্রকাশের সময়ঃ ০১:২১:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ কমার কোনো লক্ষণ নেই। সেপ্টেম্বরের উদ্বেগজনক পরিস্থিতির পর অক্টোবরের শুরুতেও হাসপাতালে রোগী ভর্তির হার উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। রাজধানীর পাশাপাশি ঢাকার বাইরের বিভিন্ন জেলায়ও রোগীর চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে খুলনা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, পিরোজপুর ও ঝালকাঠি এখন ডেঙ্গুর নতুন হটস্পট হয়ে উঠেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা) সারা দেশে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ১৬৩ জন। এ সময়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট ৮২ হাজার ৭৬১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং মারা গেছেন ২৫০ জন।

গত মাসে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) ১৫ জেলায় ডেঙ্গুরোগী বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিল। জেলাগুলো হলো ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, পিরোজপুর, নারায়ণগঞ্জ, ঝালকাঠি, কক্সবাজার, সিরাজগঞ্জ, কুমিল্লা, বরিশাল, বরগুনা, বান্দরবান ও পটুয়াখালী।

এ ছাড়া আইইডিসিআরের ক্লাইমেট-ইনফর্মড আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড রেসপন্স সিস্টেম বাগেরহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নরসিংদী, যশোর, চাঁদপুর, মানিকগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও রাজশাহী জেলাকে ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণে রাখার সুপারিশ করেছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও কীটতত্ত্ববিদ ড. কবিরুল বাশার বলেন, ডেঙ্গুকে এখন আর শুধু ঢাকার সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম, পিরোজপুর, ময়মনসিংহ, ঝালকাঠি, গাজীপুর, বরিশাল ও বাগেরহাটসহ বিভিন্ন এলাকা ঝুঁকিতে রয়েছে। এ ছাড়া কক্সবাজার, নারায়ণগঞ্জ, পটুয়াখালী, বরগুনা, কুমিল্লা, বান্দরবান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, যশোর, নরসিংদী, চাঁদপুর ও মানিকগঞ্জসহ আরও অনেক জেলায় সংক্রমণ ছড়িয়েছে। তাই শুধু রাজধানীকেন্দ্রিক পরিকল্পনা দিয়ে সারা দেশের পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব নয়।

তাঁর মতে, এখন জেলা ও উপজেলাভিত্তিক ঝুঁকি মানচিত্র তৈরি করা প্রয়োজন। কোথায় মশার ঘনত্ব বেশি, কোথায় কোন ধরনের প্রজননস্থল বেশি, কোন মৌসুমে ঝুঁকি বাড়ে, কোন কীটনাশক কার্যকর এবং কোথায় কীটনাশকের বিরুদ্ধে মশার প্রতিরোধ গড়ে উঠেছে, এসব তথ্যের ভিত্তিতে স্থানীয় পরিকল্পনা করতে হবে। ঢাকার কৌশল প্রত্যন্ত জেলায়ও একইভাবে কাজ করবে, এমন ধারণা বৈজ্ঞানিক নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, এডিস মশা নির্মূল করে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকার সব ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম চলছে এবং হাসপাতালে ডেঙ্গুরোগীদের চিকিৎসায় অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। কীট, ওষুধ ও স্যালাইনের মজুতও পর্যাপ্ত আছে। তিনি পরামর্শ দেন, জ্বর হলে দেরি না করে পরীক্ষা করাতে হবে এবং ডেঙ্গু শনাক্ত হলে হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে। দেরি করলে জটিলতার ঝুঁকি বাড়ে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১ অক্টোবরের প্রতিবেদনের জেলাভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে ঢাকার বাইরের চিত্র এমন-খুলনা: খুলনা জেলায় এ পর্যন্ত মোট ৪ হাজার ৮০৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শুধু খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৫৮৬ জন। খুলনা বিভাগে মোট ভর্তি ১৩ হাজার ৮১ জন এবং মৃত্যু ৪৮ জনের। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি খুলনা সিটি করপোরেশনের ৩১টি ওয়ার্ডকে ডেঙ্গুর হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। বরিশাল বিভাগ: ১ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ১০ হাজার ৭৮৯ জন ভর্তি হয়েছেন, মৃত্যু ১৯ জনের। জেলাভিত্তিক ভর্তি: বরিশাল ২ হাজার ২৮৩, পটুয়াখালী ১ হাজার ৬৩৭, পিরোজপুর ২ হাজার ৭৩৯, বরগুনা ১ হাজার ৪২৯ ও ঝালকাঠি ২ হাজার ১৬ জন। বিভাগের মধ্যে পিরোজপুরের পরিস্থিতি বিশেষভাবে নজরে রাখার মতো।চট্টগ্রাম বিভাগ: মোট ভর্তি ১২ হাজার ১৬৬ জন, মৃত্যু ২৪ জনের। চট্টগ্রাম জেলায় ভর্তি ৪ হাজার ২৪৭ জন, যার মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ হাজার ৭৮০ জন। কক্সবাজার, চাঁদপুর ও ফেনীতেও আক্রান্ত বাড়ছে। ময়মনসিংহ বিভাগ: ধারাবাহিকভাবে রোগী বাড়ছে। বিভাগে মোট ভর্তি ৪ হাজার ৫২৯ জন, মৃত্যু ২১ জনের। শুধু ময়মনসিংহ জেলায় ভর্তি ৩ হাজার ২৩১ জন।রাজশাহী বিভাগ: মোট ভর্তি ৫ হাজার ৪১৬ জন। রাজশাহী জেলায় ৯৯০, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১ হাজার ৪৬৫ ও সিরাজগঞ্জে ১ হাজার ৩৬৭ জন ভর্তি হয়েছেন। ঢাকার আশপাশ: গাজীপুরে মোট ভর্তি ৩ হাজার ২৪৪, নারায়ণগঞ্জে ১ হাজার ৭৫৮ এবং নরসিংদীতে ১ হাজার ৩৭০ জন।