ঢাকা ০৯:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
আগুনে সর্বস্ব হারাল দিনমজুর হাসানের পরিবার, খোলা আকাশের নিচে ৪ জন মতলব উত্তরে ১৬ হাজার টাকার জালনোটসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার মুন্সীগঞ্জে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা মাগুরায় ৭০ কোটি টাকার আইটি পার্ক, আট বছরেও শেষ হয়নি নির্মাণকাজ এশিয়ার জন্য তেলের দাম ছয় বছরের সর্বনিম্নে নামাল সৌদি চট্টগ্রাম রেঞ্জে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৭৬৪ রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে শিক্ষার্থীদের অতিক্ষমতা চলতে পারে না: টিআইবি অর্থ পাচার ও বেনামি সম্পত্তির অভিযোগ অস্বীকার করলেন রাকুল প্রীত সিং সঠিক নীতি ও প্রস্তুতিতে অনিশ্চয়তা মোকাবিলা সম্ভব: মাহদী আমিন ফোনে পরিচয়ের পর দেখা করতে গিয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

মেয়াদোত্তীর্ণ টেলিকম ব্যাটারি থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যাকআপ বিদ্যুৎ

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৬:২২:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২৩৬ Time View

মেয়াদোত্তীর্ণ টেলিকম ব্যাটারি পুনর্ব্যবহার করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যাকআপ বিদ্যুৎ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

টেলিযোগাযোগ খাতে ব্যবহারের পর মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে যাওয়া ব্যাটারিকে পুনর্ব্যবহারের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ডিজিটাল অবকাঠামো সেবাদাতা ইডটকো বাংলাদেশ ও টাইগার লিথিয়াম এনার্জি যৌথভাবে কাজ করবে।

উদ্যোগটির আওতায় টেলিকম খাতের ব্যবহৃত ও মেয়াদোত্তীর্ণ ব্যাটারি থেকে কার্যক্ষম সেল পুনরুদ্ধার করে সেগুলোকে আইপিএস বা ব্যাকআপ পাওয়ার সিস্টেমে রূপান্তর করা হবে। পরে এসব বিদ্যুৎ ব্যবস্থা দেশের নির্বাচিত গ্রামীণ স্কুল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সুবিধা সীমিত এমন এলাকায় স্থাপন করা হবে।

ইডটকো বাংলাদেশের ‘টাওয়ার টু পাওয়ার’ নামের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই কার্যক্রম বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এর মাধ্যমে ব্যবহৃত ব্যাটারির পুনর্ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি ইলেকট্রনিক বর্জ্যের পরিমাণ কমানো সম্ভব হবে।

উদ্যোগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষা কার্যক্রমে সহায়তা করা। ব্যাকআপ বিদ্যুৎ সুবিধা থাকলে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময়ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া সহজ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন প্রয়োজনেও এই বিদ্যুৎ সুবিধা কাজে লাগতে পারে।

ইডটকো বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আল-বাতুনী মোহাম্মাদ সাঈদ আহমেদ বলেন, টেকসই উন্নয়নের ধারণা শুধু পরিবেশ রক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; মানুষের জীবনেও এর ইতিবাচক প্রভাব থাকা প্রয়োজন। ‘টাওয়ার টু পাওয়ার’ উদ্যোগের মাধ্যমে ব্যবহৃত টেলিকম ব্যাটারিকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

তিনি বলেন, এই কার্যক্রমের ফলে একদিকে ইলেকট্রনিক বর্জ্য কমানোর সুযোগ তৈরি হবে, অন্যদিকে বিদ্যুৎ সুবিধা সীমিত এমন এলাকার মানুষ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্ভরযোগ্য ব্যাকআপ বিদ্যুৎ পেতে পারে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, ব্যবহৃত প্রযুক্তিপণ্যকে সরাসরি বর্জ্য হিসেবে ফেলে না দিয়ে পুনরুদ্ধার ও পুনর্ব্যবহারের মাধ্যমে নতুন কাজে ব্যবহার করা সার্কুলার অর্থনীতির চর্চাকে এগিয়ে নিতে পারে। একই সঙ্গে পরিবেশ সুরক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নের সমন্বিত উদ্যোগ হিসেবেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আগুনে সর্বস্ব হারাল দিনমজুর হাসানের পরিবার, খোলা আকাশের নিচে ৪ জন

মেয়াদোত্তীর্ণ টেলিকম ব্যাটারি থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যাকআপ বিদ্যুৎ

প্রকাশের সময়ঃ ০৬:২২:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

টেলিযোগাযোগ খাতে ব্যবহারের পর মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে যাওয়া ব্যাটারিকে পুনর্ব্যবহারের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ডিজিটাল অবকাঠামো সেবাদাতা ইডটকো বাংলাদেশ ও টাইগার লিথিয়াম এনার্জি যৌথভাবে কাজ করবে।

উদ্যোগটির আওতায় টেলিকম খাতের ব্যবহৃত ও মেয়াদোত্তীর্ণ ব্যাটারি থেকে কার্যক্ষম সেল পুনরুদ্ধার করে সেগুলোকে আইপিএস বা ব্যাকআপ পাওয়ার সিস্টেমে রূপান্তর করা হবে। পরে এসব বিদ্যুৎ ব্যবস্থা দেশের নির্বাচিত গ্রামীণ স্কুল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সুবিধা সীমিত এমন এলাকায় স্থাপন করা হবে।

ইডটকো বাংলাদেশের ‘টাওয়ার টু পাওয়ার’ নামের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই কার্যক্রম বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এর মাধ্যমে ব্যবহৃত ব্যাটারির পুনর্ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি ইলেকট্রনিক বর্জ্যের পরিমাণ কমানো সম্ভব হবে।

উদ্যোগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষা কার্যক্রমে সহায়তা করা। ব্যাকআপ বিদ্যুৎ সুবিধা থাকলে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময়ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া সহজ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন প্রয়োজনেও এই বিদ্যুৎ সুবিধা কাজে লাগতে পারে।

ইডটকো বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আল-বাতুনী মোহাম্মাদ সাঈদ আহমেদ বলেন, টেকসই উন্নয়নের ধারণা শুধু পরিবেশ রক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; মানুষের জীবনেও এর ইতিবাচক প্রভাব থাকা প্রয়োজন। ‘টাওয়ার টু পাওয়ার’ উদ্যোগের মাধ্যমে ব্যবহৃত টেলিকম ব্যাটারিকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

তিনি বলেন, এই কার্যক্রমের ফলে একদিকে ইলেকট্রনিক বর্জ্য কমানোর সুযোগ তৈরি হবে, অন্যদিকে বিদ্যুৎ সুবিধা সীমিত এমন এলাকার মানুষ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্ভরযোগ্য ব্যাকআপ বিদ্যুৎ পেতে পারে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, ব্যবহৃত প্রযুক্তিপণ্যকে সরাসরি বর্জ্য হিসেবে ফেলে না দিয়ে পুনরুদ্ধার ও পুনর্ব্যবহারের মাধ্যমে নতুন কাজে ব্যবহার করা সার্কুলার অর্থনীতির চর্চাকে এগিয়ে নিতে পারে। একই সঙ্গে পরিবেশ সুরক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নের সমন্বিত উদ্যোগ হিসেবেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।