ঢাকা ০২:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
দেশে সার সংকট নেই, এক মাসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে- কৃষিমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে ব্যবসায়ী-এলাকাবাসীর মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে কৃষিমন্ত্রীর সফর- জেলা বিএনপির শুভেচ্ছা ডিএনসির অভিযানে চোলাইমদ ও ওয়াশসহ একজন আটক, ছয় মাসের কারাদণ্ড শিশুদের মেধা ও প্রতিভার বিকাশেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ- নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী জামায়াত ও নারী ইস্যুতে এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৫৯৬ জন সীমান্তের ওপার থেকে গার্মেন্টস শিল্পে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা- প্রধানমন্ত্রী জুতার সূত্র ধরে মিললো ছাত্রীর মরদেহ জামিন পাওয়ার পর ফেসবুকে দুই শব্দের পোস্ট, আবারও আলোচনায় পরীমনি

বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বেরোবির অধ্যাপক ফেরদৌস

বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান পাওয়া বেরোবির অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান।

বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় স্থান পেয়েছেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) তিনজন শিক্ষক ও একজন শিক্ষার্থী। এই তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান।

গবেষণার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বহিরাঙ্গনের দায়িত্বও সফলভাবে পালন করে যাচ্ছেন এই অধ্যাপক।

যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা ‘এলসেভিয়ার’ যৌথভাবে বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের এই তালিকা প্রকাশ করেছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) প্রকাশিত এই তালিকাটি তৈরি হয়েছে ২০২৬ সালের একক বছরের গবেষণা কার্যক্রমের ভিত্তিতে।

তালিকায় বাংলাদেশের মোট ৩৪৭ জন গবেষক স্থান পেয়েছেন। ২০২৫ সালে এই সংখ্যা ছিল ২৮৬ জন। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে তালিকায় বাংলাদেশি গবেষকের সংখ্যা বেড়েছে ৬১ জন, শতকরা হিসাবে যা ২১ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি।

এই অর্জন প্রসঙ্গে অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, আলহামদুলিল্লাহ। এই অর্জন আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের, গর্বের এবং একইসঙ্গে একটি বড় দায়িত্বেরও বিষয়। এই স্বীকৃতি শুধু আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয়; এর পেছনে রয়েছে আমার পরিবার, শিক্ষক, সহকর্মী, শিক্ষার্থী এবং গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত সব শুভাকাঙ্ক্ষীর আন্তরিক সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা। তাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

তিনি বলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন গবেষক হিসেবে নবায়নযোগ্য শক্তি এবং উন্নত সৌরশক্তি প্রযুক্তির মাধ্যমে টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছি। আমার গবেষণার মূল লক্ষ্য উন্নত সৌরশক্তি প্রযুক্তির মাধ্যমে টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তোলায় অবদান রাখা।

বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে ২৮ হাজার ২৫০তম এবং এপ্লাইড ফিজিক্স সাবফিল্ডে ৫১৫তম স্থান অর্জনকে আনন্দের বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, তবে আমি বিশ্বাস করি, কোনো স্বীকৃতিই গবেষণার শেষ কথা নয়; বরং এটি আরও ভালো গবেষণা করার অনুপ্রেরণা। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও গবেষণাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও শক্তিশালীভাবে তুলে ধরতে চাই। বিশেষ করে তরুণ গবেষকদের সঙ্গে কাজ করে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি, উদ্ভাবন এবং দেশের জন্য কার্যকর প্রযুক্তি উন্নয়নে অবদান রাখতে চাই বলে জানান তিনি।

তিনি তার এই অর্জনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সবার দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা ভবিষ্যতেও তার গবেষণার পথচলায় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। বাংলাদেশ ও দেশের গবেষণা আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

উল্লেখ্য, এই তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মির্জা হাসানউজ্জামান। দ্বিতীয় স্থানে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মুনতাসির মুর্শেদ। তৃতীয় স্থানে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. মোঃ তরিকুল ইসলাম। চতুর্থ স্থানে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মুহাম্মদ আশরাফুল আলম এবং পঞ্চম স্থানে রয়েছেন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের গবেষক এম. খালিদ হোসেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে সার সংকট নেই, এক মাসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে- কৃষিমন্ত্রী

বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বেরোবির অধ্যাপক ফেরদৌস

প্রকাশের সময়ঃ ০৬:৫৬:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় স্থান পেয়েছেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) তিনজন শিক্ষক ও একজন শিক্ষার্থী। এই তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান।

গবেষণার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বহিরাঙ্গনের দায়িত্বও সফলভাবে পালন করে যাচ্ছেন এই অধ্যাপক।

যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা ‘এলসেভিয়ার’ যৌথভাবে বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের এই তালিকা প্রকাশ করেছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) প্রকাশিত এই তালিকাটি তৈরি হয়েছে ২০২৬ সালের একক বছরের গবেষণা কার্যক্রমের ভিত্তিতে।

তালিকায় বাংলাদেশের মোট ৩৪৭ জন গবেষক স্থান পেয়েছেন। ২০২৫ সালে এই সংখ্যা ছিল ২৮৬ জন। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে তালিকায় বাংলাদেশি গবেষকের সংখ্যা বেড়েছে ৬১ জন, শতকরা হিসাবে যা ২১ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি।

এই অর্জন প্রসঙ্গে অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, আলহামদুলিল্লাহ। এই অর্জন আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের, গর্বের এবং একইসঙ্গে একটি বড় দায়িত্বেরও বিষয়। এই স্বীকৃতি শুধু আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয়; এর পেছনে রয়েছে আমার পরিবার, শিক্ষক, সহকর্মী, শিক্ষার্থী এবং গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত সব শুভাকাঙ্ক্ষীর আন্তরিক সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা। তাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

তিনি বলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন গবেষক হিসেবে নবায়নযোগ্য শক্তি এবং উন্নত সৌরশক্তি প্রযুক্তির মাধ্যমে টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছি। আমার গবেষণার মূল লক্ষ্য উন্নত সৌরশক্তি প্রযুক্তির মাধ্যমে টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তোলায় অবদান রাখা।

বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে ২৮ হাজার ২৫০তম এবং এপ্লাইড ফিজিক্স সাবফিল্ডে ৫১৫তম স্থান অর্জনকে আনন্দের বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, তবে আমি বিশ্বাস করি, কোনো স্বীকৃতিই গবেষণার শেষ কথা নয়; বরং এটি আরও ভালো গবেষণা করার অনুপ্রেরণা। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও গবেষণাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও শক্তিশালীভাবে তুলে ধরতে চাই। বিশেষ করে তরুণ গবেষকদের সঙ্গে কাজ করে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি, উদ্ভাবন এবং দেশের জন্য কার্যকর প্রযুক্তি উন্নয়নে অবদান রাখতে চাই বলে জানান তিনি।

তিনি তার এই অর্জনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সবার দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা ভবিষ্যতেও তার গবেষণার পথচলায় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। বাংলাদেশ ও দেশের গবেষণা আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

উল্লেখ্য, এই তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মির্জা হাসানউজ্জামান। দ্বিতীয় স্থানে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মুনতাসির মুর্শেদ। তৃতীয় স্থানে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. মোঃ তরিকুল ইসলাম। চতুর্থ স্থানে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মুহাম্মদ আশরাফুল আলম এবং পঞ্চম স্থানে রয়েছেন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের গবেষক এম. খালিদ হোসেন।