ঢাকা ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

খুলনায় যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

মো. মুরাদ খাঁ। সংগৃহীত ছবি

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পায়ের রগ কেটে যুবদল নেতা মো. মুরাদ খাঁকে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়নের বকশিবাড়ি কবরস্থান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মুরাদ খাঁ দিঘলিয়া উপজেলা সেনহাটি ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ওই এলাকার মুনসুর খাঁর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুরাদ খাঁর সঙ্গে দিঘলিয়া থানা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেনসহ কয়েকজনের বাগবিতণ্ডা হয়। পরে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সাজ্জাদসহ ৪-৫ জন দুর্বৃত্ত মুরাদের ওপর হামলা চালায়।

আত্মরক্ষার জন্য মুরাদ পাশের বকশিবাড়ি মসজিদ সংলগ্ন একটি দোকানে আশ্রয় নিলে দুর্বৃত্তরা দোকানের তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পুনরায় হামলা করে। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার দুই পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে তিনি মারা যান।

খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আবির সিদ্দিকী শুভ্র জানান, মুরাদ খাঁ ও অভিযুক্তদের মধ্যে পূর্ববিরোধ ছিল কি না তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

খুলনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু বলেন, পূর্বশত্রুতার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তিনি দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

খুলনায় যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশের সময়ঃ ০২:৩৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পায়ের রগ কেটে যুবদল নেতা মো. মুরাদ খাঁকে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়নের বকশিবাড়ি কবরস্থান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মুরাদ খাঁ দিঘলিয়া উপজেলা সেনহাটি ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ওই এলাকার মুনসুর খাঁর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুরাদ খাঁর সঙ্গে দিঘলিয়া থানা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেনসহ কয়েকজনের বাগবিতণ্ডা হয়। পরে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সাজ্জাদসহ ৪-৫ জন দুর্বৃত্ত মুরাদের ওপর হামলা চালায়।

আত্মরক্ষার জন্য মুরাদ পাশের বকশিবাড়ি মসজিদ সংলগ্ন একটি দোকানে আশ্রয় নিলে দুর্বৃত্তরা দোকানের তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পুনরায় হামলা করে। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার দুই পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে তিনি মারা যান।

খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আবির সিদ্দিকী শুভ্র জানান, মুরাদ খাঁ ও অভিযুক্তদের মধ্যে পূর্ববিরোধ ছিল কি না তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

খুলনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু বলেন, পূর্বশত্রুতার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তিনি দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।