ঢাকা ১০:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
পোশাকশ্রমিকদের দাবি পূরণে সরকারের প্রতি শফিকুর রহমানের আহ্বান চট্টগ্রামে শ্রমিক হত্যা ও মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এনসিপির মশাল মিছিল টেস্ট বোলারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে অবনতি তাইজুল ও মিরাজের ভৈরব উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের শতকোটি টাকার জমিতে মার্কেট নির্মাণের সড়যন্ত্র, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সারের জন্য কৃষকদের দীর্ঘ লাইন, ডিলারের দোকানে ক্ষোভ ও পুলিশ মোতায়েন ইবির পঞ্চম সমাবর্তনে নিবন্ধন ফি ৫ হাজার টাকা, নিবন্ধন শুরু ৫ নভেম্বর পড়াশোনার পাশাপাশি পেঁপে চাষে সফল বেরোবি শিক্ষার্থী আকরাম আরেকটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে চেয়েছিলেন ম্যাক্সওয়েল প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন চীনা নেতা লিউ হাইশিং গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, যান চলাচল বন্ধ

মোহনগঞ্জে নিখোঁজের দুই দিন পর অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০২:৩০:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২৭৫ Time View

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে একটি পারিবারিক কবরস্থানের গাছ থেকে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য ফজলুর রহিম কাজলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে ফজলুর রহিম কাজল নামে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে উপজেলার বড়কাশিয়া ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামের একটি পারিবারিক কবরস্থানের গাছ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত ফজলুর রহিম কাজল সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাকিয়াম গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মরহুম জবান আলীর ছেলে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ অক্টোবর থেকে নিখোঁজ ছিলেন কাজল। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে তাঁর খোঁজ করেন। এ সময় অপরিচিত একটি ফোন নম্বর থেকে ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছিল বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় ৭ অক্টোবর ধর্মপাশা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন স্বজনেরা।

শুক্রবার সকালে বিরামপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. দুলাল মিয়ার বাবা মরহুম মোহাম্মদ আলীর কবরস্থানের একটি গাছে কাজলের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে স্থানীয়দের জানানোর পর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।

খবর পেয়ে নিহতের পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন।

মোহনগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জসিম উদ্দীন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, কাজলের পরিবারের সদস্যদের দাবি, তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়ে থাকতে পারে। নিখোঁজ হওয়ার পর মুক্তিপণ চাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাঁদের সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

তবে কাজলের মৃত্যু হত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশের তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার দাবি জানিয়েছেন স্বজনেরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

পোশাকশ্রমিকদের দাবি পূরণে সরকারের প্রতি শফিকুর রহমানের আহ্বান

মোহনগঞ্জে নিখোঁজের দুই দিন পর অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময়ঃ ০২:৩০:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে ফজলুর রহিম কাজল নামে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে উপজেলার বড়কাশিয়া ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামের একটি পারিবারিক কবরস্থানের গাছ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত ফজলুর রহিম কাজল সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাকিয়াম গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মরহুম জবান আলীর ছেলে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ অক্টোবর থেকে নিখোঁজ ছিলেন কাজল। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে তাঁর খোঁজ করেন। এ সময় অপরিচিত একটি ফোন নম্বর থেকে ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছিল বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় ৭ অক্টোবর ধর্মপাশা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন স্বজনেরা।

শুক্রবার সকালে বিরামপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. দুলাল মিয়ার বাবা মরহুম মোহাম্মদ আলীর কবরস্থানের একটি গাছে কাজলের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে স্থানীয়দের জানানোর পর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।

খবর পেয়ে নিহতের পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন।

মোহনগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জসিম উদ্দীন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, কাজলের পরিবারের সদস্যদের দাবি, তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়ে থাকতে পারে। নিখোঁজ হওয়ার পর মুক্তিপণ চাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাঁদের সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

তবে কাজলের মৃত্যু হত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশের তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার দাবি জানিয়েছেন স্বজনেরা।